যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাত বাড়িয়ে ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকার জন্য নতুন করে জোরপূর্বক সরে যাওয়ার বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এর মাধ্যমে দেশটির তথাকথিত ‘বাফার জোন’-এর বাইরে অবস্থিত সাতটি শহরের বাসিন্দাদের এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে।
রোববার এক্সে দেওয়া বিবৃতিতে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র বলেন, লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠীটি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে; ইসরায়েল এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। তিনি বাসিন্দাদের উত্তর ও পশ্চিম দিকে সরে যেতে বলেন। শহরগুলো লিতানি নদীর উত্তরে অবস্থিত। এটি এমন এলাকা, যেখানে যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত আছে। শহরগুলো ইসরায়েলের ঘোষিত ‘বাফার জোন’-এর বাইরে অবস্থিত। এ বাফার জোনটি হলো দক্ষিণ লেবাননের অভ্যন্তরে সীমান্তের উত্তরে প্রায় ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত একটি এলাকা, যেখানে ইসরায়েলি বাহিনী অবস্থান করছে।
আলজাজিরা জানায়, হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা বলেছে, তাদের অব্যাহত হামলাগুলো হলো ‘শত্রুর যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে একটি বৈধ জবাব’। ইরান-সমর্থিত সংগঠনটি রোববার টেলিগ্রামে দেওয়া বিবৃতিতে বলেছে, যে যুদ্ধবিরতি তারা অনুমোদন করেনি, তার সঙ্গে তাদের যুক্ত করা উচিত নয়। কারণ এতে তাদের ‘কোনো বক্তব্য বা অবস্থান’ নেই।
ইসরায়েলের হামলায় লেবাননে নিহত ১৪
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, গত রোববার দেশটির দক্ষিণে ইসরায়েলের হামলায় ১৪ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজন নারী ও দুই শিশু রয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৩৭ জন। ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন ইসরায়েল ও ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য একে অপরকে নতুন করে দোষারোপ করছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, সেনাবাহিনী হিজবুল্লাহকে ‘জোরালোভাবে’ লক্ষ্যবস্তু করছে।
লেবানন-ইসরায়েল আলোচনা প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর
হিজবুল্লাহর শীর্ষ নেতা নাইম কাসেম গতকাল সোমবার ইসরায়েলের সঙ্গে লেবাননের পরিকল্পিত সরাসরি আলোচনা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি এটিকে একটি ‘গুরুতর পাপ’ বলে অভিহিত করেন, যা লেবাননকে অস্থিতিশীল করে তুলবে।
আন্তর্জাতিক ডেক্স 

























