ঢাকা ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাংবাদিকরা সমাজের দর্পন -ভিসি ড.এস.এম হেমায়েত জাহান যে কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অ্যাওয়ে জার্সি পরতে বাধ্য হচ্ছে আর্জেন্টিনা চট্টগ্রাম ছাড়া অন্য সব বোর্ডে চলবে এইচএসসি পরীক্ষা : আন্তঃশিক্ষা বোর্ড ব্রুনাই শ্রমবাজারে হাইকমিশনার নওরিন আহসানকে ঘিরে বিতর্ক জুলাইয়ের ১২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৩২ কোটি ডলার শাড়ি নিয়ে প্রতারণার মামলায় তানজিন তিশাকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ বিয়েবাড়িতে খাসির বদলে মুরগির মাংস দেওয়ায় তুমুল মারামারি নেপালে আবার কেন জেন-জি বিক্ষোভ, নেপথ্যে কী? আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ডকে সমর্থন ট্রাম্প প্রশাসনের! রাতারাতি বড় কোন পরিবর্তন করা সম্ভব নয়: আইএমএফকে অর্থমন্ত্রী

গাজীপুরের পূবাইলে চট্টগ্রাম সমিতি গাজীপুর এর মেজবান ও চট্রলা অনুষ্ঠিত

(২১শে ফেব্রুয়ারি) শুক্রবার গাজীপুরের পুবাইলে হাসনাহেনা পিকনিক স্পটে আয়োজিত মেজবান ও চট্টলা উৎস অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে সকালে বিভিন্ন ইভেন্টে সদস্যদের ছেলে মেয়েরা অংশগ্রহণ করে। এছাড়াও নানা ধরনের খেলাধুলা অনুষ্ঠিত হয়। দুপুরে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবান খাবার পরিবেশন করা হয়। খাবারের পর অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা অনুষ্ঠান।

চট্রগ্রাম সমিতি এর গাজীপুরে সকল সদস্যরা তাদের পরিবারের সদস্য ও ছেলে মেয়েদের কে নিয়ে এই মেজবান ও চট্রলা উৎসব এ অংশগ্রহণ করেন। সমিতির সদস্য ছাড়াও চট্টগ্রামের অধিবাসী সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অনেক কর্মকর্তা ও দেশের অনেক শীর্ষ ব্যবসায়ীরা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত্ব অতিথি হিসেবে অংশ নেন।

মেজবানের প্রতিটি ইভেন্টে সদস্যদের অংশগ্রহণ ছিল উপচে পড়া ভিড়, সমিতির সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অংশগ্রহণ করে।

সমিতির আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় মাননীয় উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন এবং আরও উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণীর বিষয়ক মন্ত্রণালয় মাননীয় উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

সদস্য ছাড়াও সমাজের বিভিন্ন স্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন। খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ সোহেল সাদাত অতিথিদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং সমিতির উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন বলে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণীর বিষয়ক মন্ত্রণালয় মাননীয় উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন।
চট্টগ্রামের ভাষা একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষা বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেন,আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বলতে চাই, চট্টগ্রামের ভাষা একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষা। সমিতির গতানুগতিক কার্যক্রমের বাহিরেও বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে ভবিষ্যতে অবদান রাখবেন এবং স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও বাসস্থানের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন।

দেশের অন্যান্য জায়গার মত গাজীপুরে চট্টগ্রামের মানুষ বিভিন্ন স্বনামধন্য ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হয়ে দেশের অর্থনীতিতে বিরাট ভূমিকা রেখে যাচ্ছে।’

উপদেষ্টা ফরিদা আখতার আরও বলেন, ‘বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে অনেকেই শহীদ হয়েছেন। তবে চব্বিশে যারা প্রাণ দিয়েছেন তাদের বেশির ভাগই তরুণ। বাংলাদেশের জনগণের যখন নিশ্বাস বন্ধ হওয়ার মত অবস্থা, কোনো কিছু করতে পারছিল না ঠিক সে সময়ই তরুণরা আমাদের পরিত্রাণ দিয়েছে, করেছি মুক্ত।’

চট্টগ্রামের ভাষা রক্ষার আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, ‘চট্টগ্রামের জনগণ যে ভাষায় কথা বলেন, তার মধ্যে ইংরেজি, আরবি, পর্তুগিজ, আরাকানিজ ভাষার সংমিশ্রণ দেখা যায়। মাতৃভাষা দিবসে বলতে চাই, চট্টগ্রামের ভাষা একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষা। দেশের অন্য জায়গার মতো গাজীপুরে চট্টগ্রামের মানুষ বিভিন্ন স্বনামধন্য ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হয়ে দেশের অর্থনীতিতে বিরাট ভূমিকা রেখে যাচ্ছে।’

উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘চট্টগ্রামের সমস্যা বলি আর গর্ব বলি, তারা মেজবান ছাড়া কিছু বোঝে না। মহেশখালীর পান বিশেষ গুণসম্পন্ন এবং জিআই পণ্য। এখানকার পানের যে গুণ আছে, দেশের অন্য কোনো পানে সে ধরনের গুণ নাই। মহেশখালীর পান আমাদের সম্পদ আর তা রক্ষায় আমাদের এগিয়ে আসতে হবে।’

উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, সমিতির আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় মাননীয় উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন এবং আরও উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণীবিষয়ক মন্ত্রণালয় এর মাননীয় উপদেষ্টা জনাব ফরিদা আখতার।উপস্থিত ছিলেন সমিতির উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল আলম ঝিনুক,ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এ এম মাহমুদুর রহমান, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক সভাপতি হেলাল উদ্দিন আহমেদ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য শাহাদাত হোসেন সোহেল এবং সাধারণ সম্পাদক ড. দেবজিৎ রায়,সহ-সভাপতি সরোয়ার জামান, অনুপম দে রাজু, সহ-সাধারণ সম্পাদক-১ মোঃ শাহজাহান, সাধারণ সম্পাদক-২ আহমদ হোসেন, অর্থ সম্পাদক মো শাহনেওয়াজ তানভীর, শিক্ষা ও পাঠাগার সম্পাদক নাজিম হোসেন, প্রচার সম্পাদক আবু তাহের, সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল, ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ শাহনেওয়াজ, সাংস্কৃতিক সম্পাদকঃব্রিটেন চৌধুরী, সাহিত্য ও সেমিনার সম্পাদক মোস্তফা ইকবাল চৌধুরী মুকুল, দপ্তর সম্পাদকঃ ইউসুফ আলী, স্বাস্থ্য ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদকঃ মোঃ হুমায়ুনুর রশিদ মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদকঃ কামরুন নাহার তানজিনা, নির্বাহী সদস্যঃ মন্জুরুল আলম,আরাফাত সাগর, রেজাউল করিম, আজিমুল হক, মোঃ ইলিয়াস,একরামুল হক ভূঁইয়া,নিয়াজ খান,পিন্টু দাস,আবুল বাহার, আবু সোলায়মান রানা, সানাউল্লাহ চৌধুরী, সুপ্লব চৌধুরী, আবু তাহের রানা, মোহাম্মদ হানিফ,প্রমুখ।

সদস্য ছাড়াও সমাজের বিভিন্ন স্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন। খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ সোহেল সাদাত অতিথিদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং সমিতির উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন বলে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

তিনি আরো বলেন, সমিতির গতানুগতিক কার্যক্রমের বাহিরেও বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে ভবিষ্যতে অবদান রাখবেন এবং স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও বাসস্থানের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন।

চট্টগ্রামের ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য এ ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন আয়োজকগন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিকরা সমাজের দর্পন -ভিসি ড.এস.এম হেমায়েত জাহান

গাজীপুরের পূবাইলে চট্টগ্রাম সমিতি গাজীপুর এর মেজবান ও চট্রলা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ১১:৫৩:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

(২১শে ফেব্রুয়ারি) শুক্রবার গাজীপুরের পুবাইলে হাসনাহেনা পিকনিক স্পটে আয়োজিত মেজবান ও চট্টলা উৎস অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে সকালে বিভিন্ন ইভেন্টে সদস্যদের ছেলে মেয়েরা অংশগ্রহণ করে। এছাড়াও নানা ধরনের খেলাধুলা অনুষ্ঠিত হয়। দুপুরে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবান খাবার পরিবেশন করা হয়। খাবারের পর অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা অনুষ্ঠান।

চট্রগ্রাম সমিতি এর গাজীপুরে সকল সদস্যরা তাদের পরিবারের সদস্য ও ছেলে মেয়েদের কে নিয়ে এই মেজবান ও চট্রলা উৎসব এ অংশগ্রহণ করেন। সমিতির সদস্য ছাড়াও চট্টগ্রামের অধিবাসী সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অনেক কর্মকর্তা ও দেশের অনেক শীর্ষ ব্যবসায়ীরা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত্ব অতিথি হিসেবে অংশ নেন।

মেজবানের প্রতিটি ইভেন্টে সদস্যদের অংশগ্রহণ ছিল উপচে পড়া ভিড়, সমিতির সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অংশগ্রহণ করে।

সমিতির আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় মাননীয় উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন এবং আরও উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণীর বিষয়ক মন্ত্রণালয় মাননীয় উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

