ঢাকা ০৭:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিক্ষিত যুবকদের জন্য বিশেষ ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ: দেশের ৬৪ জেলায় কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ আ.লীগের সাব-রেজিষ্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ “ড. তারেক হোসেনের নেতৃত্বে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নিয়োগ ও টেন্ডার সিণ্ডিকেট” বালিয়াডাঙ্গীতে দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে রং মিশ্রিত শিং-মাগুর মাছ গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়াই বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য : মির্জা ফখরুল প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে একের পর এক নিয়োগ বিতর্কে বয়জার রহমান বাগেরহাটের রামপালে চাঁদা দাবি করে সাংবাদিককে প্রাণে মারার হুমকি । জুলাই যোদ্ধাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর সাথে সচিবালয়ে সাক্ষাত নওগাঁয় বিএমডিএ জোনে ঘুষ-বাণিজ্যের অভিযোগ,তদন্ত নিয়েও প্রশ্ন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আবু সুফিয়ানের প্রকল্প-নিয়োগ বাণিজ্য

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আবু সুফিয়ানের প্রকল্প-নিয়োগ বাণিজ্য

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০৪:১৭:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫০৬ বার পড়া হয়েছে

বিগত আওয়ামী সরকারের সুবিধাভোগীগুপ্ত জামাতীদের দখলে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর বর্তমানে জামাতীদের দখলে। মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত), ডা. আবু সুফিয়ান, যিনি বিগত ১৭বছর যাবৎ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে বিভিন্ন সুবিধাজনক অবস্থানে থেকে চাকুরি করেছেন। পরবর্তীতে এনসিপির বিভিন্ন নেতার সুপারিশ এবং জামাতের আমীরের ডিও লেটারে তিনি ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালকের দায়িত্ব পান।
বর্তমানে ডিজি আবুসুফিয়ান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরকে দুর্নিতীর স্বর্গরাজ্য বানিয়েছে। বিএনপি পন্থী কর্মকর্তারা আজ জামাতীদের দাপটে কোনঠাসা।
নিয়োগ বাণিজ্য- কিছুদিন আগে অধিদপ্তরের ৬ শত কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হয়। পরিচালক প্রশাসন এবং উপপরিচালক মিলে এখানে বিরাট দুর্নিতী করেছে। প্রায় ৫ কোটি টাকা সম্মানী ভাতার নামে লোপাট করেছে। দিনে একজন সদস্য প্রায় ১ লাখ টাকা করে নিয়েছে। এছাড়া একটি বিশেষ এলাকার লোক নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে সকলেরই জানা।
কোটি কোটি বাণিজ্য হয়েছে বলে ইতিপূর্বে বিভিন্ন পত্রিকায় উঠেছে। কিন্তু জামাত এনসিপি ক্ষমতায় থাকার কারণে কোন কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া হয়নি
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পিপিআর ও ক্ষুরারোগ নির্মূলে ভেক্সিন ক্রয় প্রকল্পে ২১ কোটি টাকার দুর্নিতী হয়েছে বলে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ হয়। দুদুক এ বিষয়ে মামলা গ্রহন করে ডিজি ও পরিচালক প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করার জন্য অধিদপ্তরের নিকট প্রয়োজনীয় কাগজ চেয়ে পত্র দেয় এবং স্বশরীরে এসেও তৎকালীন উপদেষ্টার কারণে কাগজ জমা দেয়নি।
গত নভেম্বরে জাতীয় প্রাণিসম্পদ মেলা সম্পন্ন হয়। এখানে ডিজি, পরিচালক প্রশাসন এবং উপপরিচাল প্রশাসন মিলে প্রায় ৪ কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে।
এই জামাতীদের দাপটে আজ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থমথমে। বিএনপি পন্থীরা বর্তমান সরকার গঠন হওয়ার পর মাননীয় মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেছেন। এতে আরও ক্ষিপ্ত হয়েছেন এই জামাতী তিন কর্মকর্তা। তবে জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা কর্মচারীদের আশা অচিরেই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে। দীর্ঘ দিনের বঞ্চিত কর্মকর্তারা খুব প্রকাশ করে জানান যে আওয়ামী দুঃ শাসন থেকে মুক্তি পেয়ে আবার গুপ্তজামতীদের কবলে পড়ে আমাদের অবস্থার কোন পরিবর্তন হয়নি। অবিলম্বে এ চক্র কে বাধ্যতামূলক অবসরে না পাঠালে দেশ প্রেমিক ও দক্ষ কর্মকর্তাদের নেতৃতে না আনলে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাধাগ্রস্থ হবে। তাই গুপ্ত ও দুর্নীতিবাজ কর্মকরতাদের অপসারণ করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।

পরিচালক প্রশাসন ডা. বয়জার রহমান এবং তার স্ত্রী বিগত ১৭ বছর ঢাকায় বিভিন্ন পোস্টে চাকুরী করেছেন। আওয়ামী নির্যাতনের স্বীকার হতে হয়নি ছাত্রজীবন থেকে অদ্যাবধি। ১৯৮৭-৮৮ সেসনে বাংলাদেশ কৃষিবিশ্ববিদ্যালয়ে ভেটেরিনারি অনুষদে ভর্তি হয়ে তিনি শিবিরের রাজনিতীর সংগে যুক্ত হন। পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এলে তিনি বিএনপি তে শিবিরের গুপ্তচর হিসেবে কাজ করতেন। ছাত্রদলের কোন মিছিল মিটিং এ তাকে কখনও দেখা যায়নি। এমনকি হলের কোন পদেও ছিলেন না।
পরিচালক প্রশাসন ডা. বয়জার এবং উপপরিচালক ডা. তারেক হোসেন মিলে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরকে দুর্নিতীর স্বর্গরাজ্য বানিয়েছে। বিএনপি পন্থী কর্মকর্তারা আজ জামাতীদের দাপটে কোনঠাসা।
১। নিয়োগ বাণিজ্য- কিছুদিন আগে অধিদপ্তরের ৬ শত কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হয়। পরিচালক প্রশাসন এবং উপপরিচালক মিলে এখানে বিরাট দুর্নিতী করেছে। প্রায় ৫ কোটি টাকা সম্মানী ভাতার নামে লোপাট করেছে। দিনে একজন সদস্য প্রায় ১ লাখ টাকা করে নিয়েছে। এছাড়া একটি বিশেষ এলাকার লোক নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে সকলেরই জানা।
উপপরিচালক প্রশাসন ডা. তারেক হোসেনের ব্যাক্তিগত গাড়ীচালককে কোন নিয়মের মধ্যে না পরলেও তাকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। কোটি কোটি বাণিজ্য হয়েছে বলে ইতিপূর্বে বিভিন্ন পত্রিকায় উঠেছে। কিন্তু জামাত এনসিপি ক্ষমতায় থাকার কারণে কোন কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।
২। টেন্ডার বাণিজ্য- প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পিপিআর ও ক্ষুরারোগ নির্মূলে ভেক্সিন ক্রয় প্রকল্পে ২১ কোটি টাকার দুর্নিতী হয়েছে বলে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ হয়। দুদুক এ বিষয়ে মামলা গ্রহন করে ডিজি ও পরিচালক প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করার জন্য অধিদপ্তরের নিকট প্রয়োজনীয় কাগজ চেয়ে পত্র দেয় এবং স্বশরীরে এসেও তৎকালীন উপদেষ্টার কারণে কাগজ জমা দেয়নি।
৩। গত নভেম্বরে জাতীয় প্রাণিসম্পদ মেলা সম্পন্ন হয়। এখানে ডিজি, পরিচালক প্রশাসন এবং উপপরিচাল প্রশাসন মিলে প্রায় ৪ কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে। এই জায়গায় সহায়তা করেছেনে পরিচালক উৎপাদন ড. খালিদুজ্জামান এবং উপপরিচালক খামার শরিফুল হক। এই জামাতীদের দাপটে আজ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থমথমে। বিএনপি পন্থীরা বর্তমান সরকার গঠন হওয়ার পর মাননীয় মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেছেন। এতে আরও ক্ষিপ্ত হয়েছেন এই জামাতী তিন কর্মকর্তা। তবে জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা