ঢাকা ০৯:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরগুনার তালতলীতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে সেলাই মেশিন, শিক্ষাবৃত্তি ও বাইসাইকেল বিতরণ ভারতীয় ট্রাকচালক অপহরণ ও ছিনতাই মামলা লালমনিরহাটে ৩ জনের যাবজ্জীবন বাঞ্ছারামপুরে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সেবা মাস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত আলিম পরীক্ষায় নকল: শিক্ষক কারাদণ্ড, ৫ শিক্ষার্থী বহিষ্কার ৫ আগ্নেয়াস্ত্রসহ রাজবাড়ীতে ৫ অস্ত্রধারী গ্রেফতার: র‌্যাব-১০ এর সফল অভিযান পীরগঞ্জে পুকুর থেকে বস্তাবন্দী না’রীর গ’লি’ত ম’র’দে’হ উদ্ধার নারী পাচারের অভিযোগে দুদকের নজরদারিতে ৫৭ রিক্রুটিং এজেন্সি নরসিংদী শিক্ষা প্রকৌশলী রাসেল আহমেদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পবিপ্রবির নতুন ট্রেজারার হলেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান দুই দফা সময় বাড়িয়েও শেষ হয়নি হাসনাবাদ সেতুর নির্মাণকাজ, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

বছরে নষ্ট হচ্ছে ৪৫ কোটি টাকার আম

রংপুরে সঠিকভাবে আম সংরক্ষণ করতে না পারায় প্রতিবছর আমের ২৫ থেকে ২৭ শতাংশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, যার বাজারমূল্য ৪৫ কোটি টাকার বেশি। এছাড়া কাঁঠাল ৪০ থেকে ৪৩ শতাংশ, কলা ২০ থেকে ২৪ শতাংশ, লিচু ২০ থেকে ২৪ শতাংশ, আনারস ৪০ থেকে ৪৩ শতাংশ ও পেঁপে ২৫ থেকে ৩৯ শতাংশ সঠিকভাবে সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয় প্রতিবছর। দীর্ঘদিন থেকে রংপুরে একটি ফল সংরক্ষণাগার স্থাপনের দাবি উঠলেও বিষয়টি আমলে নেয়নি সরকার। এতে চাষি ও ব্যবসায়ীরা লোকসানে পড়ছেন। তাই দ্রুত রংপুর ও মিঠাপুকুরে বিশেষায়িত হিমাগার স্থাপনের দাবি করেছেন তারা।

তবে সম্প্রতি কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ জানান, মিঠাপুকুরে আম ও সবজি সংরক্ষণের জন্য বিশেষায়িত হিমাগার করা হবে। তাই আশার আলো দেখছেন স্থানীয়রা। সেইসঙ্গে ন্যায্যমূল্যও পাবেন বলে তারা আশাবাদী।

স্থানীয় চাষি ও ব্যবসায়ীরা জানান, রংপুরে সঠিকভাবে সংরক্ষণের অভাবে এবং বিভিন্নভাবে অপচয়ের কারণে প্রতিবছর আমসহ বিভিন্ন ধরনের ফল নষ্ট হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রংপুরের উপপরিচালক রিয়াজ উদ্দিন বলেন, মৌসুমের সময় দেশের অনেক ফল ও সবজি সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়। অধিক উৎপাদনের কারণে কৃষকরা অনেক সময় ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হন। এছাড়া কৃষকরা সংরক্ষণের সঠিক পদ্ধতি না জানার কারণে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

চলতি বছরে রংপুর জেলায় আমের উৎপাদন আশা করা হচ্ছে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন। আড়াইশ কোটি টাকার বেশি আম বিক্রির আশা করছেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরগুনার তালতলীতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে সেলাই মেশিন, শিক্ষাবৃত্তি ও বাইসাইকেল বিতরণ

বছরে নষ্ট হচ্ছে ৪৫ কোটি টাকার আম

আপডেট সময় ১২:২৮:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০২৪

রংপুরে সঠিকভাবে আম সংরক্ষণ করতে না পারায় প্রতিবছর আমের ২৫ থেকে ২৭ শতাংশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, যার বাজারমূল্য ৪৫ কোটি টাকার বেশি। এছাড়া কাঁঠাল ৪০ থেকে ৪৩ শতাংশ, কলা ২০ থেকে ২৪ শতাংশ, লিচু ২০ থেকে ২৪ শতাংশ, আনারস ৪০ থেকে ৪৩ শতাংশ ও পেঁপে ২৫ থেকে ৩৯ শতাংশ সঠিকভাবে সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয় প্রতিবছর। দীর্ঘদিন থেকে রংপুরে একটি ফল সংরক্ষণাগার স্থাপনের দাবি উঠলেও বিষয়টি আমলে নেয়নি সরকার। এতে চাষি ও ব্যবসায়ীরা লোকসানে পড়ছেন। তাই দ্রুত রংপুর ও মিঠাপুকুরে বিশেষায়িত হিমাগার স্থাপনের দাবি করেছেন তারা।

তবে সম্প্রতি কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ জানান, মিঠাপুকুরে আম ও সবজি সংরক্ষণের জন্য বিশেষায়িত হিমাগার করা হবে। তাই আশার আলো দেখছেন স্থানীয়রা। সেইসঙ্গে ন্যায্যমূল্যও পাবেন বলে তারা আশাবাদী।

স্থানীয় চাষি ও ব্যবসায়ীরা জানান, রংপুরে সঠিকভাবে সংরক্ষণের অভাবে এবং বিভিন্নভাবে অপচয়ের কারণে প্রতিবছর আমসহ বিভিন্ন ধরনের ফল নষ্ট হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রংপুরের উপপরিচালক রিয়াজ উদ্দিন বলেন, মৌসুমের সময় দেশের অনেক ফল ও সবজি সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়। অধিক উৎপাদনের কারণে কৃষকরা অনেক সময় ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হন। এছাড়া কৃষকরা সংরক্ষণের সঠিক পদ্ধতি না জানার কারণে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

চলতি বছরে রংপুর জেলায় আমের উৎপাদন আশা করা হচ্ছে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন। আড়াইশ কোটি টাকার বেশি আম বিক্রির আশা করছেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা।