ঢাকা ০৩:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাস্তায় পড়ে ছিল এসএসসি পরীক্ষার ২৬৮টি উত্তরপত্র দুস্থ সেজে ভিডব্লিউবি’র চাল তোলেন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শকের স্ত্রী কুমিল্লায় ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, যুবকের মৃত্যুদণ্ড গৃহায়নে প্লট বরাদ্দে ফের কর্মকর্তাদের সই জাল লিবিয়ার উপকূলে নৌকা ভেঙে ১৭ অভিবাসনপ্রত্যাশী নিহত, নিখোঁজ আরও ৯ বুমরাহ’র সবচেয়ে বাজে আইপিএল আসর, কারণ খুঁজছেন বিশ্লেষকরা পুরোনো ছবি দিয়ে অপপ্রচার, বাস্তবে ডুবে যায়নি চট্টগ্রাম: প্রতিমন্ত্রী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কারিকুলামে সংশোধন আনা হচ্ছে : ভিসি শেয়ার বাজারের ১ লাখ কোটি টাকা লুটকারীদের জবাবদিহি চান রুমিন ফারহানা ‘সব পরিস্থিতির মধ্যে ভালোটা খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা করি’

হজে যাওয়া যাবে না যেসব রোগ নিয়ে

  • ধর্ম ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১৮:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫১৫ বার পড়া হয়েছে

পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগে হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কড়া নির্দেশনা জারি করেছে সৌদি আরব। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যারা গুরুতর শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতায় ভুগছেন, তারা এ বছর হজের পারমিট বা অনুমতি পাবেন না। একই সঙ্গে হজযাত্রীদের জন্য বেশ কিছু টিকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে গালফ নিউজ জানিয়েছে, হজের কঠিন আনুষ্ঠানিকতা পালনে যারা শারীরিকভাবে অক্ষম হতে পারেন, তাদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সৌদি কর্তৃপক্ষের তালিকা অনুযায়ী, যেসব শারীরিক অবস্থায় এবার হজ করা যাবে না তার মধ্যে রয়েছে, ১. কিডনির জটিলতা বা ডায়ালাইসিস প্রয়োজন এমন অবস্থা। ২. হার্ট ফেইলিউর বা হৃৎপিণ্ডের গুরুতর সমস্যা। ৩. লিভার সিরোসিস। ৪. জটিল মানসিক রোগ এবং স্মৃতিভ্রংশ বা ডিমেনশিয়া। ৫. বার্ধক্যজনিত চরম শারীরিক দুর্বলতা। ৬. অন্তঃসত্ত্বা নারী, যাদের গর্ভাবস্থার শেষ তিন মাস চলছে।

কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে যে, হজযাত্রীদের অবশ্যই এমন সুস্থ অবস্থায় থাকতে হবে যাতে তারা হজের প্রতিটি রোকন বা নিয়ম কোনো বড় ধরনের শারীরিক ঝুঁকি ছাড়াই সম্পন্ন করতে পারেন।

স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী, সব হজযাত্রীকে হজের অন্তত ১০ দিন আগে মেনিনজাইটিস রোগের টিকা নিতে হবে। এ ছাড়া যারা উচ্চ ঝুঁকিতে আছেন যেমন বয়স্ক ব্যক্তি, দীর্ঘমেয়াদী রোগে আক্রান্ত রোগী এবং অন্তঃসত্ত্বা নারী তাদের জন্য করোনা ও সিজনাল ইনফ্লুয়েঞ্জার টিকা নেওয়ার বিশেষ পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, যদি কারও আগের টিকার মেয়াদ শেষ হয়ে থাকে তবে তাকে পুনরায় আপডেট ডোজ গ্রহণ করতে হবে। মূলত বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে এবং পবিত্র মক্কায় সমবেত লাখো মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সৌদি সরকার প্রতি বছর এমন কঠোর স্বাস্থ্যবিধি কার্যকর করে থাকে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাস্তায় পড়ে ছিল এসএসসি পরীক্ষার ২৬৮টি উত্তরপত্র

হজে যাওয়া যাবে না যেসব রোগ নিয়ে

আপডেট সময় ০১:১৮:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগে হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কড়া নির্দেশনা জারি করেছে সৌদি আরব। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যারা গুরুতর শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতায় ভুগছেন, তারা এ বছর হজের পারমিট বা অনুমতি পাবেন না। একই সঙ্গে হজযাত্রীদের জন্য বেশ কিছু টিকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে গালফ নিউজ জানিয়েছে, হজের কঠিন আনুষ্ঠানিকতা পালনে যারা শারীরিকভাবে অক্ষম হতে পারেন, তাদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সৌদি কর্তৃপক্ষের তালিকা অনুযায়ী, যেসব শারীরিক অবস্থায় এবার হজ করা যাবে না তার মধ্যে রয়েছে, ১. কিডনির জটিলতা বা ডায়ালাইসিস প্রয়োজন এমন অবস্থা। ২. হার্ট ফেইলিউর বা হৃৎপিণ্ডের গুরুতর সমস্যা। ৩. লিভার সিরোসিস। ৪. জটিল মানসিক রোগ এবং স্মৃতিভ্রংশ বা ডিমেনশিয়া। ৫. বার্ধক্যজনিত চরম শারীরিক দুর্বলতা। ৬. অন্তঃসত্ত্বা নারী, যাদের গর্ভাবস্থার শেষ তিন মাস চলছে।

কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে যে, হজযাত্রীদের অবশ্যই এমন সুস্থ অবস্থায় থাকতে হবে যাতে তারা হজের প্রতিটি রোকন বা নিয়ম কোনো বড় ধরনের শারীরিক ঝুঁকি ছাড়াই সম্পন্ন করতে পারেন।

স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী, সব হজযাত্রীকে হজের অন্তত ১০ দিন আগে মেনিনজাইটিস রোগের টিকা নিতে হবে। এ ছাড়া যারা উচ্চ ঝুঁকিতে আছেন যেমন বয়স্ক ব্যক্তি, দীর্ঘমেয়াদী রোগে আক্রান্ত রোগী এবং অন্তঃসত্ত্বা নারী তাদের জন্য করোনা ও সিজনাল ইনফ্লুয়েঞ্জার টিকা নেওয়ার বিশেষ পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, যদি কারও আগের টিকার মেয়াদ শেষ হয়ে থাকে তবে তাকে পুনরায় আপডেট ডোজ গ্রহণ করতে হবে। মূলত বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে এবং পবিত্র মক্কায় সমবেত লাখো মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সৌদি সরকার প্রতি বছর এমন কঠোর স্বাস্থ্যবিধি কার্যকর করে থাকে।