টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের চানপুর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের একটি ব্যতিক্রমধর্মী প্রতিবাদ নজর কেড়েছে সাধারণ মানুষের। দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকা চানপুর-হাটুভাঙ্গা সড়কের বিভিন্ন স্থানে ধানের চারা রোপণ করে এলাকাবাসী তাদের ক্ষোভ ও হতাশার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, এটি কি শুধুই একটি প্রতিবাদ, নাকি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও জনপ্রতিনিধিদের প্রতি এক ধরনের নীরব প্রতিবাদের ভাষা? হাজার হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের এমন করুণ অবস্থা কীভাবে বছরের পর বছর ধরে অবহেলিত থাকে—সেই প্রশ্ন এখন জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা খন্দকার ফজলে রাব্বি, খন্দকার সাজিদ, খন্দকার হৃদয়সহ আরোও অনেকে জানান, সড়কটি কাঁচা হলেও চানপুর থেকে হাটুভাঙ্গা যাতায়াতের জন্য এটিই একমাত্র ভরসা। বর্ষা মৌসুমে সড়কটি কাদায় পরিণত হয়ে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়। রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াত এবং কৃষিপণ্য আনা-নেওয়াসহ দৈনন্দিন জীবনের নানা কাজে এলাকাবাসীকে সীমাহীন ভোগান্তির শিকার হতে হয়।
এলাকাবাসী বিনীতভাবে স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী হোসেন রনির দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত সড়কটির সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষায়, “আমরা একটি জরুরি রোগীকে হাসপাতালে নিতে গেলেও চরম বিপাকে পড়ি। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করা হলে হাজারো মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে।”
স্থানীয়দের মতে, উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতির মাঝে একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের একমাত্র সড়কের এমন বেহাল চিত্র শুধু দুর্ভোগই নয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে। এখন দেখার বিষয়, ধানের চারা রোপণের এই ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে কি না এবং কবে নাগাদ এলাকাবাসী তাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পায়। এই রাস্তাটি নষ্ট হওয়ার পিছেনে আরেকটি কারণ আছে ইটভাটা।। এই ইট ভাটার কারনে রাস্তাটি দিন দিন খারাপ হতে চলছে আগে যা হেটে চলাচল করা যেত এখন তাও যায় না।
স্টাফ রিপোর্টার: সাইদ আল মামুন 























