ঢাকা ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পরিবর্তনে সংবিধানে ফিরছে গণভোটের বিধান’ শিক্ষার উন্নয়ন ছাড়া দেশের অগ্রগতি সম্ভব নয় : ড. মঈন খান বাউফলে মৎস্যজীবী দলের সভাপতির বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিতের অভিযোগ, মোবাইল ভাঙচুর সুন্দরবনে বাঘের পায়ের ছাপের স্মৃতি এখনও মনে পড়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযান, গাঁজা-স্কাফসহ গ্রেপ্তার ৪ মঠবাড়িয়ায় বিয়ের আশ্বাসে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে নওগাঁর রাণীনগরে ব্যাংক কর্মকর্তাদের মারধর করে ৩৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ কালিহাতীতে ৪ হাজার ৮১৫ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক লালমনিরহাটে পাঁচ মাসের শিশুকে রেখে মাকে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড আত্রাইয়ে আনসার-ভিডিপির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

মানবমস্তিষ্কের গবেষণায় চিকিৎসার নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী

চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিশেষ অবদানের জন্য ২০২৬ সালে এই শাখায় নোবেল পুরস্কার জিতেছেন ৩ জন বিজ্ঞানী। তারা হলেন কার্ল দেইসেরাথ, পিটার হেগেমান এবং জর্জ ন্যাগেল। সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের নোবেল কমিটি সোমবার ওই তিন বিজ্ঞানীর নাম ঘোষণা করেছে।

মানবমস্তিষ্কের গঠন, স্মৃতি, অনুভূতি এবং ব্যবহার নিয়ে গভীর ও বিশদ গবেষণাকর্মের জন্য তাদের চলতি বছর চিকিৎসা শাখায় নোবেল বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নোবেল কমিটি।

নোবেল কমিটির তথ্য অনুযায়ী, এই তিন বিজ্ঞানী চ্যানেলরোডপসিন নামের একটি বিশেষ প্রোটিন আবিষ্কার করেছেন। তাদের এই আবিষ্কার স্নায়ুবিজ্ঞানকে নতুন যুগে নিয়ে যাওয়ার ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে বলেও উল্লেখ করেছে ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের নোবেল কমিটি।

কমিটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চ্যানেলরোডপসিন প্রোটিনটি তৈরি করেছেন পিটার হেগেমান এবং জর্জ ন্যাগেল। আর সেটিকে মানবমস্তিষ্কের স্নায়ুকোষের জন্য ‘আলোক-নিয়ন্ত্রত সুইচে’ রূপান্তরে অবদান রেখেছেন কার্ল দেইসেরাথ।

“তাদের এই গবেষণা বিজ্ঞানীদের বুঝতে সহায়তা করেছে যে কীভাবে আলোকে কাজে লাগিয়ে কোষের—বিশেষ করে স্নায়ুকোষের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব; এর ফলে মস্তিষ্ক নিয়ে গবেষণার পাশাপাশি স্নায়ুবিক ও অন্যান্য রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে”, বলা হয়েছে নোবেল কমিটির বিবৃতিতে।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে নোবেল অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি সম্মাননা। এর মাধ্যমে এমন সব গবেষণাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয় যা রোগ সম্পর্কে ধারণা, রোগ প্রতিরোধ কিংবা চিকিৎসার পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন এনেছে।

আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের রূপকার বিজ্ঞানীদের দীর্ঘ তালিকায় এই ঘোষণার মাধ্যমে আরও কিছু নাম যুক্ত হলো। ১৯০১ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে প্রথম নোবেল পুরস্কার প্রদানের পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ১১৬টি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

নোবেলের ইতিহাসে চিকিৎসা বিভাগে সর্বকনিষ্ঠ বিজয়ী ছিলেন কানাডিয়ান বিজ্ঞানী ফ্রেডেরিক গ্রান্ট ব্যান্টিং; ইনসুলিন আবিষ্কারের জন্য ১৯২৩ সালে পুরস্কারটি পাওয়ার সময় তার বয়স ছিল ৩১ বছর।

