ঢাকা ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’ পাঁচ মাস পর দেশের পথে মির্জা আব্বাস ১৫ দিনের মধ্যে বুড়িগঙ্গার তীর থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের ভোলায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমানকে জেলা পুলিশের ফুলেল শুভেচ্ছা ও গার্ড অব অনার ধামইরহাটে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ বিটিভির লোগো পরিবর্তন নয়; দরকার দায়িত্বশীল গণমাধ্যমে রূপান্তর হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা আজ বিশ্ব নারিকেল দিবস তোর চৌদ্দ গোষ্ঠীকে জেল-হাজতের ভাত খাওয়াব’: কাকে হুমকি দিলেন পলি? ছেলেকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা মেসির মায়ের

নিহত রাসেল ছোটবেলা থেকেই নুরাল পাগলার ভক্ত ছিলেন

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরাল পাগলার আস্তানায় বিক্ষুব্ধ জনতার হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভক্তদের পাল্টা সংঘর্ষে অর্ধ শতাধিক মানুষ আহত হয়। এ ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন রাসেল মোল্লা (২৮) নামের এক যুবক।

নিহত রাসেল মোল্লা জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের জটু মিস্ত্রিপাড়ার আজাদ মোল্লার ছেলে। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। নিহত রাসেল মোস্তফা মেটাল ইন্ডিস্ট্রিজের কাভার্ডভ্যান চালক ছিলেন।

নিহত রাসেলের বাবা ও দেবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আজাদ মোল্লা বলেন, রাসেল ছোটবেলা থেকেই গোয়ালন্দ পাক দরবার শরিফে যাওয়া-আসা করত, দরবারকে ভালোবাসতো। দরবারে যেত নিয়মিত। রাসেলের দাদা ছিল গোয়ালন্দ পাক দরবার শরিফের ভক্ত।

তিনি আরও বলেন, গতকাল রাসেল গোয়ালন্দ পাক দরবার শরিফে গিয়েছিল। দুপুরের পর সেখানে সংঘর্ষ হয় এবং অনেকে আহত হন। আমার ছেলের মুখটা হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়েছে, পেছনে কুপিয়েছে। অনেক রক্তক্ষরণে আমার ছেলেটা মারা যায়। আমার ছেলের কি দোষ ছিল। কেনো আমার ছেলেকে মারা হলো। আমি আমার ছেলের হত্যার বিচার চাই।

মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে নিহত রাসেলের বাবা আজাদ মোল্লা বলেন, মামলার বিষয়ে এখনো আমারা কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি। আমাদের লোকজন আছে। তাদের সঙ্গে আলোচনা করে পরে সিদ্ধান্ত জানাতে পারব।

এদিকে নুরাল পাগলার আস্তানায় হামলার সময় পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে অজ্ঞাতনামা ৩ হাজার ৫০০ জনকে আসামি করে উপপরিদর্শক সেলিম মোল্লা বাদী হয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় মামলা করেন।

রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শরীফ আল রাজীব বলেন, এ ঘটনায় গোয়ালন্দ ঘাট থানার এসআই সে‌লিম মোল্লা বা‌দী হয়ে অজ্ঞাত ৩৫০০ জনের নামে মামলা করেন। আসামিদের ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’

নিহত রাসেল ছোটবেলা থেকেই নুরাল পাগলার ভক্ত ছিলেন

আপডেট সময় ০৮:৪২:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরাল পাগলার আস্তানায় বিক্ষুব্ধ জনতার হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভক্তদের পাল্টা সংঘর্ষে অর্ধ শতাধিক মানুষ আহত হয়। এ ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন রাসেল মোল্লা (২৮) নামের এক যুবক।

নিহত রাসেল মোল্লা জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের জটু মিস্ত্রিপাড়ার আজাদ মোল্লার ছেলে। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। নিহত রাসেল মোস্তফা মেটাল ইন্ডিস্ট্রিজের কাভার্ডভ্যান চালক ছিলেন।

নিহত রাসেলের বাবা ও দেবগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আজাদ মোল্লা বলেন, রাসেল ছোটবেলা থেকেই গোয়ালন্দ পাক দরবার শরিফে যাওয়া-আসা করত, দরবারকে ভালোবাসতো। দরবারে যেত নিয়মিত। রাসেলের দাদা ছিল গোয়ালন্দ পাক দরবার শরিফের ভক্ত।

তিনি আরও বলেন, গতকাল রাসেল গোয়ালন্দ পাক দরবার শরিফে গিয়েছিল। দুপুরের পর সেখানে সংঘর্ষ হয় এবং অনেকে আহত হন। আমার ছেলের মুখটা হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়েছে, পেছনে কুপিয়েছে। অনেক রক্তক্ষরণে আমার ছেলেটা মারা যায়। আমার ছেলের কি দোষ ছিল। কেনো আমার ছেলেকে মারা হলো। আমি আমার ছেলের হত্যার বিচার চাই।

মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে নিহত রাসেলের বাবা আজাদ মোল্লা বলেন, মামলার বিষয়ে এখনো আমারা কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি। আমাদের লোকজন আছে। তাদের সঙ্গে আলোচনা করে পরে সিদ্ধান্ত জানাতে পারব।

এদিকে নুরাল পাগলার আস্তানায় হামলার সময় পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে অজ্ঞাতনামা ৩ হাজার ৫০০ জনকে আসামি করে উপপরিদর্শক সেলিম মোল্লা বাদী হয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় মামলা করেন।

রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শরীফ আল রাজীব বলেন, এ ঘটনায় গোয়ালন্দ ঘাট থানার এসআই সে‌লিম মোল্লা বা‌দী হয়ে অজ্ঞাত ৩৫০০ জনের নামে মামলা করেন। আসামিদের ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে।