ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শিশুর বিকাশে প্রয়োজন সহায়ক পরিবেশ ও সামাজিক জাগরণ: সমাজকল্যাণমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে একমত মিঠাপুকুরে নোংরা চত্বর থেকে রাজস্বের হাট: উন্নয়ন, নাকি বিতর্ক? ৫ আগস্ট ঘিরে গোপালগঞ্জে নিরাপত্তা জোরদার এডভোকেট মিজানুর রহমান অন্তরের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুমিল্লা বারে মানববন্ধন ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে থমথমে বেরোবি, নিরাপত্তা জোরদার কালুখালীতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির স্বল্পমূল্যে চাল বিক্রয় শুরু নওগাঁ সীমান্ত থেকে ৯৪ কেজি ওজনের কষ্টি পাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার করেছে বিজিবি  দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানের অস্বাভাবিক সম্পদের পাহাড়
নেপথ্যে ফ্যাসিস্টদের দোসর কিছু প্রকৌশলী ও কর্মচারী

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের দুর্নীতি মরনঘাতি ভাইরাসে পরিণত

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের দুর্নীতি যেন মরনঘাতি ভাইরাসে পরিণত হয়েছে। নেপথ্যে ফ্যাসিস্টদের কিছু প্রকৌশলী ও কর্মচারী। তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়,আসিফ মাহমুদ এর পিএস সাইফুল ইসলাম পরিষদের কিছু কর্মকর্তা/ কর্মচারী নিয়ে একটি দুর্নীতির বলয় তৈরি করে ব্যাপক দুর্নীতি করেছেন। তিনি পরিষদ ত্যাগ করার পর ঐ বলয়টি পিএস ও উপ পরিচালক ( ঢাকা বিভাগ) এর দায়িত্বে থাকা কবীর সাহেব কে গ্রাস করার চেষ্টা করে মোটা মোটি সফল হওয়ার পথে। কিছু আওয়ামী লালিত কর্মকর্তা / কর্মচারী বিগত দিনে আওয়ামী লীগের অন্ধভক্ত ছিল। ক্ষমতার পালা বদলে তারা এখন কট্রর বিএনপি বলে নিজেদেরকে জাহির করতে সক্ষম হয়েছে । তথ্যানুসন্ধানে আরো জানা যায়,পরিষদের ডেসপাস রাইডার আঃ মালেক আওয়ামী লীগের সাথে দীর্ঘ ১৭ বসর সুখে শান্তিতে বসবাস করে দুর্নীতির মাধ্যমে বহু অর্থ কামাই করে নিয়েছেন।
৫ ই আগস্টের পর তৎকালিন সচিব আমিনুল ইসলাম ( এনডিসি) কে বিএনপি বানিয়ে তার আস্থাভাজন হওয়ার চেষ্টায় সফল হন। পরবর্তীতে এনডিসি কে ব্যবহার করে বদলি বাণিজ্য,কেনা কাটা,বিভিন্ন মালামাল সাপ্লাই সহ যেন হরিলুট চলছিল কেউ ভয়ে কথা বলতে সাহস পেত না। পরিষদের তথ্য পাচারের জন্য এনডিসি মালেক কে ব্যবহার করছে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ৫ই ফেব্রুয়ারী ডেসপাচ রাইডার মালেক পিআরএল এ গেলেও তাকে মৌখিক ভাবে কাজে লাগিয়ে দুর্নীতির অসমাপ্ত কাজ গুলো করিয়ে নেয়া হচ্ছে। এনডিসি প্রস্থানের পর আওয়ামী ঘরানার শীর্ষ দুর্নীতি বাজ ইন্জিনিয়ার নাসির উদ্দিন অতি সুকৌশলে ডেসপাচ রাইডার মালেক এর মাধ্যমে পরিষদের গোপন তথ্য পাচার করার বাহন হিসাবে ব্যবহার করে আসছে। ইন্জিনিয়ার নাসির উদ্দিন বর্তমানে বিএনপির নব্য কান্ডারী রূপে আবির্ভূত হয়ে নানা অপকর্মে লিপ্ত রয়েছেন। এনডিসি বিদায়ের পর নির্বাহী পরিচালক জনাব দৌলতুজ্জামান কে গ্রাস করে ডেসপাচ রাইডার মালেক এর মাধ্যমে প্লাস্টিকের ফুল গাছও ফুলের টব ক্রয় করে তিন লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার নামে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে আঃ মালেক। অবসরে যাওয়া ডেসপাচ রাইডার আঃ মালেক কে ডেসপাচ শাখায় নিয়োজিত রেখে কি উদ্দেশ্য হাসিল করার চেষ্টা করা হচ্ছে, খতিয়ে দেখা উচিত।
আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মিছিল মিটিংয়ে সামনের সারিতে থাকা আঃ মালেক তথাকথিত শ্রমিক দল, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কোন এক সম্পাদকের দায়িত্বও পেয়েছেন। নানা অপকর্মের হোতা আঃ মালেক পরিষদের মুল্যবান জিনিস পত্র চুরি করে বিভাগীয় মামলায় সম্মূখীন হন। বিভাগীয় মামলা তদন্তে বেরিয়ে আসে ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে সিনেমা প্রজেক্টশনিষ্ট চাকুরী নিয়ে বেতন ভাতা গ্রহন করেছিলেন কয়েক বছর পর্যন্ত। পরবর্তীতে তাকে শাস্তি হিসাবে নিন্ম গ্রেডে(ডিমোশন)দেয়া হয়। এরপরও আঃ মালেক থেমে নেই,নারী কেলেংকারীতে কয়েকটি জাতীয় পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে রিপোর্ট করলে পরিষদ চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে শাস্তির আওতায় আনেন। দুর্নীতি বাজ কিছু কর্মকর্তার সহযোগিতায় চাকুরি ছেড়ে যেতে হয় নাই।
আওয়ামী শাসনামলে আওয়ামী লীগের সামনের সারিতে থাকলেও তাকে পেছনে ফিরে যেতে হয়না । বর্তমানে বিএনপির আস্থা অর্জনে সে সফলতা অর্জন করতেও ব্যর্থ হয় নায়। পক্ষান্তরে যারা বিএনপির একনিষ্ঠ কর্মী আজ তারাই অবহেলিত এবং সকল সুযোগ সুবিধা হতে বঞ্চিত। যুগে যুগে আঃ মালেকরাই লাভবান হবে এটাই কি রীতি হয়ে থাকবে? চেয়ারম্যান এর পিয়ন মোঃ শাহজাহান শেখ দীর্ঘ ২৭ বছর যাবত একই কর্মস্থলে অবস্থান করছেন ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগের সর্ব কর্মকান্ডে অংশীদারিত্বে থাকলেও বর্তমানে বিএনপির নির্যাতীত কর্মী হিসাবে আখ্যায়িত।
পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখায় সাইদুল ইসলাম, নয়ন, ও রাসেল সহ আওয়ামী কর্মীরা এস এম ইদ্রিছ আলী ও কামরুল হাসান পারেেভজ এর করুনা নিয়ে তারা বহাল তবিয়তে বসে লাখো পতি থেকে কোটি পতি হয়েছেন। পরিষদের আওয়ামী নেতৃত্বের শীর্ষে থাকা সহকারী পরিচালক (পঃউঃ)জনাব নাসির উদ্দীন রূপ বদলিয়ে এখন ভুয়া শ্রমিক দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। পরিষদের অবসরে যাওয়া ডেসপাচ রাইডার আবদুল মালেক পিআরএল এ গেলেও কোন এক অজানা উদ্দেশে সহকারী পরিচালক নাসির উদ্দিন তার ব্যক্তি স্বার্থ উদ্ধারে তাকে পরিষদের কাজে ব্যবহার করে আসছন ।