ঢাকা ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আট গোলের থ্রিলারে জিতল না কেউই

আট গোলের শুরুটা হয়েছিল পেনাল্টি দিয়ে, শেষও হয়েছে একইভাবে। মাঝখানে জয় পেল না কেউই।

অবিশ্বাস্য এই থ্রিলারে শেষ পর্যন্ত ৪-৪ ব্যবধানে ড্র করে ম্যানচেস্টার সিটি ও চেলসি। প্রিমিয়ার লিগ ইতিহাসে অন্যতম সেরা ম্যাচ হয়ে থাকবে এটি। যেখানে কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলেনি।
স্টামফোর্ড ব্রিজে সিটিকে আতিথ্য দেয় চেলসি। যদিও শুরুতে গোল হজম করতে হয়েছে তাদের। ২৫ মিনিটে পেনাল্টি থেকে সিটিকে এগিয়ে দেন আরলিং হালান্ড। কিন্তু সমতায় ফিরতে বেশি সময় নেয়নি চেলসি। চার মিনিট পর দারুণ এক হেডে সেই গোলটি করেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার থিয়াগো সিলভা।

টানটান উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইয়ে ৩৭ মিনিটে এগিয়ে যায় ব্লুজরা। রিস জেমসের ক্রস থেকে ট্যাপ ইন করে ব্যবধান ২-১ করেন সিটিরই সাবেক ফরোয়ার্ড রহিম স্টারলিং। কিন্তু সিটির মতো চেলসিও লিড ধরে রাখতে পারেনি বেশিক্ষণ। বিরতির আগে যোগ করা সময়ে মানুয়েল আকেঞ্জির গোলে ঠিকই সমতা আনে সফরকারীরা।

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধ হয়ে উঠে আরও শ্বাসরুদ্ধকর। ৪৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন হালান্ড। কিন্তু ৬৭ মিনিটে ফর্মে থাকা নিকোলাস জ্যাকসনের গোলে সমতায় ফেরে চেলসি। ব্যবধান হয় ৩-৩। ৮৬ মিনিটে রদ্রির দারুণ গোলে জয়ের নাগালেই ছিল সিটি। কিন্তু যোগ করা সময়ে নিজেদের বিপদ নিজেরাই ডেকে আনে তারা। সদ্য বদলি হিসেবে নামা চেলসি স্ট্রাইকার আরমান্দো ব্রোজাকে ডি বক্সের মধ্যে ফেলে দেন রুবেন দিয়াস। সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পটকিক থেকে ঠান্ডা মাথার গোলে চেলসিকে সমতায় ফেরান কোল পালমার।

অনেক নাটকীয়তার পরও শেষমেষ এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় দুই দলকে। যদিও এক পয়েন্ট কাজেই এসেছে সিটির। ১২ ম্যাচে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে আছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। সমান ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে দশে চেলসি। এদিকে দিনের অপর ম্যাচে ব্রেন্টফোর্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে লিভারপুল। সিটির থেকে এক পয়েন্ট কম নিয়ে দুইয়ে আছে তারা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আট গোলের থ্রিলারে জিতল না কেউই

আপডেট সময় ১২:৩৬:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৩

আট গোলের শুরুটা হয়েছিল পেনাল্টি দিয়ে, শেষও হয়েছে একইভাবে। মাঝখানে জয় পেল না কেউই।

অবিশ্বাস্য এই থ্রিলারে শেষ পর্যন্ত ৪-৪ ব্যবধানে ড্র করে ম্যানচেস্টার সিটি ও চেলসি। প্রিমিয়ার লিগ ইতিহাসে অন্যতম সেরা ম্যাচ হয়ে থাকবে এটি। যেখানে কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলেনি।
স্টামফোর্ড ব্রিজে সিটিকে আতিথ্য দেয় চেলসি। যদিও শুরুতে গোল হজম করতে হয়েছে তাদের। ২৫ মিনিটে পেনাল্টি থেকে সিটিকে এগিয়ে দেন আরলিং হালান্ড। কিন্তু সমতায় ফিরতে বেশি সময় নেয়নি চেলসি। চার মিনিট পর দারুণ এক হেডে সেই গোলটি করেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার থিয়াগো সিলভা।

টানটান উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইয়ে ৩৭ মিনিটে এগিয়ে যায় ব্লুজরা। রিস জেমসের ক্রস থেকে ট্যাপ ইন করে ব্যবধান ২-১ করেন সিটিরই সাবেক ফরোয়ার্ড রহিম স্টারলিং। কিন্তু সিটির মতো চেলসিও লিড ধরে রাখতে পারেনি বেশিক্ষণ। বিরতির আগে যোগ করা সময়ে মানুয়েল আকেঞ্জির গোলে ঠিকই সমতা আনে সফরকারীরা।

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধ হয়ে উঠে আরও শ্বাসরুদ্ধকর। ৪৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন হালান্ড। কিন্তু ৬৭ মিনিটে ফর্মে থাকা নিকোলাস জ্যাকসনের গোলে সমতায় ফেরে চেলসি। ব্যবধান হয় ৩-৩। ৮৬ মিনিটে রদ্রির দারুণ গোলে জয়ের নাগালেই ছিল সিটি। কিন্তু যোগ করা সময়ে নিজেদের বিপদ নিজেরাই ডেকে আনে তারা। সদ্য বদলি হিসেবে নামা চেলসি স্ট্রাইকার আরমান্দো ব্রোজাকে ডি বক্সের মধ্যে ফেলে দেন রুবেন দিয়াস। সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পটকিক থেকে ঠান্ডা মাথার গোলে চেলসিকে সমতায় ফেরান কোল পালমার।

অনেক নাটকীয়তার পরও শেষমেষ এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় দুই দলকে। যদিও এক পয়েন্ট কাজেই এসেছে সিটির। ১২ ম্যাচে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে আছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। সমান ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে দশে চেলসি। এদিকে দিনের অপর ম্যাচে ব্রেন্টফোর্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে লিভারপুল। সিটির থেকে এক পয়েন্ট কম নিয়ে দুইয়ে আছে তারা।