ঢাকা ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’ পাঁচ মাস পর দেশের পথে মির্জা আব্বাস ১৫ দিনের মধ্যে বুড়িগঙ্গার তীর থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের ভোলায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমানকে জেলা পুলিশের ফুলেল শুভেচ্ছা ও গার্ড অব অনার ধামইরহাটে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ বিটিভির লোগো পরিবর্তন নয়; দরকার দায়িত্বশীল গণমাধ্যমে রূপান্তর হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা আজ বিশ্ব নারিকেল দিবস তোর চৌদ্দ গোষ্ঠীকে জেল-হাজতের ভাত খাওয়াব’: কাকে হুমকি দিলেন পলি? ছেলেকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা মেসির মায়ের

পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

  • বগুড়া প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ১২:০৯:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬১০ বার পড়া হয়েছে

বগুড়ায় পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে শাকিল খন্দকার (৫০) নামে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন নিহতের ভাগনে তৌফিক ইসলাম।

স্বজনদের অভিযোগ, হত্যার পর অভিযুক্তরা মব তৈরি করে উল্টো শাকিলের ছেলে জয়কে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পুলিশের কাছে ধরিয়ে দেয়। শাকিল সদর উপজেলার ছিলিমপুর এলাকার বাকিবুল্লাহ খন্দকারের ছেলে।

জানা যায়, শহরের তেলিপুকুর এলাকায় বালু ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শাকিলের সঙ্গে শামীম ও পলাশের বিরোধ চলছিল।

শুক্রবার (০৫ সেপ্টেম্বর) রাতে জমি কেনাবেচার পাওনা দেড় লাখ টাকা দেওয়ার কথা বলে আত্মীয় সুজনের মাধ্যমে শাকিলকে তেলিপুকুর গ্যাস পাম্পের পেছনের এলাকায় ডেকে নেওয়া হয়।
সেখানে পৌঁছালে পলাশ ও শামীম তাদের ৩০-৪০ জন সহযোগী নিয়ে শাকিলের ভাগনে তৌফিককে বেধড়ক মারধর করেন। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শাকিলকে কুপিয়ে আহত করলে তিনি সেই অবস্থায়ই সেখান থেকে পালিয়ে যান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এ সময় পলাশ ও শামীম সহযোগীদের নিয়ে মব তৈরি করে শাকিলের ছেলে জয়কে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ধরিয়ে দেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তেলিপুকুর এলাকায় বালু ব্যবসা ও আধিপত্য নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল শাকিলের। পরিবারের অভিযোগ, শামীমসহ তার লোকজন পূর্বশত্রুতার জেরে শাকিলকে হত্যা করেছে। নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

স্বজনরা জানান, শাকিলের সন্ধান না পেয়ে তারা রাতেই পুলিশের শরণাপন্ন হন, তবে পুলিশ বিষয়টি আমলে নেয়নি। শনিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে তেলিপুকুর এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে শাকিলের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

বগুড়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর বলেন, ‘এ ঘটনায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অভিযুক্ত নিলয় ও রাতুলকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘নিহত শাকিলের বিরুদ্ধে যুবলীগ নেতা বিপ্লব হত্যাসহ একাধিক মামলা চলমান আছে। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’

পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট সময় ১২:০৯:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বগুড়ায় পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে শাকিল খন্দকার (৫০) নামে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন নিহতের ভাগনে তৌফিক ইসলাম।

স্বজনদের অভিযোগ, হত্যার পর অভিযুক্তরা মব তৈরি করে উল্টো শাকিলের ছেলে জয়কে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পুলিশের কাছে ধরিয়ে দেয়। শাকিল সদর উপজেলার ছিলিমপুর এলাকার বাকিবুল্লাহ খন্দকারের ছেলে।

জানা যায়, শহরের তেলিপুকুর এলাকায় বালু ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শাকিলের সঙ্গে শামীম ও পলাশের বিরোধ চলছিল।

শুক্রবার (০৫ সেপ্টেম্বর) রাতে জমি কেনাবেচার পাওনা দেড় লাখ টাকা দেওয়ার কথা বলে আত্মীয় সুজনের মাধ্যমে শাকিলকে তেলিপুকুর গ্যাস পাম্পের পেছনের এলাকায় ডেকে নেওয়া হয়।
সেখানে পৌঁছালে পলাশ ও শামীম তাদের ৩০-৪০ জন সহযোগী নিয়ে শাকিলের ভাগনে তৌফিককে বেধড়ক মারধর করেন। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শাকিলকে কুপিয়ে আহত করলে তিনি সেই অবস্থায়ই সেখান থেকে পালিয়ে যান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এ সময় পলাশ ও শামীম সহযোগীদের নিয়ে মব তৈরি করে শাকিলের ছেলে জয়কে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ধরিয়ে দেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তেলিপুকুর এলাকায় বালু ব্যবসা ও আধিপত্য নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল শাকিলের। পরিবারের অভিযোগ, শামীমসহ তার লোকজন পূর্বশত্রুতার জেরে শাকিলকে হত্যা করেছে। নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

স্বজনরা জানান, শাকিলের সন্ধান না পেয়ে তারা রাতেই পুলিশের শরণাপন্ন হন, তবে পুলিশ বিষয়টি আমলে নেয়নি। শনিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে তেলিপুকুর এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে শাকিলের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

বগুড়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর বলেন, ‘এ ঘটনায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অভিযুক্ত নিলয় ও রাতুলকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘নিহত শাকিলের বিরুদ্ধে যুবলীগ নেতা বিপ্লব হত্যাসহ একাধিক মামলা চলমান আছে। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’