ঢাকা ০২:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করল ১১-দল মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী কচুয়ায় দেড় কিলোমিটার সড়ক বেহাল: ঝুঁকিতে ২৫০ শিক্ষার্থী, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ রাষ্ট্রপতি পদে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করল বিএনপি সোমবার এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী গোপালগঞ্জে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে পিতার জানাজায় আওয়ামী লীগ নেতা  নগর গুলিস্তান স্টপওভার বাস-মিনিবাস টার্মিনাল শ্রমিক পরিচালনা কমিটির পরিচিতি সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত গাজায় ধসে পড়া ভবনের নিচ থেকে ১৯ মরদেহ উদ্ধার দাম বাড়ানোর পর দেশে আজ সোনার ভরি কত? কক্সবাজারের মাতারবাড়ী পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

আ.লীগের সাব-রেজিষ্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০৪:৪৪:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬৮১ বার পড়া হয়েছে

নাম তার মাইকেল মহিউদ্দিন আবদুল্লাহ। খিলগাঁ সাব-রেজিষ্ট্রার।দাপটশালী দুর্নীতিবাজ ও পল্টিবাজ। বিগত আওয়ামী শাসনামলে তার মাস্তানী চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি ছিলো লাগামহীন। সবার কাছে তার পরিচয় ছিলো সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের চামচা ও ক‍্যাশিয়ার হিসেবে। আর এখন ২৪ এর ৫ আগষ্ট বিপ্লবের পর তিনি হয়ে গেছেন পুরো তেজগাঁ রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্সের গড ফাদার। সরকারী চাকরি করে তিনি ২০-৩০ জনের মাস্তান বাহিনী নিয়ে প্রকাশ‍্যে তেজগাঁও কমপ্লেক্স দাপিয়ে বেড়ান। মাস্তানবেষ্টিত এই সাব-রেজিষ্ট্রার মাইকেলকে দেখে সবাই পল্টিবাজ হিসেবে হাসাহাসি করে। তিনি পূর্বে ছিলেন দাপুটে আওয়ামী ফ‍্যাসিষ্ট। জুলাই আগষ্ট বিপ্লবের পর হলেন জিয়ার সৈনিক। বর্তমানে সাব- রেজিষ্ট্রার বদলি বাণিজ‍্য থেকে শুরু করে একজন দলীয় নেতার ভূমিকায় তেজগাঁও রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্স নিয়ন্ত্রণ করছেন। অনেকেই মন্তব‍্য করেছেন পুরণো বোতলে নতুন মদ।এখন বিএনপি সরকার ক্ষমতায়। অথচ এইসব সুবিধাবাদিরা তো বিতাড়িত হননি বরং বহাল তবিয়তে রাজত্ব করছেন। অনেকেই বলেছেন অবিলম্বে এক সময়ের আওয়ামী দালাল সাব – রেজিষ্ট্রার মাইকেল আব্দুল্লাহকে বহিষ্কার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হোক । জানা গেছে নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের লাঠিয়াল খিলগাঁও এর সাব রেজিষ্টার মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহ নারী কেলেংকারীতেও চ‍্যাম্পিয়ন। সাব -রেজিষ্টার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহ পকেটে লাখ লাখ টাকা নিয়ে অভিজাত গুলশান বনানীর গোপন আড্ডায় নিয়মিত যাতায়াত করেন। সেখানে উঠতি বয়সী তথাকথিত মডেল, নাটক পাড়ার অভিনেত্রী এবং র‍্যাম্প মডেলদের সাথে রাতভর মদ পান করেন এবং একাধিক নারীর সাথে ফুর্তি করতে দেখা যায় তাকে । তার এই বেপরোয়া জীবন যাপনের কারণে পরিবারও নাখোশ। তার নিকট ঘনিষ্ঠজনরা বলেছেন আওয়ামী লীগের সময় তিনি যা করতেন এখনো তাই করেন। সাব রেজিষ্টার বদলি থেকে শুরু করে ওপর মহলে খুশী করার জন‍্য গালা পার্টি, নারী সাপ্লাই থেকে শুরু করে দামি দামি ব্র‍্যান্ডের মদও সাপ্লাই দেন সাব রেজিষ্টার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহ। সব আমলেই তিনি ভালো আছেন।কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি করলেও এখনো তিনি বহাল তবিয়তে। তিনি বলে বেড়ান দুদক তার চুলও স্পর্শ করতে পারবেন না। কেননা মাইকেল নাকি প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকা মাসোহারা দেন তাদের । অথচ বিগত দিনে আওয়ামী লীগের পরিচয়ে মাইকেল প্রকাশ‍্যে অপকর্ম করতেন তা সবার জানা।তিনি বিগত সময়ে আওয়ামী সরকারের নাম ভাঙ্গিয়ে প্রকাশ‍্যে অনিয়ম দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ‍্যে চ‍্যাম্পিয়ন ছিলেন ।

