ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিক্ষিত যুবকদের জন্য বিশেষ ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ: দেশের ৬৪ জেলায় কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ আ.লীগের সাব-রেজিষ্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ “ড. তারেক হোসেনের নেতৃত্বে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নিয়োগ ও টেন্ডার সিণ্ডিকেট” বালিয়াডাঙ্গীতে দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে রং মিশ্রিত শিং-মাগুর মাছ গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়াই বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য : মির্জা ফখরুল প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে একের পর এক নিয়োগ বিতর্কে বয়জার রহমান বাগেরহাটের রামপালে চাঁদা দাবি করে সাংবাদিককে প্রাণে মারার হুমকি । জুলাই যোদ্ধাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর সাথে সচিবালয়ে সাক্ষাত নওগাঁয় বিএমডিএ জোনে ঘুষ-বাণিজ্যের অভিযোগ,তদন্ত নিয়েও প্রশ্ন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আবু সুফিয়ানের প্রকল্প-নিয়োগ বাণিজ্য

কলকাতার ক্যাফে কালচারটা খুব ভালো লাগে : তাসনিয়া ফারিণ

  • বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫৯:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫২০ বার পড়া হয়েছে

অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ বর্তমানে অবস্থান করছেন কলকাতায়। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ‘প্রিন্স’ চলচ্চিত্রের শুটিংয়ে অংশ নিতেই তার এই সফর। এর আগে অতনু ঘোষের ‘আরও এক পৃথিবী’ সিনেমায় অভিনয় করলেও, এবারই প্রথম কলকাতার অলিগলিতে পুরোদমে শুটিং করার স্বাদ নিচ্ছেন তিনি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কলকাতার কাজের অভিজ্ঞতা ও বাংলাদেশে ভারতে শোবিজ নিয়ে নিজের ভাবনা তুলে ধরেন এই অভিনেত্রী। শুটিংয়ের ব্যস্ততার মাঝেও কলকাতার রূপ-রসে মজেছেন ফারিণ। বিশেষ করে হিন্দুস্তান পার্ক এলাকার ক্যাফে কালচার তাকে দারুণভাবে টেনেছে।

অভিনেত্রী বলেন, ‘শুটিংয়ের জন্য ঘোরাঘুরি খুব কম হচ্ছে, তবে কলকাতার ক্যাফে কালচারটা খুব ভালো লাগে। স্পেশালি ওই হিন্দুস্তান পার্কের ওই রাস্তাটায় যে পরিমাণ ক্যাফে আছে ওটা মনে হয় এক মাস ঘুরলেও শেষ হবে না।’

এদিকে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের কাজের ধরনের মধ্যে যেমন মিল খুঁজে পান ফারিণ, তেমনি চোখে পড়ে কিছু অমিলও। তার কথায়, ‘যেহেতু আমরা একই ভাষায় কথা বলি আমাদের কালচার, খাওয়া-দাওয়া সবকিছু অনেক মিল।’

‘আমাদের সেন্টিমেন্ট এবং ফ্যামিলি ভ্যালুসের ক্ষেত্রেও আমরা একই সুতোয় গাঁথা বলতে পারি। অমিল বলতে দুই ইন্ডাস্ট্রির প্যাটার্ন বা নিয়মগুলো আলাদা। বাংলাদেশে সিনেমা বা ওটিটির ক্ষেত্রে একটু লং টাইম শুটিং হয়, আর নাটকগুলো খুব তাড়াতাড়ি শুট হয়।’

দুই দেশের শিল্পীদের আদান-প্রদান নিয়ে তোমার মতামত কী? এমন প্রশ্নের জবাবে তাসনিয়া ফারিণ বলেন, ‘অবশ্যই হওয়া উচিত। এতে ইন্ডাস্ট্রির পরিসর বৃদ্ধি পাবে এবং ইকোনমিক্যালিও মঙ্গলজনক হবে। যখন দুই দেশ এক হয়ে কাজ করবে তখন আরও বড় বড় ছবি তৈরি হবে এবং একটা ওয়াইডার অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছাতে পারবে।’

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষিত যুবকদের জন্য বিশেষ ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ: দেশের ৬৪ জেলায় কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ

কলকাতার ক্যাফে কালচারটা খুব ভালো লাগে : তাসনিয়া ফারিণ

আপডেট সময় ০২:৫৯:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ বর্তমানে অবস্থান করছেন কলকাতায়। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ‘প্রিন্স’ চলচ্চিত্রের শুটিংয়ে অংশ নিতেই তার এই সফর। এর আগে অতনু ঘোষের ‘আরও এক পৃথিবী’ সিনেমায় অভিনয় করলেও, এবারই প্রথম কলকাতার অলিগলিতে পুরোদমে শুটিং করার স্বাদ নিচ্ছেন তিনি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কলকাতার কাজের অভিজ্ঞতা ও বাংলাদেশে ভারতে শোবিজ নিয়ে নিজের ভাবনা তুলে ধরেন এই অভিনেত্রী। শুটিংয়ের ব্যস্ততার মাঝেও কলকাতার রূপ-রসে মজেছেন ফারিণ। বিশেষ করে হিন্দুস্তান পার্ক এলাকার ক্যাফে কালচার তাকে দারুণভাবে টেনেছে।

অভিনেত্রী বলেন, ‘শুটিংয়ের জন্য ঘোরাঘুরি খুব কম হচ্ছে, তবে কলকাতার ক্যাফে কালচারটা খুব ভালো লাগে। স্পেশালি ওই হিন্দুস্তান পার্কের ওই রাস্তাটায় যে পরিমাণ ক্যাফে আছে ওটা মনে হয় এক মাস ঘুরলেও শেষ হবে না।’

এদিকে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের কাজের ধরনের মধ্যে যেমন মিল খুঁজে পান ফারিণ, তেমনি চোখে পড়ে কিছু অমিলও। তার কথায়, ‘যেহেতু আমরা একই ভাষায় কথা বলি আমাদের কালচার, খাওয়া-দাওয়া সবকিছু অনেক মিল।’

‘আমাদের সেন্টিমেন্ট এবং ফ্যামিলি ভ্যালুসের ক্ষেত্রেও আমরা একই সুতোয় গাঁথা বলতে পারি। অমিল বলতে দুই ইন্ডাস্ট্রির প্যাটার্ন বা নিয়মগুলো আলাদা। বাংলাদেশে সিনেমা বা ওটিটির ক্ষেত্রে একটু লং টাইম শুটিং হয়, আর নাটকগুলো খুব তাড়াতাড়ি শুট হয়।’

দুই দেশের শিল্পীদের আদান-প্রদান নিয়ে তোমার মতামত কী? এমন প্রশ্নের জবাবে তাসনিয়া ফারিণ বলেন, ‘অবশ্যই হওয়া উচিত। এতে ইন্ডাস্ট্রির পরিসর বৃদ্ধি পাবে এবং ইকোনমিক্যালিও মঙ্গলজনক হবে। যখন দুই দেশ এক হয়ে কাজ করবে তখন আরও বড় বড় ছবি তৈরি হবে এবং একটা ওয়াইডার অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছাতে পারবে।’