ঢাকা ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’ পাঁচ মাস পর দেশের পথে মির্জা আব্বাস ১৫ দিনের মধ্যে বুড়িগঙ্গার তীর থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের ভোলায় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমানকে জেলা পুলিশের ফুলেল শুভেচ্ছা ও গার্ড অব অনার ধামইরহাটে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ বিটিভির লোগো পরিবর্তন নয়; দরকার দায়িত্বশীল গণমাধ্যমে রূপান্তর হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা আজ বিশ্ব নারিকেল দিবস তোর চৌদ্দ গোষ্ঠীকে জেল-হাজতের ভাত খাওয়াব’: কাকে হুমকি দিলেন পলি? ছেলেকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা মেসির মায়ের

ফের সৈকতে ভেসে এলো ১০ ফুট লম্বা মৃত ইরাবতী ডলফিন

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সৈকতে ফের ভেসে এলো ১০ ফুট লম্বা একটি মৃত ইরাবতী ডলফিন। এটির পুরো মাথা এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে চামড়া ওঠানো। মাথা ও শরীরে ক্ষতচিহ্ন রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুয়াকাটা সৈকতের চর-গঙ্গামতি এলাকায় এটিকে দেখতে পান উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন, কুয়াকাটা (উপরা) এর সদস্যরা। পরে বন বিভাগ এবং কুয়াকাটা পৌরসভা সমন্বয় করে ডলফিনটিকে মাটি চাপা দিয়ে রাখেন।

উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন, কুয়াকাটার (উপরা) সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান মিরাজ বলেন, আমাদের একটি টিম আজকে বন পরিদর্শন শেষে ফেরার পথে এটিকে জঙ্গলের ভেতরে দেখতে পাই। দেখে মনে হচ্ছে, এটি সকালের জোয়ারে এসেছে। ইরাবতী প্রজাতির এ ডলফিন যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও বঙ্গোপসাগর সমুদ্র উপকূলের নিকটে নদীর মোহনাতে দেখা মেলে।

কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, এখানে পরিবেশ নিয়ে কাজ করে এমন সংগঠনগুলো ডলফিনের বিষয়ে যথেষ্ট সতর্ক। তাদের সহযোগিতায় মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট ৯টি এই উপকূলীয় এলাকাজুড়ে আমরা সার্বক্ষণিক কাজ করছি ডলফিন নিয়ে। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাচ্ছি যাতে এই মৃত্যুর সঠিক কারণগুলো বের করা হয়।

বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী গবেষক (সিফ্যাচ) সাগরিকা স্মৃতি বলেন, ডলফিনের মৃতদেহ ভেসে আসা অনেক পুরনো ঘটনা। বর্ষা মৌসুমে এগুলো বেশি দেখা যায়। উন্নত বিশ্বগুলো সামুদ্রিক পরিবেশ রক্ষায় আমাদের থেকে বেশি এগিয়ে। আসলে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন ২০১২ অনুযায়ী ডলফিন ও সংরক্ষিত সামুদ্রিক প্রাণী বাঁচাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো এগিয়ে না এলে এই সমস্যার সমাধান হবে না।

বনবিভাগের মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা একেএম মনিরুজ্জামান কালবেলাকে জানান, আমি ডলফিন রক্ষা কমিটির মাধ্যমে শুনেছি। আমাদের সদস্যদের পাঠিয়ে দ্রুত মাটিচাপা দেওয়ার ব্যবস্থা করছি যাতে দুর্গন্ধ না ছড়ায়।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়া স্যার’

ফের সৈকতে ভেসে এলো ১০ ফুট লম্বা মৃত ইরাবতী ডলফিন

আপডেট সময় ০৮:১৩:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সৈকতে ফের ভেসে এলো ১০ ফুট লম্বা একটি মৃত ইরাবতী ডলফিন। এটির পুরো মাথা এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে চামড়া ওঠানো। মাথা ও শরীরে ক্ষতচিহ্ন রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুয়াকাটা সৈকতের চর-গঙ্গামতি এলাকায় এটিকে দেখতে পান উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন, কুয়াকাটা (উপরা) এর সদস্যরা। পরে বন বিভাগ এবং কুয়াকাটা পৌরসভা সমন্বয় করে ডলফিনটিকে মাটি চাপা দিয়ে রাখেন।

উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন, কুয়াকাটার (উপরা) সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান মিরাজ বলেন, আমাদের একটি টিম আজকে বন পরিদর্শন শেষে ফেরার পথে এটিকে জঙ্গলের ভেতরে দেখতে পাই। দেখে মনে হচ্ছে, এটি সকালের জোয়ারে এসেছে। ইরাবতী প্রজাতির এ ডলফিন যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও বঙ্গোপসাগর সমুদ্র উপকূলের নিকটে নদীর মোহনাতে দেখা মেলে।

কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, এখানে পরিবেশ নিয়ে কাজ করে এমন সংগঠনগুলো ডলফিনের বিষয়ে যথেষ্ট সতর্ক। তাদের সহযোগিতায় মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট ৯টি এই উপকূলীয় এলাকাজুড়ে আমরা সার্বক্ষণিক কাজ করছি ডলফিন নিয়ে। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাচ্ছি যাতে এই মৃত্যুর সঠিক কারণগুলো বের করা হয়।

বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী গবেষক (সিফ্যাচ) সাগরিকা স্মৃতি বলেন, ডলফিনের মৃতদেহ ভেসে আসা অনেক পুরনো ঘটনা। বর্ষা মৌসুমে এগুলো বেশি দেখা যায়। উন্নত বিশ্বগুলো সামুদ্রিক পরিবেশ রক্ষায় আমাদের থেকে বেশি এগিয়ে। আসলে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন ২০১২ অনুযায়ী ডলফিন ও সংরক্ষিত সামুদ্রিক প্রাণী বাঁচাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো এগিয়ে না এলে এই সমস্যার সমাধান হবে না।

বনবিভাগের মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা একেএম মনিরুজ্জামান কালবেলাকে জানান, আমি ডলফিন রক্ষা কমিটির মাধ্যমে শুনেছি। আমাদের সদস্যদের পাঠিয়ে দ্রুত মাটিচাপা দেওয়ার ব্যবস্থা করছি যাতে দুর্গন্ধ না ছড়ায়।