সংবাদ শিরোনাম ::
আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করলেন আইসিসির তিন বিচারক গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হোটেল রুমে স্বামী, পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের ঘরে বিবাদ ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: হাসনাত  আশুরা মানুষকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায় : রাষ্ট্রপতি তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী চীন নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে নিক্ষেপ, যুবক আটক ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত আটকা বহু, উদ্ধারে আসছেন না কেউ বরগুনায় সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান (ইউপি সদস্যের) বিরুদ্ধে মামলা

রেজাল্টের পরও মিষ্টি বিক্রির ধুম নেই, হতাশ দোকানিরা

‘এখন আর আগের মতো রেজাল্টের আমেজ নেই৷ করোনার পরে সবকিছুই পাল্টে গেছে। আগে রেজাল্ট ঘোষণা হওয়ার পর থেকে রাত পর্যন্ত মিষ্টির দোকানে ভিড় লেগে থাকত। অভিভাবকরা হাসিমুখে এসে কেজি কেজি মিষ্টি নিয়ে যেত। আমরাও আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে বেশি করে মিষ্টি বানাতাম। এখন আর তার ছিটেফোঁটাও নেই। রেজাল্টকে ঘিরে যে উৎসবের আমেজ তৈরি হতো সেটি হারিয়ে গেছে বললেও ভুল হবে না।’—এভাবেই বলছিলেন রাজধানীর ধানমন্ডির বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের ক্যাশিয়ার আব্দুস সালাম।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর মিষ্টি বিক্রির ব্যাপারে ব্যাপক আশাবাদী ছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, মনটাই খারাপ হয়ে গেছে। অন্যান্য দিনের মতোই মিষ্টি বিক্রি স্বাভাবিক রয়েছে। কয়েকবছর আগে রেজাল্ট ভালো হলে মিষ্টিমুখ করানোর জন্য যে উৎসবের আমেজ তৈরি হতো সেটি নেই।

dhakapost

এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্টের পর মিষ্টির বিক্রি বেড়েছে কী না? জানতে চাইলে যাদব ঘোষ অ্যান্ড সন্স মিষ্টি দোকানের
বিক্রেতা সুমন বলেন, বিক্রি বাড়েনি বরং অন্যান্য দিনের তুলনায় আজকের বিক্রির পরিমাণ কম। সবচেয়ে বড় কথা হলো দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি কারণে মানুষ মিষ্টি কেনা কমিয়ে দিয়েছে। সব উপকরণের দামই বেশি। যে কারণে মিষ্টি ও মিষ্টিজাত পণ্যের দাম আগের তুলনায় অনেক বেশি বাড়াতে হয়েছে। আমার দোকানে সর্বনিম্ন মিষ্টির কেজি শুরু হয়েছে ২৮০ টাকায়। এত টাকা দিয়ে মিষ্টি কিনে খাওয়ার সামর্থ্য এখন অনেক মানুষেরই নেই।

প্রসঙ্গত,  আজ বেলা সাড়ে ১১টায় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এসএসসির ফলের সারসংক্ষেপ হস্তান্তর করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী  ফল ঘোষণা করেন। এ বছর নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ২০ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। সাধারণ নয়টি বোর্ডে পাসের হার ৮৮.১০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৩ জন।

দাখিলে পাসের হার ৮২.২২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫ হাজার ৪৫৭ জন। কারিগরিতে পাসের হার ৮৯.৫৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮  হাজার ৬৫৫ জন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

রেজাল্টের পরও মিষ্টি বিক্রির ধুম নেই, হতাশ দোকানিরা

আপডেট সময় ০৭:১২:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২

‘এখন আর আগের মতো রেজাল্টের আমেজ নেই৷ করোনার পরে সবকিছুই পাল্টে গেছে। আগে রেজাল্ট ঘোষণা হওয়ার পর থেকে রাত পর্যন্ত মিষ্টির দোকানে ভিড় লেগে থাকত। অভিভাবকরা হাসিমুখে এসে কেজি কেজি মিষ্টি নিয়ে যেত। আমরাও আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে বেশি করে মিষ্টি বানাতাম। এখন আর তার ছিটেফোঁটাও নেই। রেজাল্টকে ঘিরে যে উৎসবের আমেজ তৈরি হতো সেটি হারিয়ে গেছে বললেও ভুল হবে না।’—এভাবেই বলছিলেন রাজধানীর ধানমন্ডির বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের ক্যাশিয়ার আব্দুস সালাম।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর মিষ্টি বিক্রির ব্যাপারে ব্যাপক আশাবাদী ছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, মনটাই খারাপ হয়ে গেছে। অন্যান্য দিনের মতোই মিষ্টি বিক্রি স্বাভাবিক রয়েছে। কয়েকবছর আগে রেজাল্ট ভালো হলে মিষ্টিমুখ করানোর জন্য যে উৎসবের আমেজ তৈরি হতো সেটি নেই।

dhakapost

এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্টের পর মিষ্টির বিক্রি বেড়েছে কী না? জানতে চাইলে যাদব ঘোষ অ্যান্ড সন্স মিষ্টি দোকানের
বিক্রেতা সুমন বলেন, বিক্রি বাড়েনি বরং অন্যান্য দিনের তুলনায় আজকের বিক্রির পরিমাণ কম। সবচেয়ে বড় কথা হলো দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি কারণে মানুষ মিষ্টি কেনা কমিয়ে দিয়েছে। সব উপকরণের দামই বেশি। যে কারণে মিষ্টি ও মিষ্টিজাত পণ্যের দাম আগের তুলনায় অনেক বেশি বাড়াতে হয়েছে। আমার দোকানে সর্বনিম্ন মিষ্টির কেজি শুরু হয়েছে ২৮০ টাকায়। এত টাকা দিয়ে মিষ্টি কিনে খাওয়ার সামর্থ্য এখন অনেক মানুষেরই নেই।

প্রসঙ্গত,  আজ বেলা সাড়ে ১১টায় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এসএসসির ফলের সারসংক্ষেপ হস্তান্তর করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী  ফল ঘোষণা করেন। এ বছর নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ২০ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। সাধারণ নয়টি বোর্ডে পাসের হার ৮৮.১০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৩ জন।

দাখিলে পাসের হার ৮২.২২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫ হাজার ৪৫৭ জন। কারিগরিতে পাসের হার ৮৯.৫৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮  হাজার ৬৫৫ জন।