ঢাকা ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মা মারা যাওয়ার পরও মায়ের মুখ দেখতে দেয়নি হাসিনা সরকার : জয়নুল আবদিন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ আজ বুড়িচংয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ও নিষিদ্ধ বালাইনাশক বিক্রি, মোবাইল কোর্টে জরিমানা মিডিয়াকে লাঠির মতো ব্যবহার করে স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠী : রিজভী কুমিল্লায় জাইতুন ও মিয়ামী রেস্টুরেন্টে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান, জরিমানা ৭০ হাজার টাকা ডিএমপির ৫ অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনারকে বদলি ঢাকায় পৌঁছেছেন আইপিইউ সেক্রেটারি জেনারেল অ্যান্ডা ফিলিপ ১৮০ দিনে সরকারের বিরুদ্ধে ৪৬৪টি অপতথ্য প্রচার হয়েছে : জাহেদ উর রহমান কুমিল্লায় আকস্মিক উচ্ছেদ অভিযান, অর্ধশতাধিক ভ্যান-ফুডকার্ট বিনষ্টের অভিযোগ গুম প্রতিরোধে ১৪ দাবিতে স্পিকারের কাছে ১১ দলীয় জোটের স্মারকলিপি

ইসরায়েল সফরে যাচ্ছেন ক্ষমতাচ্যুত ইরানি শাহের ছেলে

দশকের পর দশক ধরে চলছে ইরান ও ইসরায়েলের শত্রুতা। প্রতিদ্বন্দ্বী এই দেশ দু’টি একে অপরের সঙ্গে প্রক্সি যুদ্ধে লিপ্ত। এছাড়া শুরু থেকেই ইরানের বর্তমান শাসক গোষ্ঠীকে নিজেদের জন্য হুমকি হিসেবে দেখে আসছে ইসরায়েল।

আর এই পরিস্থিতিতে ইসরায়েল সফরে যাচ্ছেন ইরানের ক্ষমতাচ্যুত শাহের নির্বাসিত পুত্র। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিলেন ইরানি শাহ। সোমবার (১৭ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবে ক্ষমতাচ্যুত ইরানি শাহের নির্বাসিত পুত্র চলতি সপ্তাহে ইসরায়েল সফর করবেন বলে ইসরায়েলের সরকার রোববার জানিয়েছে। এমনকি ইসরায়েলে এই সফরের জন্য ক্ষমতাচ্যুত ইরানি শাহের নির্বাসিত পুত্রকে ‘সর্বাধিক সিনিয়র ইরানি ব্যক্তিত্ব’ বলেও অভিহিত করেছে ইহুদি ভূখণ্ডটির সরকার।

অবশ্য যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত শাহের অধীনে ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যে একসময় বেশ উষ্ণ ও বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। যদিও ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানের বর্তমান শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতায় আসার পর থেকে উভয় দেশ একে অপরের শত্রু হয়ে উঠেছে।

ইসরায়েল এক বিবৃতিতে বলেছে, ক্ষমতাচ্যুত শাহের নির্বাসিত ছেলে রেজা পাহলভির এই সফরের উদ্দেশ্য ‘ইসরায়েল ও ইরানের জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করা এবং তেহরানের ক্ষমতাসীন আয়াতুল্লাহ সরকারের বিরুদ্ধে যৌথ বিরোধিতা প্রকাশ করা।’

ইসরায়েলি বিবৃতিতে পাহলভির উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ‘ইরান গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত হলে ইসরায়েল এবং আমাদের আরব প্রতিবেশীদের সাথে তেহরানের সম্পর্ক পুনর্নবীকরণ করতে চাইবে। আমার মতে, সেই দিনটি আগের চেয়ে কাছাকাছি।’

আসন্ন এই সফরের সময় পাহলভি ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিক হোলোকাস্ট স্মারক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন বলেও জানানো হয়েছে।

ইসরায়েল ও ইরান কেন একে অপরের শত্রু?

