ঢাকা ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাংবাদিকরা সমাজের দর্পন -ভিসি ড.এস.এম হেমায়েত জাহান যে কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অ্যাওয়ে জার্সি পরতে বাধ্য হচ্ছে আর্জেন্টিনা চট্টগ্রাম ছাড়া অন্য সব বোর্ডে চলবে এইচএসসি পরীক্ষা : আন্তঃশিক্ষা বোর্ড ব্রুনাই শ্রমবাজারে হাইকমিশনার নওরিন আহসানকে ঘিরে বিতর্ক জুলাইয়ের ১২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৩২ কোটি ডলার শাড়ি নিয়ে প্রতারণার মামলায় তানজিন তিশাকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ বিয়েবাড়িতে খাসির বদলে মুরগির মাংস দেওয়ায় তুমুল মারামারি নেপালে আবার কেন জেন-জি বিক্ষোভ, নেপথ্যে কী? আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ডকে সমর্থন ট্রাম্প প্রশাসনের! রাতারাতি বড় কোন পরিবর্তন করা সম্ভব নয়: আইএমএফকে অর্থমন্ত্রী

গোপালগঞ্জের গিমাডাঙ্গা-টুঙ্গিপাড়া খালের ফিরছে প্রাণ

গোপালগঞ্জের গিমাডাঙ্গা-টুঙ্গিপাড়া খালে জমে থাকা কচুরিপানা ও আবর্জনা পরিষ্কার করছেন শ্রমিকরা।
চার বছর ধরে কচুরিপানা ও আবর্জনা পরিপূর্ণ গোপালগঞ্জের ছিল গিমাডাঙ্গা-টুঙ্গিপাড়া খাল। এতে খালের পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে যায়। এতে খালপাড়ের আশপাশে থাকা অন্তত ১০টি মসজিদের মুসল্লিদের ওজু করতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল। সাধারণ মানুষ ও মুসল্লিদের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে রবিবার (২ মার্চ) খালের দুই কিলোমিটার এলাকার কচুরিপানা ও আবর্জনা পরিষ্কার করেছে টুঙ্গিপাড়া পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। এতে প্রাণ ফিরে পেয়েছে খালটি।

গিমাডাঙ্গা-টুঙ্গিপাড়া খালটির সঙ্গে বাঘিয়ার নদীর সংযোগ রয়েছে। নদী থেকে কচুরিপানা ও আবর্জনা খালে ঢুকে খালের পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। এতে খালের পানি ব্যবহারের অনুপোযোগী হয়ে পড়ে। পানি নষ্ট হওয়ায় আশপাশের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরাও খালের পানি দিয়ে অজু করতে পারতেন না। এ ছাড়া গোসল করতে পারতেন না খালপাড়ের কয়েক গ্রামের বাসিন্দা।

গিমাডাঙ্গা গ্রামের লিটু শেখ বলেন, ‘খালপাড়ের আশপাশে প্রায় ১০টি মসজিদ রয়েছে। কিন্তু খাল ব্যবহারের অনুপযোগী থাকায় মুসল্লিরা অজু করতে পারতেন না। তাই আমরা কয়েকজন পৌর প্রশাসকের কাছে মৌখিকভাবে জানাই। তিনি তখন প্রথম রোজার মধ্যে খাল পরিষ্কারের প্রতিশ্রুতি দেন। প্রথম রোজার মধ্যে খাল পরিষ্কার করায় পানিপ্রবাহ শুরু হয়েছে। এখন থেকে আর নামাজের আগে অজু করতে কষ্ট হবে না।’

টুঙ্গিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হিমেল কাজী বলেন, ‘খালের দুই পাশ সুন্দরভাবে বাঁধাই করা থাকলেও খালের পানি কেউই ব্যবহার করতে পারতেন না। কচুরিপানা ও আবর্জনা খালটির সৌন্দর্য নষ্ট করে দিয়েছিল। এখন পরিষ্কার করায় খালটি যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে। খালপাড়ের বাসিন্দারা ধোঁয়ার কাজের পাশাপাশি গোসল ও অজু করতে পারবেন।’

