ঢাকা ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিখোঁজের একদিন পর পায়রা নদীতে মিলল জুঁইয়ের মরদেহ আমিরাতে বাংলাদেশিদের ভিসা বাতিলের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে সরকার: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী শেখ মুজিবকে নিয়ে পোস্ট দেওয়ায় কলেজ শিক্ষক বরখাস্ত মাদক ব্যবসার অভিযোগে দারাজের বিরুদ্ধে মামলা নারকোটিক্সের সার্কে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে চায় বাংলাদেশ মামলা প্রত্যাহার না করলে মিলবে না নীতি সহায়তা জ্বালানি সংকট দূর করতে নেওয়া হচ্ছে তিন পরিকল্পনা: সেতুমন্ত্রী এসএসসি-এইচএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নে আসছে নতুন নীতিমালা বড়পুকুরিয়ায় কয়লাখনির ১৬৮ শ্রমিককে পুনর্বহালের দাবিতে লাগাতার আন্দোলন সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

টানা বৃষ্টিতে বগুড়ার সবজির বাজারে ক্রেতা সংকট, বিপাকে কৃষক-ব্যবসায়ীরা

কয়েক দিনের টানা বর্ষণে বগুড়ার কাঁচাবাজারগুলোতে দেখা দিয়েছে ক্রেতার সংকট। রাস্তাঘাট জলমগ্ন থাকায় অনেকেই বাজারে যেতে পারছেন না। ফলে সবজির বেচাকেনা কমে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষক, পাইকার ও খুচরা বিক্রেতারা।

অন্যদিকে, টানা বৃষ্টির কারণে কৃষকরাও মাঠ থেকে সবজি সংগ্রহ করে বাজারে আনতে পারছেন না। এতে জেলায় সবজির সরবরাহও ব্যাহত হচ্ছে।

শহরের রাজাবাজার, ফতেহ আলী বাজার, কলোনি বাজার ও খান্দার বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতার উপস্থিতি অন্য সময়ের তুলনায় অনেক কম। বিক্রি কমে যাওয়ায় উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষকরা। একই সঙ্গে লোকসানের শঙ্কায় রয়েছেন ব্যবসায়ীরাও।

বর্তমানে বগুড়ার বাজারে বইকচু ও বেগুন ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজি ২০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। পটল প্রতি কেজি ২০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ থেকে ৪০ টাকা, কাঁকরোল ৪০ টাকা, পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং কাঁচামরিচ ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া রসুন ৮০ টাকা ও আদা ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

কৃষকদের অভিযোগ, উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারে সবজির দাম কম থাকায় তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। বৃষ্টির কারণে ক্রেতা কম থাকায় বিক্রেতারাও পণ্য বিক্রি করতে হিমশিম খাচ্ছেন।

বাজারে আসা কয়েকজন ক্রেতা বলেন, ক্রেতা কম থাকায় সবজির দাম তুলনামূলক কম রয়েছে। তবে এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষকরা। অনেক পরিশ্রম করে উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় তারা লোকসানের মুখে পড়েছেন।

সবজি বিক্রেতারা জানান, আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে বাজারে ক্রেতা বাড়বে এবং বেচাকেনাও স্বাভাবিক হবে। বগুড়ার জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান বলেন, যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে। একই সঙ্গে নিত্যপণ্যের বাজার স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিখোঁজের একদিন পর পায়রা নদীতে মিলল জুঁইয়ের মরদেহ

টানা বৃষ্টিতে বগুড়ার সবজির বাজারে ক্রেতা সংকট, বিপাকে কৃষক-ব্যবসায়ীরা

আপডেট সময় ০৫:৪৬:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

কয়েক দিনের টানা বর্ষণে বগুড়ার কাঁচাবাজারগুলোতে দেখা দিয়েছে ক্রেতার সংকট। রাস্তাঘাট জলমগ্ন থাকায় অনেকেই বাজারে যেতে পারছেন না। ফলে সবজির বেচাকেনা কমে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষক, পাইকার ও খুচরা বিক্রেতারা।

অন্যদিকে, টানা বৃষ্টির কারণে কৃষকরাও মাঠ থেকে সবজি সংগ্রহ করে বাজারে আনতে পারছেন না। এতে জেলায় সবজির সরবরাহও ব্যাহত হচ্ছে।

শহরের রাজাবাজার, ফতেহ আলী বাজার, কলোনি বাজার ও খান্দার বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতার উপস্থিতি অন্য সময়ের তুলনায় অনেক কম। বিক্রি কমে যাওয়ায় উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষকরা। একই সঙ্গে লোকসানের শঙ্কায় রয়েছেন ব্যবসায়ীরাও।

বর্তমানে বগুড়ার বাজারে বইকচু ও বেগুন ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজি ২০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। পটল প্রতি কেজি ২০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ থেকে ৪০ টাকা, কাঁকরোল ৪০ টাকা, পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং কাঁচামরিচ ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া রসুন ৮০ টাকা ও আদা ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

কৃষকদের অভিযোগ, উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারে সবজির দাম কম থাকায় তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। বৃষ্টির কারণে ক্রেতা কম থাকায় বিক্রেতারাও পণ্য বিক্রি করতে হিমশিম খাচ্ছেন।

বাজারে আসা কয়েকজন ক্রেতা বলেন, ক্রেতা কম থাকায় সবজির দাম তুলনামূলক কম রয়েছে। তবে এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষকরা। অনেক পরিশ্রম করে উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় তারা লোকসানের মুখে পড়েছেন।

সবজি বিক্রেতারা জানান, আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে বাজারে ক্রেতা বাড়বে এবং বেচাকেনাও স্বাভাবিক হবে। বগুড়ার জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান বলেন, যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে। একই সঙ্গে নিত্যপণ্যের বাজার স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে।