ঢাকা ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’ পাঁচ মাস পর দেশের পথে মির্জা আব্বাস ১৫ দিনের মধ্যে বুড়িগঙ্গার তীর থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের ভোলায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমানকে জেলা পুলিশের ফুলেল শুভেচ্ছা ও গার্ড অব অনার ধামইরহাটে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ বিটিভির লোগো পরিবর্তন নয়; দরকার দায়িত্বশীল গণমাধ্যমে রূপান্তর হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা আজ বিশ্ব নারিকেল দিবস তোর চৌদ্দ গোষ্ঠীকে জেল-হাজতের ভাত খাওয়াব’: কাকে হুমকি দিলেন পলি? ছেলেকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা মেসির মায়ের

আওয়ামী লীগ -বিএনপি সংঘর্ষে রণক্ষেত্র পটুয়াখালী

পটুয়াখালীতে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিএনপির পূর্বনির্ধারিত জনসমাবেশ পণ্ড হয়ে যায়।

শনিবার (২০মে) সকাল ১০ টার দিকে শহরের কলেজ রোড বনানী সড়কে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করতে দেখা যায়। জানা গেছে, শনিবার সকাল ৯ টার পরে শহরের বনানী এলাকায় জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পূর্ননিধারিত জনসভা ও পবিত্র কোরআনের তেলোয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয়। জনসভায় কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মিন্টুর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল। শুক্রবার রাতে তিনিসহ কেন্দ্রীয় বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতা পটুয়াখালী যান। কিন্তু সভাস্থলে কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত হওয়ার আগেই ওই এলাকা দিয়ে ছাএলীগের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে যাওয়ার পথে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। এ থেকেই আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির নেতা কর্মিরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

পটুয়াখালী জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ শরীফ মোঃ সালাউদ্দিন বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমরা মূলদল এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ন কর্মসূচি শুরু করলে ও ছাএলীগ,যুবলীগসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের ৩০ জনের বেশি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং আমাদের অফিস ভাংচুর করা হয়েছে।

পটুয়াখালী সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম বলেন, সকাল থেকেই আমাদের পর্যাপ্ত পুলিশ শহরের বিভিন্ন সড়ক পয়েন্টে মোতায়েন ছিল।

বিএনপির জনসমাবেশ সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত হওয়ার কথা ছিল। বিএনপি সমাবেশ শুরুও করেছিল। কিন্তু বিএনপির কিছু উশৃংখল নেতাকর্মীরা উওেজনা সৃষ্টি করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ তিনটি টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেন, এখানে কিছু বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি হয়েছে। দু- একটি ইট-পাটকেল নিক্ষেপ হয়েছে।

আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। আমাদের জানামতে সেরকম কোন ইনজুরির (আহত) খবর নেই। এবিষয়ে পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আলমগীর হোসেন বলেন, আজ জেলা আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ ছিল। ছাএলীগ নেতাকর্মীরা সেখানে যোগ দেওয়ার পথে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আমাদের সাত থেকে আট জন আহত হয়েছেন বলে জানান।

আমাদের মাতৃভূমি/মাজহারুল

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’

আওয়ামী লীগ -বিএনপি সংঘর্ষে রণক্ষেত্র পটুয়াখালী

আপডেট সময় ১১:৩৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ মে ২০২৩

পটুয়াখালীতে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিএনপির পূর্বনির্ধারিত জনসমাবেশ পণ্ড হয়ে যায়।

শনিবার (২০মে) সকাল ১০ টার দিকে শহরের কলেজ রোড বনানী সড়কে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করতে দেখা যায়। জানা গেছে, শনিবার সকাল ৯ টার পরে শহরের বনানী এলাকায় জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পূর্ননিধারিত জনসভা ও পবিত্র কোরআনের তেলোয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয়। জনসভায় কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মিন্টুর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল। শুক্রবার রাতে তিনিসহ কেন্দ্রীয় বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতা পটুয়াখালী যান। কিন্তু সভাস্থলে কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত হওয়ার আগেই ওই এলাকা দিয়ে ছাএলীগের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে যাওয়ার পথে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। এ থেকেই আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির নেতা কর্মিরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

পটুয়াখালী জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ শরীফ মোঃ সালাউদ্দিন বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমরা মূলদল এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ন কর্মসূচি শুরু করলে ও ছাএলীগ,যুবলীগসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের ৩০ জনের বেশি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং আমাদের অফিস ভাংচুর করা হয়েছে।

পটুয়াখালী সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম বলেন, সকাল থেকেই আমাদের পর্যাপ্ত পুলিশ শহরের বিভিন্ন সড়ক পয়েন্টে মোতায়েন ছিল।

বিএনপির জনসমাবেশ সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত হওয়ার কথা ছিল। বিএনপি সমাবেশ শুরুও করেছিল। কিন্তু বিএনপির কিছু উশৃংখল নেতাকর্মীরা উওেজনা সৃষ্টি করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ তিনটি টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেন, এখানে কিছু বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি হয়েছে। দু- একটি ইট-পাটকেল নিক্ষেপ হয়েছে।

আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। আমাদের জানামতে সেরকম কোন ইনজুরির (আহত) খবর নেই। এবিষয়ে পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আলমগীর হোসেন বলেন, আজ জেলা আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ ছিল। ছাএলীগ নেতাকর্মীরা সেখানে যোগ দেওয়ার পথে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আমাদের সাত থেকে আট জন আহত হয়েছেন বলে জানান।

আমাদের মাতৃভূমি/মাজহারুল