আইন মন্ত্রীর বদৌলতে ও প্রভাব বিস্তার করে রেজিষ্ট্রেশন সার্ভিসেস এসোসিয়েশনের মহাসচিব হয়েছেন।অন‍্যদিকে লোভনীয় পোষ্টিং খিলগাঁও এর সাব রেজিষ্ট্রার হয়েছেন জিয়ার সৈনিক হিসেবে।

সবাই জানেন যে আওয়ামী সরকারের আইন মন্ত্রীর ক‍্যাশিয়ার হিসেবে তিনি ব‍্যাপকভাবে পরিচিত ছিলেন। যেসব জায়গায় তিনি বদলি হয়েছেন সেসব জায়গায় কখনোই তিনি ডিসি ইউএনওদের পাত্তা দিতেন না। বরং প্রচার করতেন তিনি আইন মন্ত্রী আনিসুল হকের খাস লোক। রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্সসহ সারাদেশে সাব-রেজিষ্ট্রার বদলি বাণিজ্য এবং মাসে মাসে মোটা অংকের চাঁদাবাজি করতেন আইন মন্ত্রীর নাম ভাংগিয়ে।

তিনি আওয়ামী লীগের আমলে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের দোসর হিসেবে দুর্নীতি অনিয়ম লুটপাটের শিরোমনি ছিলেন ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে রেজিষ্ট্রী অফিস দাপিয়ে বেড়িয়েছেন। বর্তমানে বিগত ৪০ বছরেও মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লার মতো এমন দুর্নীতিবাজ সাব -রেজিষ্টার দেখেননি ভুক্তভোগিরা।

ইতোপূর্বে আওয়ামী ফ‍্যাসিস্ট সরকারের আইন মন্ত্রী আনিসুল হকের যোগসাজসে দীর্ঘদিন সাব – রেজিস্টার বদলি বাণিজ্য হয়রানিসহ শত শত লোককে রেজিস্ট্রি অফিসে চাকরি দিয়ে কয়েকশ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে প্রতিমাসে কোটি কোটি টাকা রেজিস্ট্রি অফিস থেকে দিতেন। তার ক‍্যাশিয়ার হিসেবে সারাদেশে পরিচিত ছিলেন এই মাইকেল।

আওয়ামী লীগের লাঠিয়াল হিসেবে মাইকেল ইতিপূর্বে যেসব জেলা ও উপজেলায় চাকরি করেছেন সেসব এলাকার ডিসি ইউএনওকে চ‍্যালেন্জ ছুঁড়ে প্রকাশ‍্যে কোটি কোটি টাকা ঘুষ আদায় করেছেন। এ সংক্রান্ত নিউজ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে তখন।

সাবেক আইন মন্ত্রীর বিশ্বস্ত সহোচর হিসেবে মুন্সিগঞ্জ রূপগঞ্জ টঙ্গিতে বেপরোয়া ছিলেন। তার অনৈতিক কর্মকান্ডে দলিল লেখক ও সাধারণ মানুষ অতীষ্ঠ ছিলেন। সেসময় দলিল লেখকসহ সাধারণ মানুষ মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করে মাইকেলের অপসারণ চেয়েছিলো কিন্তু তখন আইনমন্ত্রীর দোহাই দিয়ে ও আওয়ামী লীগের ডোনার হিসেবে নিজেকে জাহির করতেন দাপটের সাথে।

প্রকাশ‍্যে ঘুষ কেলেংকারি করা সত্ত্বেও সব জেনেও দুদক তার বিরুদ্ধে কোনো ব‍্যবস্হা নেয়নি। এমনকি বিদেশে কোটি কোটি টাকা পাচার করেছেন।সে বিষয়েও প্রশাসন নির্বিকার।