১৯৭৯ সালে ইরানে বিপ্লবের পর সেখানে ধর্মীয় নেতারা ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন। ইরানের সেই সব নেতারা ইসরায়েলকে বর্জন করার আহ্বান জানান। মূলত সেসময় ইসরায়েলের অস্তিত্বকেই অস্বীকার করে ইরান।

ইসরায়েল অবৈধভাবে মুসলমানদের ভূমি দখল করে রেখেছে বলে মনে করে তেহরান।

এদিকে ইসরায়েল তার অস্তিত্বের জন্য ইরানকে হুমকি হিসেবে দেখে থাকে। ইসরায়েল সব সময় বলে এসেছে, ইরানের অবশ্যই পরমাণু অস্ত্র থাকা উচিত হবে না। এর পাশাপাশি ইসরায়েলের নেতারা মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের যে বিস্তৃতি সেটা দেখেও উদ্বিগ্ন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মা মারা যাওয়ার পরও মায়ের মুখ দেখতে দেয়নি হাসিনা সরকার : জয়নুল আবদিন

ইসরায়েল সফরে যাচ্ছেন ক্ষমতাচ্যুত ইরানি শাহের ছেলে

আপডেট সময় ১১:৫৬:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৩

দশকের পর দশক ধরে চলছে ইরান ও ইসরায়েলের শত্রুতা। প্রতিদ্বন্দ্বী এই দেশ দু’টি একে অপরের সঙ্গে প্রক্সি যুদ্ধে লিপ্ত। এছাড়া শুরু থেকেই ইরানের বর্তমান শাসক গোষ্ঠীকে নিজেদের জন্য হুমকি হিসেবে দেখে আসছে ইসরায়েল।

আর এই পরিস্থিতিতে ইসরায়েল সফরে যাচ্ছেন ইরানের ক্ষমতাচ্যুত শাহের নির্বাসিত পুত্র। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিলেন ইরানি শাহ। সোমবার (১৭ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবে ক্ষমতাচ্যুত ইরানি শাহের নির্বাসিত পুত্র চলতি সপ্তাহে ইসরায়েল সফর করবেন বলে ইসরায়েলের সরকার রোববার জানিয়েছে। এমনকি ইসরায়েলে এই সফরের জন্য ক্ষমতাচ্যুত ইরানি শাহের নির্বাসিত পুত্রকে ‘সর্বাধিক সিনিয়র ইরানি ব্যক্তিত্ব’ বলেও অভিহিত করেছে ইহুদি ভূখণ্ডটির সরকার।

অবশ্য যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত শাহের অধীনে ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যে একসময় বেশ উষ্ণ ও বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। যদিও ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানের বর্তমান শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতায় আসার পর থেকে উভয় দেশ একে অপরের শত্রু হয়ে উঠেছে।

ইসরায়েল এক বিবৃতিতে বলেছে, ক্ষমতাচ্যুত শাহের নির্বাসিত ছেলে রেজা পাহলভির এই সফরের উদ্দেশ্য ‘ইসরায়েল ও ইরানের জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করা এবং তেহরানের ক্ষমতাসীন আয়াতুল্লাহ সরকারের বিরুদ্ধে যৌথ বিরোধিতা প্রকাশ করা।’

ইসরায়েলি বিবৃতিতে পাহলভির উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ‘ইরান গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত হলে ইসরায়েল এবং আমাদের আরব প্রতিবেশীদের সাথে তেহরানের সম্পর্ক পুনর্নবীকরণ করতে চাইবে। আমার মতে, সেই দিনটি আগের চেয়ে কাছাকাছি।’

আসন্ন এই সফরের সময় পাহলভি ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিক হোলোকাস্ট স্মারক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন বলেও জানানো হয়েছে।

ইসরায়েল ও ইরান কেন একে অপরের শত্রু?

১৯৭৯ সালে ইরানে বিপ্লবের পর সেখানে ধর্মীয় নেতারা ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন। ইরানের সেই সব নেতারা ইসরায়েলকে বর্জন করার আহ্বান জানান। মূলত সেসময় ইসরায়েলের অস্তিত্বকেই অস্বীকার করে ইরান।

ইসরায়েল অবৈধভাবে মুসলমানদের ভূমি দখল করে রেখেছে বলে মনে করে তেহরান।

এদিকে ইসরায়েল তার অস্তিত্বের জন্য ইরানকে হুমকি হিসেবে দেখে থাকে। ইসরায়েল সব সময় বলে এসেছে, ইরানের অবশ্যই পরমাণু অস্ত্র থাকা উচিত হবে না। এর পাশাপাশি ইসরায়েলের নেতারা মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের যে বিস্তৃতি সেটা দেখেও উদ্বিগ্ন।