ঢাকা ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিক্ষিত যুবকদের জন্য বিশেষ ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ: দেশের ৬৪ জেলায় কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ আ.লীগের সাব-রেজিষ্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ “ড. তারেক হোসেনের নেতৃত্বে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নিয়োগ ও টেন্ডার সিণ্ডিকেট” বালিয়াডাঙ্গীতে দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে রং মিশ্রিত শিং-মাগুর মাছ গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়াই বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য : মির্জা ফখরুল প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে একের পর এক নিয়োগ বিতর্কে বয়জার রহমান বাগেরহাটের রামপালে চাঁদা দাবি করে সাংবাদিককে প্রাণে মারার হুমকি । জুলাই যোদ্ধাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর সাথে সচিবালয়ে সাক্ষাত নওগাঁয় বিএমডিএ জোনে ঘুষ-বাণিজ্যের অভিযোগ,তদন্ত নিয়েও প্রশ্ন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আবু সুফিয়ানের প্রকল্প-নিয়োগ বাণিজ্য

আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি : মেহজাবীন

  • বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:০৭:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫১৭ বার পড়া হয়েছে

বিমানবন্দরে অবৈধ পণ্যসহ আটক হওয়ার খবরকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। সোমবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন অভিনেত্রী। জানালেন, তাকে জড়িয়ে যে মানহানিকর প্রচার চালানো হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে তিনি ইতোমধ্যেই আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন।

ফেসবুক পোস্টে মেহজাবীন উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক যে ঘটনাটি নিয়ে আমাকে উদ্দেশ্য করে মানহানিকর প্রচার চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে আমি ইতোমধ্যে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এ প্রসঙ্গে কয়েকটি বিষয় পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই।

মেহজাবীন লেখেন, প্রথমত, উল্লিখিত কোন ঘটনায় আমাকে কখনোই বিমানবন্দরে থামানো হয়নি। আমার কোনো হ্যান্ডব্যাগ বা লাগেজও আটকানো হয়নি; আমার লাগেজ বা হ্যান্ডব্যাগে উল্লিখিত অভিযোগের কিছু পাওয়ার তো প্রশ্নই ওঠেনা। যেসব কথা ছড়ানো হচ্ছে, সেরকম কোনো ঘটনার মুখোমুখি আমি হইনি। বিমানবন্দরের কোনো কর্মকর্তা আমাকে কোনরুপ জিজ্ঞাসাবাদও করেননি।

প্রশ্ন তুলে অভিনেত্রী উল্লেখ করেন, আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার, আমার লাগেজ থেকে কিছু অবৈধ কিছু বের হওয়ার কোনো ছবি, ভিডিও বা কোনো ধরনের প্রমাণ কি আছে? ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিনেত্রী বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে মানহানি এখন খুব স্বাভাবিক ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। যে খবরটি ছড়ানো হয়েছে, তার নিরিখে একটিও প্রমাণ কেউ দিতে পারেনি যে আমার লাগেজে অবৈধ কিছু পাওয়া গেছে। অথচ ক্লিকবেইটের জন্য আমার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।

মেহজাবীন লেখেন, এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কারোরই এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়া কাম্য নয়। আমার বিরুদ্ধে এই সকল অভিযোগ অমূলক এবং আমি আবারও বলছি, এই ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনায় আমাকে জড়িয়ে যা প্রকাশিত হয়েছে সেই ব্যাপারে আমার কোনই সংশ্লিষ্টতা নেই।

এর আগে রোববার সকালে এক পোস্টে মেহজাবীন অভিযোগ করেছিলেন যে, গত কিছুদিন ধরে তাকে নানা বিষয়ে ‘টার্গেট’ করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, মাস তিনেক আগে পারিবারিক ব্যবসায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে একটি আইনি জটিলতায় পড়েছিলেন তিনি, যদিও পরবর্তীতে আদালত থেকে তিনি অব্যাহতি পান।

