ঢাকা ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’ পাঁচ মাস পর দেশের পথে মির্জা আব্বাস ১৫ দিনের মধ্যে বুড়িগঙ্গার তীর থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের ভোলায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমানকে জেলা পুলিশের ফুলেল শুভেচ্ছা ও গার্ড অব অনার ধামইরহাটে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ বিটিভির লোগো পরিবর্তন নয়; দরকার দায়িত্বশীল গণমাধ্যমে রূপান্তর হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা আজ বিশ্ব নারিকেল দিবস তোর চৌদ্দ গোষ্ঠীকে জেল-হাজতের ভাত খাওয়াব’: কাকে হুমকি দিলেন পলি? ছেলেকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা মেসির মায়ের

বগুড়ায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

  • বগুড়া প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ১২:২০:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬১৪ বার পড়া হয়েছে

বগুড়ায় পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে শাকিল খন্দকার (৪০) নামে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত শাকিল খন্দকার বগুড়া সদর উপজেলার ছিলিমপুরের বাকিবুল্লাহ খন্দকারের ছেলে। এ ঘটনায় নিহত শাকিলের ভাগনে তৌফিক ইসলাম গুরুতর আহত হয়েছেন।

অভিযোগ উঠেছে, হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্তরা একটি জটলা তৈরি করে উল্টো নিহত ব্যবসায়ীর ছেলের হাতে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে পুলিশের কাছে ধরিয়ে দেয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে শহরের তেলিপুকুর এলাকায় বালু ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শামিম ও পলাশের সঙ্গে শাকিলের দ্বন্দ্ব চলছিল। শুক্রবার রাতে জমি কেনাবেচার পাওনা দেড় লাখ টাকা দেওয়ার কথা বলে শাকিলকে তার আত্মীয় সুজন তেলিপুকুর গ্যাস পাম্পের পেছনের এলাকায় ডেকে নেন। সেখানে পৌঁছালে পলাশ ও শামিম ৩০-৪০ জন সহযোগী নিয়ে প্রথমে শাকিলের ভাগনে তৌফিককে বেধড়ক মারধর করে। একপর্যায়ে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে শাকিলকে আঘাত করলে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান।

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পলাশ ও শামিম সহযোগীদের নিয়ে একটি জটলা তৈরি করে ও শাকিলের ছেলে জয়কে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আটক করিয়ে দেয়।

স্বজনদের দাবি, শাকিলের সন্ধান পেতে রাতেই তারা পুলিশের কাছে গেলেও বিষয়টি আমলে নেওয়া হয়নি। পরে শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে তেলিপুকুরের একটি ধানক্ষেত থেকে শাকিলের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত শাকিলের বিরুদ্ধে যুবলীগ নেতা বিপ্লব হত্যাসহ একাধিক মামলা চলমান আছে।

এ বিষয়ে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর জানান, এ ঘটনায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’

বগুড়ায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট সময় ১২:২০:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বগুড়ায় পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে শাকিল খন্দকার (৪০) নামে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত শাকিল খন্দকার বগুড়া সদর উপজেলার ছিলিমপুরের বাকিবুল্লাহ খন্দকারের ছেলে। এ ঘটনায় নিহত শাকিলের ভাগনে তৌফিক ইসলাম গুরুতর আহত হয়েছেন।

অভিযোগ উঠেছে, হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্তরা একটি জটলা তৈরি করে উল্টো নিহত ব্যবসায়ীর ছেলের হাতে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে পুলিশের কাছে ধরিয়ে দেয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে শহরের তেলিপুকুর এলাকায় বালু ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শামিম ও পলাশের সঙ্গে শাকিলের দ্বন্দ্ব চলছিল। শুক্রবার রাতে জমি কেনাবেচার পাওনা দেড় লাখ টাকা দেওয়ার কথা বলে শাকিলকে তার আত্মীয় সুজন তেলিপুকুর গ্যাস পাম্পের পেছনের এলাকায় ডেকে নেন। সেখানে পৌঁছালে পলাশ ও শামিম ৩০-৪০ জন সহযোগী নিয়ে প্রথমে শাকিলের ভাগনে তৌফিককে বেধড়ক মারধর করে। একপর্যায়ে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে শাকিলকে আঘাত করলে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান।

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পলাশ ও শামিম সহযোগীদের নিয়ে একটি জটলা তৈরি করে ও শাকিলের ছেলে জয়কে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আটক করিয়ে দেয়।

স্বজনদের দাবি, শাকিলের সন্ধান পেতে রাতেই তারা পুলিশের কাছে গেলেও বিষয়টি আমলে নেওয়া হয়নি। পরে শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে তেলিপুকুরের একটি ধানক্ষেত থেকে শাকিলের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত শাকিলের বিরুদ্ধে যুবলীগ নেতা বিপ্লব হত্যাসহ একাধিক মামলা চলমান আছে।

এ বিষয়ে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর জানান, এ ঘটনায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।