কর্মচারীদের আশা অচিরেই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে। দীর্ঘ দিনের বঞ্চিত কর্মকর্তারা খুব প্রকাশ করে জানান যে আওয়ামী দুঃ শাসন থেকে মুক্তি পেয়ে আবার গুপ্তজামতীদের কবলে পড়ে আমাদের অবস্থার কোন পরিবর্তন হয়নি। অবিলম্বে এ চক্র কে বাধ্যতামূলক অবসরে না পাঠালে দেশ প্রেমিক ও দক্ষ কর্মকর্তাদের নেতৃতে না আনলে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাধাগ্রস্থ হবে। তাই গুপ্ত ও দুর্নীতিবাজ কর্মকরতাদের অপসারণ করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষিত যুবকদের জন্য বিশেষ ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ: দেশের ৬৪ জেলায় কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আবু সুফিয়ানের প্রকল্প-নিয়োগ বাণিজ্য

আপডেট সময় ০৪:১৭:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিগত আওয়ামী সরকারের সুবিধাভোগীগুপ্ত জামাতীদের দখলে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর বর্তমানে জামাতীদের দখলে। মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত), ডা. আবু সুফিয়ান, যিনি বিগত ১৭বছর যাবৎ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে বিভিন্ন সুবিধাজনক অবস্থানে থেকে চাকুরি করেছেন। পরবর্তীতে এনসিপির বিভিন্ন নেতার সুপারিশ এবং জামাতের আমীরের ডিও লেটারে তিনি ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালকের দায়িত্ব পান।
বর্তমানে ডিজি আবুসুফিয়ান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরকে দুর্নিতীর স্বর্গরাজ্য বানিয়েছে। বিএনপি পন্থী কর্মকর্তারা আজ জামাতীদের দাপটে কোনঠাসা।
নিয়োগ বাণিজ্য- কিছুদিন আগে অধিদপ্তরের ৬ শত কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হয়। পরিচালক প্রশাসন এবং উপপরিচালক মিলে এখানে বিরাট দুর্নিতী করেছে। প্রায় ৫ কোটি টাকা সম্মানী ভাতার নামে লোপাট করেছে। দিনে একজন সদস্য প্রায় ১ লাখ টাকা করে নিয়েছে। এছাড়া একটি বিশেষ এলাকার লোক নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে সকলেরই জানা।
কোটি কোটি বাণিজ্য হয়েছে বলে ইতিপূর্বে বিভিন্ন পত্রিকায় উঠেছে। কিন্তু জামাত এনসিপি ক্ষমতায় থাকার কারণে কোন কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া হয়নি
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পিপিআর ও ক্ষুরারোগ নির্মূলে ভেক্সিন ক্রয় প্রকল্পে ২১ কোটি টাকার দুর্নিতী হয়েছে বলে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ হয়। দুদুক এ বিষয়ে মামলা গ্রহন করে ডিজি ও পরিচালক প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করার জন্য অধিদপ্তরের নিকট প্রয়োজনীয় কাগজ চেয়ে পত্র দেয় এবং স্বশরীরে এসেও তৎকালীন উপদেষ্টার কারণে কাগজ জমা দেয়নি।
গত নভেম্বরে জাতীয় প্রাণিসম্পদ মেলা সম্পন্ন হয়। এখানে ডিজি, পরিচালক প্রশাসন এবং উপপরিচাল প্রশাসন মিলে প্রায় ৪ কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে।
এই জামাতীদের দাপটে আজ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থমথমে। বিএনপি পন্থীরা বর্তমান সরকার গঠন হওয়ার পর মাননীয় মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেছেন। এতে আরও ক্ষিপ্ত হয়েছেন এই জামাতী তিন কর্মকর্তা। তবে জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা কর্মচারীদের আশা অচিরেই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে। দীর্ঘ দিনের বঞ্চিত কর্মকর্তারা খুব প্রকাশ করে জানান যে আওয়ামী দুঃ শাসন থেকে মুক্তি পেয়ে আবার গুপ্তজামতীদের কবলে পড়ে আমাদের অবস্থার কোন পরিবর্তন হয়নি। অবিলম্বে এ চক্র কে বাধ্যতামূলক অবসরে না পাঠালে দেশ প্রেমিক ও দক্ষ কর্মকর্তাদের নেতৃতে না আনলে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাধাগ্রস্থ হবে। তাই গুপ্ত ও দুর্নীতিবাজ কর্মকরতাদের অপসারণ করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।

