ঢাকা ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জামালপুরে ১০ বছরেও শুরু হয়নি ৫০০ শয্যার হাসপাতাল ভবনের নির্মাণকাজ নেত্রকোণায় দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে নারী নিহত, আহত ২০ জঙ্গলে ২৭ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরলেন নি‌খোঁজ মালয়েশিয়া প্রবাসী উল্টো পথে আসা পিকআপে অটোরিকশায় ধাক্কা, অন্তঃসত্ত্বাসহ আহত ৭ এনসিপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ‘রাজনৈতিক পর্ষদ’ সদস্য হলেন ২ এমপি গুম-নির্যাতের পেছনে দায়ী শেখ হাসিনা : জেরায় সাক্ষী পটুয়াখালীতে এসএসসি-সমমান পরীক্ষায় ৫৩৩ জন অনুপস্থিত বাংলাদেশি জাহাজকে কেন হরমুজ প্রণালি পার হতে দিচ্ছে না ইরান? অপতথ্যের বিস্তার রোধে ইউনেস্কোর সহযোগিতা চাইলেন তথ্যমন্ত্রী ঢাকায় মা‌র্কিন রাষ্ট্রদূ‌তের ১০০ দিন : বাণিজ্য চুক্তিকে বললেন ‘ঐতিহাসিক’
মাতারবাড়ীতেও সিন্ডিকেটের ছায়া

সিপিজিসিবিএলের টেন্ডারে এমডি নাজমুল হকের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ

মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা সরবরাহের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও সিন্ডিকেট প্রভাবের অভিযোগ উঠেছে। কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিপিজিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. নাজমুল হকের নির্দেশ ও প্রভাবে টেন্ডারের শর্ত বারবার পরিবর্তন করে একটি নির্দিষ্ট কোম্পানিকে সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছে অংশগ্রহণকারী কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।
রহস্যজনক সংশোধনী ও পক্ষপাতের অভিযোগ : জুলাই মাসে সিপিজিসিবিএল আন্তর্জাতিক টেন্ডার আহ্বান করে ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা আমদানির জন্য। প্রথমে টেন্ডারের শর্ত ছিল উন্মুক্ত ও অংশগ্রহণমূলক। কিন্তু এমডি নাজমুল হকের নেতৃত্বে বোর্ড মিটিংয়ের পরপরই টেন্ডারের গুরুত্বপূর্ণ ধারা সংশোধন করা হয়।
বিশেষ করে “ইনভাইটেশন টু বিডার (আইটিবি)” ডকুমেন্টের ক্লজ ৫.৩ পরিবর্তন করে লিড পার্টনারের আর্থিক যোগ্যতার মানদণ্ড কঠোর করা হয়। টেকনিক্যাল ক্রাইটেরিয়াতেও এমন শর্ত যোগ করা হয়, যা দেশের মাত্র দু-একটি কোম্পানি ছাড়া অন্য কারও পক্ষে পূরণ করা সম্ভব নয়।
অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি, এই পরিবর্তনগুলো নাজমুল হকের প্রত্যক্ষ নির্দেশে করা হয়েছে, যাতে পূর্বনির্ধারিত একটি জাহাজ পরিবহন কোম্পানি টেন্ডারে বিজয়ী হতে পারে।
যোগ্য প্রতিষ্ঠান বঞ্চিত, সিন্ডিকেটের লাভ : টেন্ডার শিডিউল ক্রয় করা একাধিক প্রতিষ্ঠান জানায়, ৬ লাখ টাকা জমা দিয়ে তারা টেন্ডারে অংশ নিতে প্রস্তুতি নিলেও হঠাৎ করা সংশোধনী তাদের অযোগ্য করে দেয়। এক প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মকর্তা বলেন, “এমনভাবে শর্ত পাল্টানো হয়েছে যে, নাজমুল হক যেই প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কাজ করছেন, তাদের ছাড়া অন্য কেউ টেন্ডার জমা দিতে পারবে না।” আরেক প্রতিষ্ঠান অভিযোগ করে, “টেন্ডারের শর্ত অনুযায়ী ৩.৫ মিলিয়ন টন কয়লার সরবরাহের কথা থাকলেও পরে তা বাড়িয়ে ১০.৫ মিলিয়ন টন করা হয়। এই পরিবর্তনও নাজমুল হকের অফিস থেকেই অনুমোদিত।” তাদের দাবি, এমন পরিবর্তনের মাধ্যমে সিপিজিসিবিএলের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রিত ও প্রতিযোগিতাবিরোধী হয়ে পড়েছে।
সময় না বাড়ানোর অজুহাত : ৯ অক্টোবর টেন্ডার খোলার তারিখ নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু সংশোধনী যুক্ত হওয়ার পর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সময় বাড়ানোর অনুরোধ জানায়। তবে এমডি নাজমুল হক ব্যক্তিগতভাবে সময় না বাড়ানোর নির্দেশ দেন— এমন অভিযোগও উঠে এসেছে।
তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, “নতুন কন্ট্রাক্টে আমাদের যেতেই হবে। সময় বাড়ালে বোর্ড অনুমোদন নিতে হবে।”
কোম্পানির একাধিক কর্মকর্তা জানান, সময় না বাড়ানোর এই সিদ্ধান্তে কোনো প্রশাসনিক বাধ্যবাধকতা ছিল না, বরং এটি ছিল নির্দিষ্ট ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়ার কৌশল।
বিদ্যুৎ খাতের একজন সাবেক অতিরিক্ত সচিব বলেন, “টেন্ডার প্রকাশের পর যোগ্যতার শর্ত পরিবর্তন করা ইউরোপীয় আদালতের মানদণ্ডে ‘স্বচ্ছতা ও সমতার পরিপন্থী’। নাজমুল হকের নেতৃত্বে যে সংশোধনী আনা হয়েছে, তা আন্তর্জাতিক টেন্ডারের ন্যায্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।”
অন্যদিকে জ্বালানি খাতের বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নাজমুল হকের এই পদক্ষেপ মাতারবাড়ী প্রকল্পে নতুন সিন্ডিকেটের জন্ম দিয়েছে, যা পূর্বের রামপাল ও পটুয়াখালী প্রকল্পের অনিয়মের ধারাবাহিকতা।
অতীতেও অনিয়মের নজির : ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মাতারবাড়ী প্রকল্পের কয়লা চালানে পাথর মিশে যাওয়ার ঘটনা, সরবরাহকারীর শর্তে পণ্য খালাস ইত্যাদি অনিয়মের অভিযোগও ওঠে। সেই সময়ও তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। বিদ্যুৎ খাতের অনেকেই বলছেন, এবারও যদি তদন্ত হয়, নাজমুল হকের ভূমিকা খতিয়ে দেখা জরুরি।
নাজমুল হকের প্রভাব ও বোর্ডের নীরবতা : সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের একটি প্রভাবশালী মহল নাজমুল হককে সমর্থন দিচ্ছে। তাঁদের প্রভাবেই সিপিজিসিবিএল বোর্ড টেন্ডারের পরিবর্তন অনুমোদন দিয়েছে।
একজন বিদ্যুৎ কর্মকর্তা বলেন, “নাজমুল হক বোর্ডের মাধ্যমে নিজের সুবিধার মতো সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। তার নির্দেশেই অনেক সংশোধনী যুক্ত হয়েছে।”
ভবিষ্যৎ ঝুঁকি : জাইকার অর্থায়নে পরিচালিত এই প্রকল্পে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন,
“এভাবে এমডি পর্যায়ের স্বার্থসংঘাত অব্যাহত থাকলে আন্তর্জাতিক অংশীদাররা ভবিষ্যতে অর্থায়ন পুনর্বিবেচনা করতে পারে।”
মাতারবাড়ী ২*৬০০ মেগাওয়াট আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের অন্যতম কৌশলগত প্রকল্প। এখানে স্বচ্ছতা, প্রতিযোগিতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে পুরো বিদ্যুৎখাতই বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে।
অংশগ্রহণকারীরা তাই দাবি করেছেন, সিপিজিসিবিএলের টেন্ডার প্রক্রিয়া ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হকের ভূমিকা নিয়ে অবিলম্বে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হোক।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে ১০ বছরেও শুরু হয়নি ৫০০ শয্যার হাসপাতাল ভবনের নির্মাণকাজ