আওয়ামী শাসনামলের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান কে ইতোমধ্যে ইদ্রিছআলীও কামরুল হাসানের সহযোগিতায় ঢাকা আনা হয়েছে। নিয়াজুল হাসান, সাজিয়াআফরিন, সিন্ডিকেট কথিত শ্রমিক দলের সহযোগিতায় আবারো সক্রিয় ধান্ধাবাজীর পায়তারা করছে। উচ্চমান সহকারী এস এম ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে নারায়নগঞ্জ ফতুল্লা স্টেডিয়ামের পুরাতন মালামাল বিক্রি করার নাম করে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তোভোগীরা পরিচালক বরাবর তাদের অভিযোগ দায়ের করে জানিয়েছেন।এসব এম ইদ্রিস আলী বিগত দুই বছরে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। ময়ময়সিংহে তার নির্মাণাধীন কয়েক কোটি টাকার আলিসান বাড়ি। পুরো ক্রীড়া পরিষদ তার কথায় পরিচালিত হচ্ছে। বিগত সময়ের বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের আমলে ফ্যাসিস্টদের সখ্যতা সাথে গড়ে বিএনপি নিধনে কাজে ব্যস্ত ছিলেন। ৫ই আগষ্ট ২৪ এর পর সে রাতারাতি বিএনপি বনে গিয়েছে এখন পুরো ষ্টেডিয়াম এলাকায় চাঁদাবাজির রাম রাজত্ব কায়েম করে যাচ্ছেন। এব্যাপারে অভিযুক্ত এস এম ইদ্রিস আলীর সাথে তার ব্যবহৃত মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফতুল্লা স্টেডিয়ামের পুরাতন মালামাল বিক্রির টাকা আমি নেই নায় তা জাকির নিয়েছে তাকে মিনিষ্ট্রি যে বদলি করা হয়েছে। জাতীয় ষ্টেডিয়ামে চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত আছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান এটি রাগব বোয়ালের হাতে আমাদের প্রশাসন তা কোনো দিন বন্ধ করতে পারবে না। মাঝেমধ্যে দলীয় প্রোগ্রাম করার সময় কিছু টাকা আমাদেরকে ডোনেশন দেয় এই আরকি। ময়ময়সিংহে আপনার কয়েক কোটি টাকার ডুপ্লেক্স বাড়ি নির্মাণ করেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমার পুরাতন একটি বাড়ি ছিল সেটা বিক্রি করে দুই বছর পূর্বে কোটি টাকা খরচ করে থাকার জন্য একটি বাড়ি করেছি।
পরিষদের মাঠ কর্মচারী গোলাম মোস্তফা সরকার পরিষদের পুরাতন ভবনে অবস্থিত ক্যান্টিন পরিচালনা করেন। নিয়ম অনুযায়ী পরিষদের নিয়োগকৃত বাবুর্চী বা বেয়ারা কর্মকর্তা / কর্মচারীদের এবং হোস্টেলে অবস্থান করা খেলোয়াড় বৃন্দকে স্বল্প মুল্যে সুষম খাবার পরিবেশন করবে।কিন্তু তা না করে একটি চক্র নিজের মত করে নিন্ম মানের খাবার দিয়ে উচ্চদাম আদায় করে আসছে অথচ পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস এর বিল খেলাধুলার স্বার্থে পরিষদ প্রদান করে থাকে। ক্যান্টিন ভাড়া ফ্রী থাকা সত্বে উচ্চমুল্যে নিন্মমানের খাবার পরিবেশন করলেও যেন দেখার কেউ নাই। কিছু কর্মকর্তা / কর্মচারীদের উৎকোচ দিয়ে মাঠ কর্মচারী মোস্তফা সরকার গলাকাটা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এদের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। তারা প্রশাসনিক কাঠামো ভেঙ্গে চুরমার করে দিয়ে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করার চেষ্টা করে যাচ্ছে । অবহেলিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা চেয়ারম্যান বরাবর এসকল ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করেন। তারা তাদের আবেদন চেয়ারম্যানের কাছে অনুরোধ করে বলেন, চেয়ারম্যান