সাম্প্রতিক বিতর্কের সূত্রপাত হয় একটি খবরের মাধ্যমে, যেখানে দাবি করা হয়েছিল, গত ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে ফেরার পথে মদের বোতলসহ বিমানবন্দরে মেহজাবীন ও তার স্বামী আটক হন। তবে এই তথ্যের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই মেহজাবীন সরাসরি মানহানির দাবি করে আইনি পথে হাঁটার ঘোষণা দিলেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষিত যুবকদের জন্য বিশেষ ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ: দেশের ৬৪ জেলায় কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ

আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি : মেহজাবীন

আপডেট সময় ০৩:০৭:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিমানবন্দরে অবৈধ পণ্যসহ আটক হওয়ার খবরকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। সোমবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন অভিনেত্রী। জানালেন, তাকে জড়িয়ে যে মানহানিকর প্রচার চালানো হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে তিনি ইতোমধ্যেই আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন।

ফেসবুক পোস্টে মেহজাবীন উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক যে ঘটনাটি নিয়ে আমাকে উদ্দেশ্য করে মানহানিকর প্রচার চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে আমি ইতোমধ্যে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এ প্রসঙ্গে কয়েকটি বিষয় পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই।

মেহজাবীন লেখেন, প্রথমত, উল্লিখিত কোন ঘটনায় আমাকে কখনোই বিমানবন্দরে থামানো হয়নি। আমার কোনো হ্যান্ডব্যাগ বা লাগেজও আটকানো হয়নি; আমার লাগেজ বা হ্যান্ডব্যাগে উল্লিখিত অভিযোগের কিছু পাওয়ার তো প্রশ্নই ওঠেনা। যেসব কথা ছড়ানো হচ্ছে, সেরকম কোনো ঘটনার মুখোমুখি আমি হইনি। বিমানবন্দরের কোনো কর্মকর্তা আমাকে কোনরুপ জিজ্ঞাসাবাদও করেননি।

প্রশ্ন তুলে অভিনেত্রী উল্লেখ করেন, আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার, আমার লাগেজ থেকে কিছু অবৈধ কিছু বের হওয়ার কোনো ছবি, ভিডিও বা কোনো ধরনের প্রমাণ কি আছে? ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিনেত্রী বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে মানহানি এখন খুব স্বাভাবিক ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। যে খবরটি ছড়ানো হয়েছে, তার নিরিখে একটিও প্রমাণ কেউ দিতে পারেনি যে আমার লাগেজে অবৈধ কিছু পাওয়া গেছে। অথচ ক্লিকবেইটের জন্য আমার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।

মেহজাবীন লেখেন, এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কারোরই এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়া কাম্য নয়। আমার বিরুদ্ধে এই সকল অভিযোগ অমূলক এবং আমি আবারও বলছি, এই ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনায় আমাকে জড়িয়ে যা প্রকাশিত হয়েছে সেই ব্যাপারে আমার কোনই সংশ্লিষ্টতা নেই।

এর আগে রোববার সকালে এক পোস্টে মেহজাবীন অভিযোগ করেছিলেন যে, গত কিছুদিন ধরে তাকে নানা বিষয়ে ‘টার্গেট’ করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, মাস তিনেক আগে পারিবারিক ব্যবসায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে একটি আইনি জটিলতায় পড়েছিলেন তিনি, যদিও পরবর্তীতে আদালত থেকে তিনি অব্যাহতি পান।

সাম্প্রতিক বিতর্কের সূত্রপাত হয় একটি খবরের মাধ্যমে, যেখানে দাবি করা হয়েছিল, গত ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে ফেরার পথে মদের বোতলসহ বিমানবন্দরে মেহজাবীন ও তার স্বামী আটক হন। তবে এই তথ্যের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই মেহজাবীন সরাসরি মানহানির দাবি করে আইনি পথে হাঁটার ঘোষণা দিলেন।