টুঙ্গিপাড়া পৌর প্রশাসক মঈনুল হক বলেন, ‘গিমাডাঙ্গা-টুঙ্গিপাড়া খালটি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহারের অনুপযোগী ছিল। দুই কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের খালটি নিয়ে দুর্ভোগের কথা স্থানীয় মুসল্লিদের মাধ্যমে জানতে পেরে খালটি পরিষ্কারের উদ্যোগ নেই। এখন কচুরিপানা ও আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়েছে। ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা খালটির পানি নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহার করতে পারছেন।’

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিকরা সমাজের দর্পন -ভিসি ড.এস.এম হেমায়েত জাহান

গোপালগঞ্জের গিমাডাঙ্গা-টুঙ্গিপাড়া খালের ফিরছে প্রাণ

আপডেট সময় ১১:৫৩:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫

গোপালগঞ্জের গিমাডাঙ্গা-টুঙ্গিপাড়া খালে জমে থাকা কচুরিপানা ও আবর্জনা পরিষ্কার করছেন শ্রমিকরা।
চার বছর ধরে কচুরিপানা ও আবর্জনা পরিপূর্ণ গোপালগঞ্জের ছিল গিমাডাঙ্গা-টুঙ্গিপাড়া খাল। এতে খালের পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে যায়। এতে খালপাড়ের আশপাশে থাকা অন্তত ১০টি মসজিদের মুসল্লিদের ওজু করতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল। সাধারণ মানুষ ও মুসল্লিদের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে রবিবার (২ মার্চ) খালের দুই কিলোমিটার এলাকার কচুরিপানা ও আবর্জনা পরিষ্কার করেছে টুঙ্গিপাড়া পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। এতে প্রাণ ফিরে পেয়েছে খালটি।

গিমাডাঙ্গা-টুঙ্গিপাড়া খালটির সঙ্গে বাঘিয়ার নদীর সংযোগ রয়েছে। নদী থেকে কচুরিপানা ও আবর্জনা খালে ঢুকে খালের পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। এতে খালের পানি ব্যবহারের অনুপোযোগী হয়ে পড়ে। পানি নষ্ট হওয়ায় আশপাশের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরাও খালের পানি দিয়ে অজু করতে পারতেন না। এ ছাড়া গোসল করতে পারতেন না খালপাড়ের কয়েক গ্রামের বাসিন্দা।

গিমাডাঙ্গা গ্রামের লিটু শেখ বলেন, ‘খালপাড়ের আশপাশে প্রায় ১০টি মসজিদ রয়েছে। কিন্তু খাল ব্যবহারের অনুপযোগী থাকায় মুসল্লিরা অজু করতে পারতেন না। তাই আমরা কয়েকজন পৌর প্রশাসকের কাছে মৌখিকভাবে জানাই। তিনি তখন প্রথম রোজার মধ্যে খাল পরিষ্কারের প্রতিশ্রুতি দেন। প্রথম রোজার মধ্যে খাল পরিষ্কার করায় পানিপ্রবাহ শুরু হয়েছে। এখন থেকে আর নামাজের আগে অজু করতে কষ্ট হবে না।’

টুঙ্গিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হিমেল কাজী বলেন, ‘খালের দুই পাশ সুন্দরভাবে বাঁধাই করা থাকলেও খালের পানি কেউই ব্যবহার করতে পারতেন না। কচুরিপানা ও আবর্জনা খালটির সৌন্দর্য নষ্ট করে দিয়েছিল। এখন পরিষ্কার করায় খালটি যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে। খালপাড়ের বাসিন্দারা ধোঁয়ার কাজের পাশাপাশি গোসল ও অজু করতে পারবেন।’

টুঙ্গিপাড়া পৌর প্রশাসক মঈনুল হক বলেন, ‘গিমাডাঙ্গা-টুঙ্গিপাড়া খালটি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহারের অনুপযোগী ছিল। দুই কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের খালটি নিয়ে দুর্ভোগের কথা স্থানীয় মুসল্লিদের মাধ্যমে জানতে পেরে খালটি পরিষ্কারের উদ্যোগ নেই। এখন কচুরিপানা ও আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়েছে। ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা খালটির পানি নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহার করতে পারছেন।’