পরিচালক প্রশাসন ডা. বয়জার রহমান এবং তার স্ত্রী বিগত ১৭ বছর ঢাকায় বিভিন্ন পোস্টে চাকুরী করেছেন। আওয়ামী নির্যাতনের স্বীকার হতে হয়নি ছাত্রজীবন থেকে অদ্যাবধি। ১৯৮৭-৮৮ সেসনে বাংলাদেশ কৃষিবিশ্ববিদ্যালয়ে ভেটেরিনারি অনুষদে ভর্তি হয়ে তিনি শিবিরের রাজনিতীর সংগে যুক্ত হন। পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এলে তিনি বিএনপি তে শিবিরের গুপ্তচর হিসেবে কাজ করতেন। ছাত্রদলের কোন মিছিল মিটিং এ তাকে কখনও দেখা যায়নি। এমনকি হলের কোন পদেও ছিলেন না।
পরিচালক প্রশাসন ডা. বয়জার এবং উপপরিচালক ডা. তারেক হোসেন মিলে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরকে দুর্নিতীর স্বর্গরাজ্য বানিয়েছে। বিএনপি পন্থী কর্মকর্তারা আজ জামাতীদের দাপটে কোনঠাসা।
১। নিয়োগ বাণিজ্য- কিছুদিন আগে অধিদপ্তরের ৬ শত কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হয়। পরিচালক প্রশাসন এবং উপপরিচালক মিলে এখানে বিরাট দুর্নিতী করেছে। প্রায় ৫ কোটি টাকা সম্মানী ভাতার নামে লোপাট করেছে। দিনে একজন সদস্য প্রায় ১ লাখ টাকা করে নিয়েছে। এছাড়া একটি বিশেষ এলাকার লোক নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে সকলেরই জানা।
উপপরিচালক প্রশাসন ডা. তারেক হোসেনের ব্যাক্তিগত গাড়ীচালককে কোন নিয়মের মধ্যে না পরলেও তাকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। কোটি কোটি বাণিজ্য হয়েছে বলে ইতিপূর্বে বিভিন্ন পত্রিকায় উঠেছে। কিন্তু জামাত এনসিপি ক্ষমতায় থাকার কারণে কোন কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।
২। টেন্ডার বাণিজ্য- প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পিপিআর ও ক্ষুরারোগ নির্মূলে ভেক্সিন ক্রয় প্রকল্পে ২১ কোটি টাকার দুর্নিতী হয়েছে বলে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ হয়। দুদুক এ বিষয়ে মামলা গ্রহন করে ডিজি ও পরিচালক প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করার জন্য অধিদপ্তরের নিকট প্রয়োজনীয় কাগজ চেয়ে পত্র দেয় এবং স্বশরীরে এসেও তৎকালীন উপদেষ্টার কারণে কাগজ জমা দেয়নি।
৩। গত নভেম্বরে জাতীয় প্রাণিসম্পদ মেলা সম্পন্ন হয়। এখানে ডিজি, পরিচালক প্রশাসন এবং উপপরিচাল প্রশাসন মিলে প্রায় ৪ কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে। এই জায়গায় সহায়তা করেছেনে পরিচালক উৎপাদন ড. খালিদুজ্জামান এবং উপপরিচালক খামার শরিফুল হক। এই জামাতীদের দাপটে আজ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থমথমে। বিএনপি পন্থীরা বর্তমান সরকার গঠন হওয়ার পর মাননীয় মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেছেন। এতে আরও ক্ষিপ্ত হয়েছেন এই জামাতী তিন কর্মকর্তা। তবে জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা কর্মচারীদের আশা অচিরেই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে। দীর্ঘ দিনের বঞ্চিত কর্মকর্তারা খুব প্রকাশ করে জানান যে আওয়ামী দুঃ শাসন থেকে মুক্তি পেয়ে আবার গুপ্তজামতীদের কবলে পড়ে আমাদের অবস্থার কোন পরিবর্তন হয়নি। অবিলম্বে এ চক্র কে বাধ্যতামূলক অবসরে না পাঠালে দেশ প্রেমিক ও দক্ষ কর্মকর্তাদের নেতৃতে না আনলে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাধাগ্রস্থ হবে। তাই গুপ্ত ও দুর্নীতিবাজ কর্মকরতাদের অপসারণ করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।