অন্যদিকে, বয়োজ্যেষ্ঠ বিজয়ী ছিলেন পেটন রাউস; টিউমার সৃষ্টিকারী ভাইরাস সংক্রান্ত আবিষ্কারের জন্য ১৯৬৬ সালে নোবেল পাওয়ার সময় তার বয়স ছিল ৮৭ বছর।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পরিবর্তনে সংবিধানে ফিরছে গণভোটের বিধান’

মানবমস্তিষ্কের গবেষণায় চিকিৎসার নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী

আপডেট সময় ০৪:৫৪:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিশেষ অবদানের জন্য ২০২৬ সালে এই শাখায় নোবেল পুরস্কার জিতেছেন ৩ জন বিজ্ঞানী। তারা হলেন কার্ল দেইসেরাথ, পিটার হেগেমান এবং জর্জ ন্যাগেল। সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের নোবেল কমিটি সোমবার ওই তিন বিজ্ঞানীর নাম ঘোষণা করেছে।

মানবমস্তিষ্কের গঠন, স্মৃতি, অনুভূতি এবং ব্যবহার নিয়ে গভীর ও বিশদ গবেষণাকর্মের জন্য তাদের চলতি বছর চিকিৎসা শাখায় নোবেল বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নোবেল কমিটি।

নোবেল কমিটির তথ্য অনুযায়ী, এই তিন বিজ্ঞানী চ্যানেলরোডপসিন নামের একটি বিশেষ প্রোটিন আবিষ্কার করেছেন। তাদের এই আবিষ্কার স্নায়ুবিজ্ঞানকে নতুন যুগে নিয়ে যাওয়ার ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে বলেও উল্লেখ করেছে ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের নোবেল কমিটি।

কমিটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চ্যানেলরোডপসিন প্রোটিনটি তৈরি করেছেন পিটার হেগেমান এবং জর্জ ন্যাগেল। আর সেটিকে মানবমস্তিষ্কের স্নায়ুকোষের জন্য ‘আলোক-নিয়ন্ত্রত সুইচে’ রূপান্তরে অবদান রেখেছেন কার্ল দেইসেরাথ।

“তাদের এই গবেষণা বিজ্ঞানীদের বুঝতে সহায়তা করেছে যে কীভাবে আলোকে কাজে লাগিয়ে কোষের—বিশেষ করে স্নায়ুকোষের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব; এর ফলে মস্তিষ্ক নিয়ে গবেষণার পাশাপাশি স্নায়ুবিক ও অন্যান্য রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে”, বলা হয়েছে নোবেল কমিটির বিবৃতিতে।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে নোবেল অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি সম্মাননা। এর মাধ্যমে এমন সব গবেষণাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয় যা রোগ সম্পর্কে ধারণা, রোগ প্রতিরোধ কিংবা চিকিৎসার পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন এনেছে।

আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের রূপকার বিজ্ঞানীদের দীর্ঘ তালিকায় এই ঘোষণার মাধ্যমে আরও কিছু নাম যুক্ত হলো। ১৯০১ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে প্রথম নোবেল পুরস্কার প্রদানের পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ১১৬টি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

নোবেলের ইতিহাসে চিকিৎসা বিভাগে সর্বকনিষ্ঠ বিজয়ী ছিলেন কানাডিয়ান বিজ্ঞানী ফ্রেডেরিক গ্রান্ট ব্যান্টিং; ইনসুলিন আবিষ্কারের জন্য ১৯২৩ সালে পুরস্কারটি পাওয়ার সময় তার বয়স ছিল ৩১ বছর।

অন্যদিকে, বয়োজ্যেষ্ঠ বিজয়ী ছিলেন পেটন রাউস; টিউমার সৃষ্টিকারী ভাইরাস সংক্রান্ত আবিষ্কারের জন্য ১৯৬৬ সালে নোবেল পাওয়ার সময় তার বয়স ছিল ৮৭ বছর।