মাইকেল সবাইকে চ‍্যালেন্জ ছুঁড়ে প্রকাশ‍্যে বাণিজ‍্যিককে আবাসিক দলিল করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।জাল জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে সরকারের কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছেন।চিহ্নিত আওয়ামীলীগার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহর অপসারণ ও শাস্তি চায় ভুক্তভুগিরা।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করল ১১-দল

আ.লীগের সাব-রেজিষ্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

আপডেট সময় ০৪:৪৪:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নাম তার মাইকেল মহিউদ্দিন আবদুল্লাহ। খিলগাঁ সাব-রেজিষ্ট্রার।দাপটশালী দুর্নীতিবাজ ও পল্টিবাজ। বিগত আওয়ামী শাসনামলে তার মাস্তানী চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি ছিলো লাগামহীন। সবার কাছে তার পরিচয় ছিলো সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের চামচা ও ক‍্যাশিয়ার হিসেবে। আর এখন ২৪ এর ৫ আগষ্ট বিপ্লবের পর তিনি হয়ে গেছেন পুরো তেজগাঁ রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্সের গড ফাদার। সরকারী চাকরি করে তিনি ২০-৩০ জনের মাস্তান বাহিনী নিয়ে প্রকাশ‍্যে তেজগাঁও কমপ্লেক্স দাপিয়ে বেড়ান। মাস্তানবেষ্টিত এই সাব-রেজিষ্ট্রার মাইকেলকে দেখে সবাই পল্টিবাজ হিসেবে হাসাহাসি করে। তিনি পূর্বে ছিলেন দাপুটে আওয়ামী ফ‍্যাসিষ্ট। জুলাই আগষ্ট বিপ্লবের পর হলেন জিয়ার সৈনিক। বর্তমানে সাব- রেজিষ্ট্রার বদলি বাণিজ‍্য থেকে শুরু করে একজন দলীয় নেতার ভূমিকায় তেজগাঁও রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্স নিয়ন্ত্রণ করছেন। অনেকেই মন্তব‍্য করেছেন পুরণো বোতলে নতুন মদ।এখন বিএনপি সরকার ক্ষমতায়। অথচ এইসব সুবিধাবাদিরা তো বিতাড়িত হননি বরং বহাল তবিয়তে রাজত্ব করছেন। অনেকেই বলেছেন অবিলম্বে এক সময়ের আওয়ামী দালাল সাব – রেজিষ্ট্রার মাইকেল আব্দুল্লাহকে বহিষ্কার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হোক । জানা গেছে নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের লাঠিয়াল খিলগাঁও এর সাব রেজিষ্টার মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহ নারী কেলেংকারীতেও চ‍্যাম্পিয়ন। সাব -রেজিষ্টার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহ পকেটে লাখ লাখ টাকা নিয়ে অভিজাত গুলশান বনানীর গোপন আড্ডায় নিয়মিত যাতায়াত করেন। সেখানে উঠতি বয়সী তথাকথিত মডেল, নাটক পাড়ার অভিনেত্রী এবং র‍্যাম্প মডেলদের সাথে রাতভর মদ পান করেন এবং একাধিক নারীর সাথে ফুর্তি করতে দেখা যায় তাকে । তার এই বেপরোয়া জীবন যাপনের কারণে পরিবারও নাখোশ। তার নিকট ঘনিষ্ঠজনরা বলেছেন আওয়ামী লীগের সময় তিনি যা করতেন এখনো তাই করেন। সাব রেজিষ্টার বদলি থেকে শুরু করে ওপর মহলে খুশী করার জন‍্য গালা পার্টি, নারী সাপ্লাই থেকে শুরু করে দামি দামি ব্র‍্যান্ডের মদও সাপ্লাই দেন সাব রেজিষ্টার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহ। সব আমলেই তিনি ভালো আছেন।কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি করলেও এখনো তিনি বহাল তবিয়তে। তিনি বলে বেড়ান দুদক তার চুলও স্পর্শ করতে পারবেন না। কেননা মাইকেল নাকি প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকা মাসোহারা দেন তাদের । অথচ বিগত দিনে আওয়ামী লীগের পরিচয়ে মাইকেল প্রকাশ‍্যে অপকর্ম করতেন তা সবার জানা।তিনি বিগত সময়ে আওয়ামী সরকারের নাম ভাঙ্গিয়ে প্রকাশ‍্যে অনিয়ম দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ‍্যে চ‍্যাম্পিয়ন ছিলেন ।