মাতারবাড়ীতেও সিন্ডিকেটের ছায়া

সিপিজিসিবিএলের টেন্ডারে এমডি নাজমুল হকের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৩:৩৫:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫

মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা সরবরাহের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও সিন্ডিকেট প্রভাবের অভিযোগ উঠেছে। কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিপিজিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. নাজমুল হকের নির্দেশ ও প্রভাবে টেন্ডারের শর্ত বারবার পরিবর্তন করে একটি নির্দিষ্ট কোম্পানিকে সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছে অংশগ্রহণকারী কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।
রহস্যজনক সংশোধনী ও পক্ষপাতের অভিযোগ : জুলাই মাসে সিপিজিসিবিএল আন্তর্জাতিক টেন্ডার আহ্বান করে ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা আমদানির জন্য। প্রথমে টেন্ডারের শর্ত ছিল উন্মুক্ত ও অংশগ্রহণমূলক। কিন্তু এমডি নাজমুল হকের নেতৃত্বে বোর্ড মিটিংয়ের পরপরই টেন্ডারের গুরুত্বপূর্ণ ধারা সংশোধন করা হয়।
বিশেষ করে “ইনভাইটেশন টু বিডার (আইটিবি)” ডকুমেন্টের ক্লজ ৫.৩ পরিবর্তন করে লিড পার্টনারের আর্থিক যোগ্যতার মানদণ্ড কঠোর করা হয়। টেকনিক্যাল ক্রাইটেরিয়াতেও এমন শর্ত যোগ করা হয়, যা দেশের মাত্র দু-একটি কোম্পানি ছাড়া অন্য কারও পক্ষে পূরণ করা সম্ভব নয়।
অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি, এই পরিবর্তনগুলো নাজমুল হকের প্রত্যক্ষ নির্দেশে করা হয়েছে, যাতে পূর্বনির্ধারিত একটি জাহাজ পরিবহন কোম্পানি টেন্ডারে বিজয়ী হতে পারে।
যোগ্য প্রতিষ্ঠান বঞ্চিত, সিন্ডিকেটের লাভ : টেন্ডার শিডিউল ক্রয় করা একাধিক প্রতিষ্ঠান জানায়, ৬ লাখ টাকা জমা দিয়ে তারা টেন্ডারে অংশ নিতে প্রস্তুতি নিলেও হঠাৎ করা সংশোধনী তাদের অযোগ্য করে দেয়। এক প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মকর্তা বলেন, “এমনভাবে শর্ত পাল্টানো হয়েছে যে, নাজমুল হক যেই প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কাজ করছেন, তাদের ছাড়া অন্য কেউ টেন্ডার জমা দিতে পারবে না।” আরেক প্রতিষ্ঠান অভিযোগ করে, “টেন্ডারের শর্ত অনুযায়ী ৩.৫ মিলিয়ন টন কয়লার সরবরাহের কথা থাকলেও পরে তা বাড়িয়ে ১০.৫ মিলিয়ন টন করা হয়। এই পরিবর্তনও নাজমুল হকের অফিস থেকেই অনুমোদিত।” তাদের দাবি, এমন পরিবর্তনের মাধ্যমে সিপিজিসিবিএলের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রিত ও প্রতিযোগিতাবিরোধী হয়ে পড়েছে।
সময় না বাড়ানোর অজুহাত : ৯ অক্টোবর টেন্ডার খোলার তারিখ নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু সংশোধনী যুক্ত হওয়ার পর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সময় বাড়ানোর অনুরোধ জানায়। তবে এমডি নাজমুল হক ব্যক্তিগতভাবে সময় না বাড়ানোর নির্দেশ দেন— এমন অভিযোগও উঠে এসেছে।
তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, “নতুন কন্ট্রাক্টে আমাদের যেতেই হবে। সময় বাড়ালে বোর্ড অনুমোদন নিতে হবে।”
কোম্পানির একাধিক কর্মকর্তা জানান, সময় না বাড়ানোর এই সিদ্ধান্তে কোনো প্রশাসনিক বাধ্যবাধকতা ছিল না, বরং এটি ছিল নির্দিষ্ট ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়ার কৌশল।
বিদ্যুৎ খাতের একজন সাবেক অতিরিক্ত সচিব বলেন, “টেন্ডার প্রকাশের পর যোগ্যতার শর্ত পরিবর্তন করা ইউরোপীয় আদালতের মানদণ্ডে ‘স্বচ্ছতা ও সমতার পরিপন্থী’। নাজমুল হকের নেতৃত্বে যে সংশোধনী আনা হয়েছে, তা আন্তর্জাতিক টেন্ডারের ন্যায্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।”
অন্যদিকে জ্বালানি খাতের বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নাজমুল হকের এই পদক্ষেপ মাতারবাড়ী প্রকল্পে নতুন সিন্ডিকেটের জন্ম দিয়েছে, যা পূর্বের রামপাল ও পটুয়াখালী প্রকল্পের অনিয়মের ধারাবাহিকতা।
অতীতেও অনিয়মের নজির : ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মাতারবাড়ী প্রকল্পের কয়লা চালানে পাথর মিশে যাওয়ার ঘটনা, সরবরাহকারীর শর্তে পণ্য খালাস ইত্যাদি অনিয়মের অভিযোগও ওঠে। সেই সময়ও তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। বিদ্যুৎ খাতের অনেকেই বলছেন, এবারও যদি তদন্ত হয়, নাজমুল হকের ভূমিকা খতিয়ে দেখা জরুরি।
নাজমুল হকের প্রভাব ও বোর্ডের নীরবতা : সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের একটি প্রভাবশালী মহল নাজমুল হককে সমর্থন দিচ্ছে। তাঁদের প্রভাবেই সিপিজিসিবিএল বোর্ড টেন্ডারের পরিবর্তন অনুমোদন দিয়েছে।
একজন বিদ্যুৎ কর্মকর্তা বলেন, “নাজমুল হক বোর্ডের মাধ্যমে নিজের সুবিধার মতো সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। তার নির্দেশেই অনেক সংশোধনী যুক্ত হয়েছে।”
ভবিষ্যৎ ঝুঁকি : জাইকার অর্থায়নে পরিচালিত এই প্রকল্পে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন,
“এভাবে এমডি পর্যায়ের স্বার্থসংঘাত অব্যাহত থাকলে আন্তর্জাতিক অংশীদাররা ভবিষ্যতে অর্থায়ন পুনর্বিবেচনা করতে পারে।”
মাতারবাড়ী ২*৬০০ মেগাওয়াট আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের অন্যতম কৌশলগত প্রকল্প। এখানে স্বচ্ছতা, প্রতিযোগিতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে পুরো বিদ্যুৎখাতই বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে।
অংশগ্রহণকারীরা তাই দাবি করেছেন, সিপিজিসিবিএলের টেন্ডার প্রক্রিয়া ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হকের ভূমিকা নিয়ে অবিলম্বে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হোক।