ঢাকা ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’ পাঁচ মাস পর দেশের পথে মির্জা আব্বাস ১৫ দিনের মধ্যে বুড়িগঙ্গার তীর থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের ভোলায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমানকে জেলা পুলিশের ফুলেল শুভেচ্ছা ও গার্ড অব অনার ধামইরহাটে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ বিটিভির লোগো পরিবর্তন নয়; দরকার দায়িত্বশীল গণমাধ্যমে রূপান্তর হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা আজ বিশ্ব নারিকেল দিবস তোর চৌদ্দ গোষ্ঠীকে জেল-হাজতের ভাত খাওয়াব’: কাকে হুমকি দিলেন পলি? ছেলেকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা মেসির মায়ের

পানি ভেবে আইলের পাশে বোতলে রাখা কীটনাশক পান করলেন যুবক

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ক্ষেতের আইলের পাশে বোতলে কিছুটা কীটনাশক রেখে বাকিটা ধানক্ষেতে স্প্রে করছিলেন কৃষক। এ সময় ওই কৃষকের অগোচরে পানি ভেবে বোতলের সবটুকু কীটনাশক পান করেন মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবক।

একপর্যায়ে বিষক্রিয়া শুরু হলে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন তিনি। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের উত্তর বড়ভিটা গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।

কীটনাশক পানে মারা যাওয়া ওই যুবকের নাম মইনুল ইসলাম (৩৫)। তিনি ওই গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা নাদের হোসেনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, মইনুল ইসলাম অনেক দিন আগে থেকেই মানসিক ভারসাম্যহীন। অনেক চিকিৎসা করানোর পরও সুস্থ না হওয়ায় হাট-বাজারে, পথে-ঘাটে অস্বাভাবিকভাবে ঘুরে বেড়াত। রোববার সকালে ওই এলাকার কৃষক প্রদীপ কুমার তাহার ধানের জমিতে মাজরা পোকা দমনের কীটনাশক স্প্রে করছিলেন। বাকি কীটনাশক জমির পাশে বোতলে রাখা ছিল। এ সময় মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক হঠাৎ এসে প্রদীপের অগোচরে বোতলের ছিপি খুলে সবটুকু কীটনাশক পান করেন।

একপর্যায়ে বিষক্রিয়ায় চিৎকার করতে থাকলে প্রদীপ এবং আশপাশের লোকজন তার কীটনাশক পান করার বিষয়টি বুঝতে পারেন। পরে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান তারা। কিন্তু ততক্ষণে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন যুবক মইনুল।

খবর পেয়ে ফুলবাড়ী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শওকত হোসেন সরকার জানান, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হয়েছে। মৃত্যু সম্পর্কে পরিবারসহ কারও কোনো সন্দেহ না থাকায় পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের জন্য মৃতদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’

পানি ভেবে আইলের পাশে বোতলে রাখা কীটনাশক পান করলেন যুবক

আপডেট সময় ০৬:৩৭:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ক্ষেতের আইলের পাশে বোতলে কিছুটা কীটনাশক রেখে বাকিটা ধানক্ষেতে স্প্রে করছিলেন কৃষক। এ সময় ওই কৃষকের অগোচরে পানি ভেবে বোতলের সবটুকু কীটনাশক পান করেন মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবক।

একপর্যায়ে বিষক্রিয়া শুরু হলে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন তিনি। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের উত্তর বড়ভিটা গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।

কীটনাশক পানে মারা যাওয়া ওই যুবকের নাম মইনুল ইসলাম (৩৫)। তিনি ওই গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা নাদের হোসেনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, মইনুল ইসলাম অনেক দিন আগে থেকেই মানসিক ভারসাম্যহীন। অনেক চিকিৎসা করানোর পরও সুস্থ না হওয়ায় হাট-বাজারে, পথে-ঘাটে অস্বাভাবিকভাবে ঘুরে বেড়াত। রোববার সকালে ওই এলাকার কৃষক প্রদীপ কুমার তাহার ধানের জমিতে মাজরা পোকা দমনের কীটনাশক স্প্রে করছিলেন। বাকি কীটনাশক জমির পাশে বোতলে রাখা ছিল। এ সময় মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক হঠাৎ এসে প্রদীপের অগোচরে বোতলের ছিপি খুলে সবটুকু কীটনাশক পান করেন।

একপর্যায়ে বিষক্রিয়ায় চিৎকার করতে থাকলে প্রদীপ এবং আশপাশের লোকজন তার কীটনাশক পান করার বিষয়টি বুঝতে পারেন। পরে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান তারা। কিন্তু ততক্ষণে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন যুবক মইনুল।

খবর পেয়ে ফুলবাড়ী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শওকত হোসেন সরকার জানান, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হয়েছে। মৃত্যু সম্পর্কে পরিবারসহ কারও কোনো সন্দেহ না থাকায় পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের জন্য মৃতদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।