আইন মন্ত্রীর বদৌলতে ও প্রভাব বিস্তার করে রেজিষ্ট্রেশন সার্ভিসেস এসোসিয়েশনের মহাসচিব হয়েছেন।অন‍্যদিকে লোভনীয় পোষ্টিং খিলগাঁও এর সাব রেজিষ্ট্রার হয়েছেন জিয়ার সৈনিক হিসেবে।

সবাই জানেন যে আওয়ামী সরকারের আইন মন্ত্রীর ক‍্যাশিয়ার হিসেবে তিনি ব‍্যাপকভাবে পরিচিত ছিলেন। যেসব জায়গায় তিনি বদলি হয়েছেন সেসব জায়গায় কখনোই তিনি ডিসি ইউএনওদের পাত্তা দিতেন না। বরং প্রচার করতেন তিনি আইন মন্ত্রী আনিসুল হকের খাস লোক। রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্সসহ সারাদেশে সাব-রেজিষ্ট্রার বদলি বাণিজ্য এবং মাসে মাসে মোটা অংকের চাঁদাবাজি করতেন আইন মন্ত্রীর নাম ভাংগিয়ে।

তিনি আওয়ামী লীগের আমলে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের দোসর হিসেবে দুর্নীতি অনিয়ম লুটপাটের শিরোমনি ছিলেন ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে রেজিষ্ট্রী অফিস দাপিয়ে বেড়িয়েছেন। বর্তমানে বিগত ৪০ বছরেও মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লার মতো এমন দুর্নীতিবাজ সাব -রেজিষ্টার দেখেননি ভুক্তভোগিরা।

ইতোপূর্বে আওয়ামী ফ‍্যাসিস্ট সরকারের আইন মন্ত্রী আনিসুল হকের যোগসাজসে দীর্ঘদিন সাব – রেজিস্টার বদলি বাণিজ্য হয়রানিসহ শত শত লোককে রেজিস্ট্রি অফিসে চাকরি দিয়ে কয়েকশ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে প্রতিমাসে কোটি কোটি টাকা রেজিস্ট্রি অফিস থেকে দিতেন। তার ক‍্যাশিয়ার হিসেবে সারাদেশে পরিচিত ছিলেন এই মাইকেল।

আওয়ামী লীগের লাঠিয়াল হিসেবে মাইকেল ইতিপূর্বে যেসব জেলা ও উপজেলায় চাকরি করেছেন সেসব এলাকার ডিসি ইউএনওকে চ‍্যালেন্জ ছুঁড়ে প্রকাশ‍্যে কোটি কোটি টাকা ঘুষ আদায় করেছেন। এ সংক্রান্ত নিউজ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে তখন।

সাবেক আইন মন্ত্রীর বিশ্বস্ত সহোচর হিসেবে মুন্সিগঞ্জ রূপগঞ্জ টঙ্গিতে বেপরোয়া ছিলেন। তার অনৈতিক কর্মকান্ডে দলিল লেখক ও সাধারণ মানুষ অতীষ্ঠ ছিলেন। সেসময় দলিল লেখকসহ সাধারণ মানুষ মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করে মাইকেলের অপসারণ চেয়েছিলো কিন্তু তখন আইনমন্ত্রীর দোহাই দিয়ে ও আওয়ামী লীগের ডোনার হিসেবে নিজেকে জাহির করতেন দাপটের সাথে।

প্রকাশ‍্যে ঘুষ কেলেংকারি করা সত্ত্বেও সব জেনেও দুদক তার বিরুদ্ধে কোনো ব‍্যবস্হা নেয়নি। এমনকি বিদেশে কোটি কোটি টাকা পাচার করেছেন।সে বিষয়েও প্রশাসন নির্বিকার।

মাইকেল সবাইকে চ‍্যালেন্জ ছুঁড়ে প্রকাশ‍্যে বাণিজ‍্যিককে আবাসিক দলিল করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।জাল জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে সরকারের কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছেন।চিহ্নিত আওয়ামীলীগার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহর অপসারণ ও শাস্তি চায় ভুক্তভুগিরা।