দেশের বৃহত্তম ধর্মীয়-সংখ্যালঘু হওয়া সত্ত্বেও, ভারতের মুসলিম সম্প্রদায়গুলো প্রায়শই হিন্দু-জাতীয়তাবাদীদের দ্বারা সহিংস আক্রমণ ও হামলার শিকার হয়েছে। বরাবরের মতো এবারও ঘটে চলেছে একই ঘটনা।
বেশ কয়েকদিন যাবত সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতে বেশ কয়েকটি ভিডিও ফুটেজে তারই সদৃশ্যতা ফুটে উঠেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে রাস্তায় হেটে যাওয়া মুসলিম নারিদের উপরে হিন্দুরা কিছু একটা ছুড়ে মারছে এবং নানাভাবে উত্যক্ত করছে, রোজা রেখে যখন মুসল্লিরা মসজিদে নামাজ পড়ছে তখন একদল হিন্দুরা তাদেরকে লক্ষ্য করে মসজিদের সামনে উচ্চস্বরে গান বাজাচ্ছে এ আনন্দ করছে। আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায় সেলিম নামের এক ব্যাক্তিকে তার নিজ বাড়িতে গিয়ে পিটিয়ে হত্যা করছে। অন্য আরেকটি ভিড়িওতে দেখা যাচ্ছে গরুর মাংস বিক্রি করার অপরাধে মুসলমানদের ঘর বাড়ি ভেঙ্গে ফেলেছে গুজরাটের উগ্র হিন্দু প্রশাসন। এরকম বেশ কয়েকটি ভিড়িও ঘুড়ে বেড়াচ্ছে ফেসবুকে।
অতীতে, এই আক্রমণগুলো সাম্প্রদায়িক সহিংসতা হিসেবে বিবেচিত ছিল এবং হিন্দু ও মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে সাম্প্রদায়িক দ্বন্দ্ব হিসাবে চিহ্নিত হয়েছিল। তবে, বাবরি মসজিদ ভেঙে দেওয়ার পরে হিন্দু-জাতীয়তাবাদের উত্থানের সাথে সাথে আক্রমণগুলো আরও নিয়মতান্ত্রিক হয়ে উঠেছে এবং রাষ্ট্র-অনুমোদিত কার্যক্রমের আকার নিয়েছে। ১৯৫০ সাল থেকে শুরু হওয়ার পর ১৯৫৪ সাল থেকে ১৯৮২ সালের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনাবলীতে হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় প্রায় ১০০০০ মুসলিম নিহত হয়।