যদি সুচিন্তিত পরিকল্পনায় ক্রীড়াঙ্গন সুন্দর ও সাবলীল রূপ ধারন করবে বলে প্রত্যাশা করেন। তারা আরো প্রত্যাশা করেন কোন ভাবেই ক্রীড়াঙ্গনে চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজদের ঠাই যেন না হয়। চেয়ারম্যানের তীক্ষ্ণ নজরদারি ও প্রয়োজীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলেই দুর্নীতির মুল উৎপাটন বলে আশা করেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নেপথ্যে ফ্যাসিস্টদের দোসর কিছু প্রকৌশলী ও কর্মচারী

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের দুর্নীতি মরনঘাতি ভাইরাসে পরিণত

আপডেট সময় ০৬:০৫:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের দুর্নীতি যেন মরনঘাতি ভাইরাসে পরিণত হয়েছে। নেপথ্যে ফ্যাসিস্টদের কিছু প্রকৌশলী ও কর্মচারী। তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়,আসিফ মাহমুদ এর পিএস সাইফুল ইসলাম পরিষদের কিছু কর্মকর্তা/ কর্মচারী নিয়ে একটি দুর্নীতির বলয় তৈরি করে ব্যাপক দুর্নীতি করেছেন। তিনি পরিষদ ত্যাগ করার পর ঐ বলয়টি পিএস ও উপ পরিচালক ( ঢাকা বিভাগ) এর দায়িত্বে থাকা কবীর সাহেব কে গ্রাস করার চেষ্টা করে মোটা মোটি সফল হওয়ার পথে। কিছু আওয়ামী লালিত কর্মকর্তা / কর্মচারী বিগত দিনে আওয়ামী লীগের অন্ধভক্ত ছিল। ক্ষমতার পালা বদলে তারা এখন কট্রর বিএনপি বলে নিজেদেরকে জাহির করতে সক্ষম হয়েছে । তথ্যানুসন্ধানে আরো জানা যায়,পরিষদের ডেসপাস রাইডার আঃ মালেক আওয়ামী লীগের সাথে দীর্ঘ ১৭ বসর সুখে শান্তিতে বসবাস করে দুর্নীতির মাধ্যমে বহু অর্থ কামাই করে নিয়েছেন।
৫ ই আগস্টের পর তৎকালিন সচিব আমিনুল ইসলাম ( এনডিসি) কে বিএনপি বানিয়ে তার আস্থাভাজন হওয়ার চেষ্টায় সফল হন। পরবর্তীতে এনডিসি কে ব্যবহার করে বদলি বাণিজ্য,কেনা কাটা,বিভিন্ন মালামাল সাপ্লাই সহ যেন হরিলুট চলছিল কেউ ভয়ে কথা বলতে সাহস পেত না। পরিষদের তথ্য পাচারের জন্য এনডিসি মালেক কে ব্যবহার করছে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ৫ই ফেব্রুয়ারী ডেসপাচ রাইডার মালেক পিআরএল এ গেলেও তাকে মৌখিক ভাবে কাজে লাগিয়ে দুর্নীতির অসমাপ্ত কাজ গুলো করিয়ে নেয়া হচ্ছে। এনডিসি প্রস্থানের পর আওয়ামী ঘরানার শীর্ষ দুর্নীতি বাজ ইন্জিনিয়ার নাসির উদ্দিন অতি সুকৌশলে ডেসপাচ রাইডার মালেক এর মাধ্যমে পরিষদের গোপন তথ্য পাচার করার বাহন হিসাবে ব্যবহার করে আসছে। ইন্জিনিয়ার নাসির উদ্দিন বর্তমানে বিএনপির নব্য কান্ডারী রূপে আবির্ভূত হয়ে নানা অপকর্মে লিপ্ত রয়েছেন। এনডিসি বিদায়ের পর নির্বাহী পরিচালক জনাব দৌলতুজ্জামান কে গ্রাস করে ডেসপাচ রাইডার মালেক এর মাধ্যমে প্লাস্টিকের ফুল গাছও ফুলের টব ক্রয় করে তিন লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার নামে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে আঃ মালেক। অবসরে যাওয়া ডেসপাচ রাইডার আঃ মালেক কে ডেসপাচ শাখায় নিয়োজিত রেখে কি উদ্দেশ্য হাসিল করার চেষ্টা করা হচ্ছে, খতিয়ে দেখা উচিত।
আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মিছিল মিটিংয়ে সামনের সারিতে থাকা আঃ মালেক তথাকথিত শ্রমিক দল, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কোন এক সম্পাদকের দায়িত্বও পেয়েছেন। নানা অপকর্মের হোতা আঃ মালেক পরিষদের মুল্যবান জিনিস পত্র চুরি করে বিভাগীয় মামলায় সম্মূখীন হন। বিভাগীয় মামলা তদন্তে বেরিয়ে আসে ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে সিনেমা প্রজেক্টশনিষ্ট চাকুরী নিয়ে বেতন ভাতা গ্রহন করেছিলেন কয়েক বছর পর্যন্ত। পরবর্তীতে তাকে শাস্তি হিসাবে নিন্ম গ্রেডে(ডিমোশন)দেয়া হয়। এরপরও আঃ মালেক থেমে নেই,নারী কেলেংকারীতে কয়েকটি জাতীয় পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে রিপোর্ট করলে পরিষদ চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে শাস্তির আওতায় আনেন। দুর্নীতি বাজ কিছু কর্মকর্তার সহযোগিতায় চাকুরি ছেড়ে যেতে হয় নাই।
আওয়ামী শাসনামলে আওয়ামী লীগের সামনের সারিতে থাকলেও তাকে পেছনে ফিরে যেতে হয়না । বর্তমানে বিএনপির আস্থা অর্জনে সে সফলতা অর্জন করতেও ব্যর্থ হয় নায়। পক্ষান্তরে যারা বিএনপির একনিষ্ঠ কর্মী আজ তারাই অবহেলিত এবং সকল সুযোগ সুবিধা হতে বঞ্চিত। যুগে যুগে আঃ মালেকরাই লাভবান হবে এটাই কি রীতি হয়ে থাকবে? চেয়ারম্যান এর পিয়ন মোঃ শাহজাহান শেখ দীর্ঘ ২৭ বছর যাবত একই কর্মস্থলে অবস্থান করছেন ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগের সর্ব কর্মকান্ডে অংশীদারিত্বে থাকলেও বর্তমানে বিএনপির নির্যাতীত কর্মী হিসাবে আখ্যায়িত।
পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখায় সাইদুল ইসলাম, নয়ন, ও রাসেল সহ আওয়ামী কর্মীরা এস এম ইদ্রিছ আলী ও কামরুল হাসান পারেেভজ এর করুনা নিয়ে তারা বহাল তবিয়তে বসে লাখো পতি থেকে কোটি পতি হয়েছেন। পরিষদের আওয়ামী নেতৃত্বের শীর্ষে থাকা সহকারী পরিচালক (পঃউঃ)জনাব নাসির উদ্দীন রূপ বদলিয়ে এখন ভুয়া শ্রমিক দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। পরিষদের অবসরে যাওয়া ডেসপাচ রাইডার আবদুল মালেক পিআরএল এ গেলেও কোন এক অজানা উদ্দেশে সহকারী পরিচালক নাসির উদ্দিন তার ব্যক্তি স্বার্থ উদ্ধারে তাকে পরিষদের কাজে ব্যবহার করে আসছন ।আওয়ামী শাসনামলের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান কে ইতোমধ্যে ইদ্রিছআলীও কামরুল হাসানের সহযোগিতায় ঢাকা আনা হয়েছে। নিয়াজুল হাসান, সাজিয়াআফরিন, সিন্ডিকেট কথিত শ্রমিক দলের সহযোগিতায় আবারো সক্রিয় ধান্ধাবাজীর পায়তারা করছে। উচ্চমান সহকারী এস এম ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে নারায়নগঞ্জ ফতুল্লা স্টেডিয়ামের পুরাতন মালামাল বিক্রি করার নাম করে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তোভোগীরা পরিচালক বরাবর তাদের অভিযোগ দায়ের করে জানিয়েছেন।