সদস্য ছাড়াও সমাজের বিভিন্ন স্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন। খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ সোহেল সাদাত অতিথিদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং সমিতির উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন বলে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণীর বিষয়ক মন্ত্রণালয় মাননীয় উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন।
চট্টগ্রামের ভাষা একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষা বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেন,আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বলতে চাই, চট্টগ্রামের ভাষা একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষা। সমিতির গতানুগতিক কার্যক্রমের বাহিরেও বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে ভবিষ্যতে অবদান রাখবেন এবং স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও বাসস্থানের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন।

দেশের অন্যান্য জায়গার মত গাজীপুরে চট্টগ্রামের মানুষ বিভিন্ন স্বনামধন্য ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হয়ে দেশের অর্থনীতিতে বিরাট ভূমিকা রেখে যাচ্ছে।’

উপদেষ্টা ফরিদা আখতার আরও বলেন, ‘বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে অনেকেই শহীদ হয়েছেন। তবে চব্বিশে যারা প্রাণ দিয়েছেন তাদের বেশির ভাগই তরুণ। বাংলাদেশের জনগণের যখন নিশ্বাস বন্ধ হওয়ার মত অবস্থা, কোনো কিছু করতে পারছিল না ঠিক সে সময়ই তরুণরা আমাদের পরিত্রাণ দিয়েছে, করেছি মুক্ত।’

চট্টগ্রামের ভাষা রক্ষার আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, ‘চট্টগ্রামের জনগণ যে ভাষায় কথা বলেন, তার মধ্যে ইংরেজি, আরবি, পর্তুগিজ, আরাকানিজ ভাষার সংমিশ্রণ দেখা যায়। মাতৃভাষা দিবসে বলতে চাই, চট্টগ্রামের ভাষা একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষা। দেশের অন্য জায়গার মতো গাজীপুরে চট্টগ্রামের মানুষ বিভিন্ন স্বনামধন্য ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হয়ে দেশের অর্থনীতিতে বিরাট ভূমিকা রেখে যাচ্ছে।’

উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘চট্টগ্রামের সমস্যা বলি আর গর্ব বলি, তারা মেজবান ছাড়া কিছু বোঝে না। মহেশখালীর পান বিশেষ গুণসম্পন্ন এবং জিআই পণ্য। এখানকার পানের যে গুণ আছে, দেশের অন্য কোনো পানে সে ধরনের গুণ নাই। মহেশখালীর পান আমাদের সম্পদ আর তা রক্ষায় আমাদের এগিয়ে আসতে হবে।’

উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, সমিতির আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় মাননীয় উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন এবং আরও উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণীবিষয়ক মন্ত্রণালয় এর মাননীয় উপদেষ্টা জনাব ফরিদা আখতার।উপস্থিত ছিলেন সমিতির উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল আলম ঝিনুক,ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এ এম মাহমুদুর রহমান, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক সভাপতি হেলাল উদ্দিন আহমেদ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য শাহাদাত হোসেন সোহেল এবং সাধারণ সম্পাদক ড. দেবজিৎ রায়,সহ-সভাপতি সরোয়ার জামান, অনুপম দে রাজু, সহ-সাধারণ সম্পাদক-১ মোঃ শাহজাহান, সাধারণ সম্পাদক-২ আহমদ হোসেন, অর্থ সম্পাদক মো শাহনেওয়াজ তানভীর, শিক্ষা ও পাঠাগার সম্পাদক নাজিম হোসেন, প্রচার সম্পাদক আবু তাহের, সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল, ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ শাহনেওয়াজ, সাংস্কৃতিক সম্পাদকঃব্রিটেন চৌধুরী, সাহিত্য ও সেমিনার সম্পাদক মোস্তফা ইকবাল চৌধুরী মুকুল, দপ্তর সম্পাদকঃ ইউসুফ আলী, স্বাস্থ্য ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদকঃ মোঃ হুমায়ুনুর রশিদ মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদকঃ কামরুন নাহার তানজিনা, নির্বাহী সদস্যঃ মন্জুরুল আলম,আরাফাত সাগর, রেজাউল করিম, আজিমুল হক, মোঃ ইলিয়াস,একরামুল হক ভূঁইয়া,নিয়াজ খান,পিন্টু দাস,আবুল বাহার, আবু সোলায়মান রানা, সানাউল্লাহ চৌধুরী, সুপ্লব চৌধুরী, আবু তাহের রানা, মোহাম্মদ হানিফ,প্রমুখ।

সদস্য ছাড়াও সমাজের বিভিন্ন স্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন। খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ সোহেল সাদাত অতিথিদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং সমিতির উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন বলে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

তিনি আরো বলেন, সমিতির গতানুগতিক কার্যক্রমের বাহিরেও বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে ভবিষ্যতে অবদান রাখবেন এবং স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও বাসস্থানের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন।

চট্টগ্রামের ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য এ ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন আয়োজকগন।