আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষ করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এতে ত্রুটি বা অযোগ্যতার কারণে অনেকের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তবে বাতিল হওয়া প্রার্থীদের হতাশ না হয়ে আইনি লড়াইয়ের সুযোগ দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি ২০২৬) ইসি থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে ৭টি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা মানার কথা বলা হয়েছে। আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত এই আপিল করা যাবে।
ইসি নির্দেশিত ৭টি শর্ত হলো:
১. আবেদনের ধরণ: আপিল আবেদনটি নির্বাচন কমিশনকে সম্বোধন করে নির্ধারিত ফরম্যাটে স্মারকলিপি আকারে জমা দিতে হবে।
২. নথিপত্র সংযুক্তি: আবেদনের সঙ্গে মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের তারিখ উল্লেখসহ আপিলের কারণ সংবলিত বিবৃতি জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তার আদেশের (মনোনয়ন বাতিল বা গ্রহণের) সত্যায়িত অনুলিপি বা কপি সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলক।
৩. কপির সংখ্যা: আপিল আবেদনের একটি মূল কপিসহ মোট সাতটি সেট বা কপি জমা দিতে হবে।
৪. জমার স্থান: নির্বাচন কমিশন চত্বরে স্থাপিত আপিল গ্রহণ কেন্দ্রে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের জন্য নির্ধারিত বুথেই আবেদন জমা দিতে হবে।
৫. সময়সীমা: আপিল কার্যক্রম চলবে ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যেই আবেদন করতে হবে।
৬. রায়ের কপি সংগ্রহ: আপিল শুনানির পর রায়ের কপি পাওয়ার জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। এই ফরম ইসির কেন্দ্রীয় বুথ থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
৭. গ্রহীতা: আপিলকারী নিজে অথবা তার মনোনীত প্রতিনিধি আপিলের রায়ের কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 

