এসব এম ইদ্রিস আলী বিগত দুই বছরে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। ময়ময়সিংহে তার নির্মাণাধীন কয়েক কোটি টাকার আলিসান বাড়ি। পুরো ক্রীড়া পরিষদ তার কথায় পরিচালিত হচ্ছে। বিগত সময়ের বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের আমলে ফ্যাসিস্টদের সখ্যতা সাথে গড়ে বিএনপি নিধনে কাজে ব্যস্ত ছিলেন। ৫ই আগষ্ট ২৪ এর পর সে রাতারাতি বিএনপি বনে গিয়েছে এখন পুরো ষ্টেডিয়াম এলাকায় চাঁদাবাজির রাম রাজত্ব কায়েম করে যাচ্ছেন। এব্যাপারে অভিযুক্ত এস এম ইদ্রিস আলীর সাথে তার ব্যবহৃত মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফতুল্লা স্টেডিয়ামের পুরাতন মালামাল বিক্রির টাকা আমি নেই নায় তা জাকির নিয়েছে তাকে মিনিষ্ট্রি যে বদলি করা হয়েছে। জাতীয় ষ্টেডিয়ামে চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত আছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান এটি রাগব বোয়ালের হাতে আমাদের প্রশাসন তা কোনো দিন বন্ধ করতে পারবে না। মাঝেমধ্যে দলীয় প্রোগ্রাম করার সময় কিছু টাকা আমাদেরকে ডোনেশন দেয় এই আরকি। ময়ময়সিংহে আপনার কয়েক কোটি টাকার ডুপ্লেক্স বাড়ি নির্মাণ করেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমার পুরাতন একটি বাড়ি ছিল সেটা বিক্রি করে দুই বছর পূর্বে কোটি টাকা খরচ করে থাকার জন্য একটি বাড়ি করেছি।
পরিষদের মাঠ কর্মচারী গোলাম মোস্তফা সরকার পরিষদের পুরাতন ভবনে অবস্থিত ক্যান্টিন পরিচালনা করেন। নিয়ম অনুযায়ী পরিষদের নিয়োগকৃত বাবুর্চী বা বেয়ারা কর্মকর্তা / কর্মচারীদের এবং হোস্টেলে অবস্থান করা খেলোয়াড় বৃন্দকে স্বল্প মুল্যে সুষম খাবার পরিবেশন করবে।কিন্তু তা না করে একটি চক্র নিজের মত করে নিন্ম মানের খাবার দিয়ে উচ্চদাম আদায় করে আসছে অথচ পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস এর বিল খেলাধুলার স্বার্থে পরিষদ প্রদান করে থাকে। ক্যান্টিন ভাড়া ফ্রী থাকা সত্বে উচ্চমুল্যে নিন্মমানের খাবার পরিবেশন করলেও যেন দেখার কেউ নাই। কিছু কর্মকর্তা / কর্মচারীদের উৎকোচ দিয়ে মাঠ কর্মচারী মোস্তফা সরকার গলাকাটা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এদের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। তারা প্রশাসনিক কাঠামো ভেঙ্গে চুরমার করে দিয়ে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করার চেষ্টা করে যাচ্ছে । অবহেলিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা চেয়ারম্যান বরাবর এসকল ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করেন। তারা তাদের আবেদন চেয়ারম্যানের কাছে অনুরোধ করে বলেন, চেয়ারম্যান যদি সুচিন্তিত পরিকল্পনায় ক্রীড়াঙ্গন সুন্দর ও সাবলীল রূপ ধারন করবে বলে প্রত্যাশা করেন। তারা আরো প্রত্যাশা করেন কোন ভাবেই ক্রীড়াঙ্গনে চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজদের ঠাই যেন না হয়। চেয়ারম্যানের তীক্ষ্ণ নজরদারি ও প্রয়োজীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলেই দুর্নীতির মুল উৎপাটন বলে আশা করেন।