সংবাদ শিরোনাম ::
মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের পিয়ন সঞ্জিত ১২ বছরে গড়েছেন অবৈধ সম্পদের পাহাড় বরিশালে এলজিইডিতে প্রশাসনিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে আলোচনায় রহমত-ই-খুদা লতিফপুরের চানপুর-হাটুভাঙা রাস্তার বেহাল দশা কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার এসআই জনি কান্তি দে’র বিরুদ্ধে ৮৪ কেজি গাঁজা আত্মসাতের অভিযোগ কর্মীদের নামে শত কোটি টাকার ঋণ নিয়ে বিদেশে পলাতক আদনান ইমাম শতকোটি টাকার মালিক সাব-রেজিস্ট্রার কামরুল ও তার স্ত্রী রিক্তা মুক্তিযোদ্ধা বাবার সরকারি ‘বীর নিবাস’ বিক্রির অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে বাঁ পায়ের জাদুতে গোল করে চমক দেখালেন জাইমা রহমান সন্ধ্যার মধ্যে ৯ দেশের জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা আলজেরিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ মিশন শুরু আর্জেন্টিনার, কেমন হতে পারে স্কালোনির একাদশ

কর্মীদের নামে শত কোটি টাকার ঋণ নিয়ে বিদেশে পলাতক আদনান ইমাম

বেনামি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের নামে শত শত কোটি টাকার ঋণ তুলে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এনআরবিসি ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পর্ষদের চেয়ারম্যান আদনান ইমামের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও পরিচালক হিসেবে কর্মীদের নাম ব্যবহার করে এনআরবিসি ব্যাংক ও ইউসিবি ব্যাংক থেকে অন্তত ৫৬৭ কোটি টাকার বেশি ঋণ নেওয়া হয়েছে।সূত্র জানায়, লন্ডনভিত্তিক আবাসন প্রতিষ্ঠান ইমাম অ্যান্ড পাটোয়ারি ইকুইটি (আইপিই) গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদনান ইমাম এবং চেয়ারম্যান তার বাবা চৌধুরী ফজলে ইমাম।

ব্রিটিশ ও বাংলাদেশি নাগরিক আদনান ইমামের লন্ডন ও বাংলাদেশে পরিচালিত প্রায় ২০টি কোম্পানি রয়েছে, যার বেশিরভাগই বেনামি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত বলে অভিযোগ রয়েছে।পোশাক খাতের প্রতিষ্ঠান ইক্সোরা অ্যাপারেলস লিমিটেডের ক্ষেত্রেও একই ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে সরাসরি কোনো পদে না থাকলেও নিজের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতেন আদনান ইমাম।গাজীপুরের কাশিমপুরে অবস্থিত ইক্সোরা অ্যাপারেলসের জমি ঋণের বিপরীতে বন্ধক রাখা হলেও সরেজমিনে কারখানাটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, বিজিএমইএর তথ্যেও প্রতিষ্ঠানটির কোনো রপ্তানি কার্যক্রমের তথ্য নেই।ভুক্তভোগী কর্মীরা জানান, ২০২৪ সালের ৬ অক্টোবর ব্যাংকের চিঠি পাওয়ার পর তারা প্রথম জানতে পারেন যে তাদের নামে ১২৪ কোটিরও বেশি টাকার ঋণ রয়েছে। পরবর্তীতে একাধিক তাগাদা চিঠি পাওয়ার পর তারা বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন।এদিকে ইউনাইটেড কমার্সিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) থেকেও ইউকে বাংলা এগ্রো ও ফুলপুর এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের কয়েকজন কর্মীর নামে শত কোটি টাকার ঋণ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

সুদ-আসলে সেই ঋণের পরিমাণ বর্তমানে ৪৪৩ কোটি টাকারও বেশি বলে জানা গেছে।ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তাদের অজান্তে পরিচয় ব্যবহার করে এসব ঋণ নেওয়া হয়েছে। ফলে এখন ঋণের দায়ভার বহন করতে গিয়ে অনেকেই চরম অনিশ্চয়তা ও আইনি জটিলতার মধ্যে পড়েছেন।তবে আদনান ইমামের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের পিয়ন সঞ্জিত ১২ বছরে গড়েছেন অবৈধ সম্পদের পাহাড়

কর্মীদের নামে শত কোটি টাকার ঋণ নিয়ে বিদেশে পলাতক আদনান ইমাম

আপডেট সময় ১২:৫৯:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

বেনামি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের নামে শত শত কোটি টাকার ঋণ তুলে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এনআরবিসি ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পর্ষদের চেয়ারম্যান আদনান ইমামের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও পরিচালক হিসেবে কর্মীদের নাম ব্যবহার করে এনআরবিসি ব্যাংক ও ইউসিবি ব্যাংক থেকে অন্তত ৫৬৭ কোটি টাকার বেশি ঋণ নেওয়া হয়েছে।সূত্র জানায়, লন্ডনভিত্তিক আবাসন প্রতিষ্ঠান ইমাম অ্যান্ড পাটোয়ারি ইকুইটি (আইপিই) গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদনান ইমাম এবং চেয়ারম্যান তার বাবা চৌধুরী ফজলে ইমাম।

ব্রিটিশ ও বাংলাদেশি নাগরিক আদনান ইমামের লন্ডন ও বাংলাদেশে পরিচালিত প্রায় ২০টি কোম্পানি রয়েছে, যার বেশিরভাগই বেনামি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত বলে অভিযোগ রয়েছে।পোশাক খাতের প্রতিষ্ঠান ইক্সোরা অ্যাপারেলস লিমিটেডের ক্ষেত্রেও একই ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে সরাসরি কোনো পদে না থাকলেও নিজের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতেন আদনান ইমাম।গাজীপুরের কাশিমপুরে অবস্থিত ইক্সোরা অ্যাপারেলসের জমি ঋণের বিপরীতে বন্ধক রাখা হলেও সরেজমিনে কারখানাটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, বিজিএমইএর তথ্যেও প্রতিষ্ঠানটির কোনো রপ্তানি কার্যক্রমের তথ্য নেই।ভুক্তভোগী কর্মীরা জানান, ২০২৪ সালের ৬ অক্টোবর ব্যাংকের চিঠি পাওয়ার পর তারা প্রথম জানতে পারেন যে তাদের নামে ১২৪ কোটিরও বেশি টাকার ঋণ রয়েছে। পরবর্তীতে একাধিক তাগাদা চিঠি পাওয়ার পর তারা বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন।এদিকে ইউনাইটেড কমার্সিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) থেকেও ইউকে বাংলা এগ্রো ও ফুলপুর এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের কয়েকজন কর্মীর নামে শত কোটি টাকার ঋণ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

সুদ-আসলে সেই ঋণের পরিমাণ বর্তমানে ৪৪৩ কোটি টাকারও বেশি বলে জানা গেছে।ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তাদের অজান্তে পরিচয় ব্যবহার করে এসব ঋণ নেওয়া হয়েছে। ফলে এখন ঋণের দায়ভার বহন করতে গিয়ে অনেকেই চরম অনিশ্চয়তা ও আইনি জটিলতার মধ্যে পড়েছেন।তবে আদনান ইমামের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।