সংবাদ শিরোনাম ::
সরকারের উচ্চপদস্থদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট, গ্রেপ্তার ৬ ‘অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি করতে হবে : শিল্পমন্ত্রী একাধিক দুর্নীতি মামলার আসামি তবুও সিডিএর ক্ষমতাধর কর্মকর্তা হাসান! পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আইওএম মিশন প্রধানের বৈঠক দুই মাস পর আবারও শুরু চাল বিতরণ, সুবিধা পাচ্ছে ১৭ হাজার পরিবার বরগুনায় চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাধারণ সভা-২০২৬ অনুষ্ঠিত পানি প্রকল্পে ১০ কোটি টাকার লুট, কাজের আগেই কোটি টাকার বিল উত্তোলন একটি ঘরের অপেক্ষায় অসহায় রাসেল মন্ডল পরিবার-প্রতিবন্ধী মেয়েকে নিয়ে মানবেতর জীবন ১৬ জুলাইকে ‘শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত : মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ডেটার স্বাধীনতা ও আস্থা বাড়াতে হবে : পরিকল্পনামন্ত্রী

ট্রাম্পের প্রস্তাবে নমনীয় জেলেনস্কি, বলছেন যুদ্ধবিরতির কথা

ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পরপরই এক রকম লেখা হয়ে গিয়েছিল ইউক্রেনের যুদ্ধের ফল। এরপরও বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শেষ চেষ্টা স্বরূপ ইউক্রেনকে মার্কিন অস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি ও আর্থিক সহায়তা দিয়েছিলেন। তাতেও দমে যায়নি রাশিয়া। ইউক্রেনে হামলা অব্যাহত রেখেছে রুশ সেনারা।

আর এর মধ্যেই ইউক্রেন যুদ্ধ প্রসঙ্গে নতুন প্রস্তাব দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। আর তা মেনে নিয়ে এখন যুদ্ধবিরতির কথা ভাবতে শুরু করেছে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি। এই প্রথম যুদ্ধবিরতি প্রসঙ্গে যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজের শীর্ষ প্রতিবেদক স্টুয়ার্ট রামসেকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তিনি।

তার আগে, ট্রাম্প প্রশাসন জেলেনস্কিকে প্রস্তাবে জানিয়েছিল- গত প্রায় ৩ বছরের যুদ্ধে ইউক্রেনের যেসব অঞ্চল রুশ বাহিনী দখল করেছে— সেসব অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ যদি রুশ বাহিনীর হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোট ন্যাটোর সদস্যপদ দেওয়া হবে।

সেই প্রস্তাবই এখন মেনে নেওয়ার কথা ভাবছে জেলেনস্কি। তিনি বলেন, ‘আমরা যদি এই যুদ্ধের সহিংসতা-ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধ করতে চাই এবং ইউক্রেনের যেসব অঞ্চল এখনও আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে— সেসবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই— সেক্ষেত্রে আমাদের ন্যাটোর আশ্রয়ে যাওয়া প্রয়োজন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রথমে ন্যাটোর ছাতার তলায় যেতে চাই। তারপর ইউক্রেনের যেসব অঞ্চল বেদখল হয়েছে, সেগুলো পুনরুদ্ধারে কূটনৈতিক পন্থায় অগ্রসর হতে চাই। আমার মনে হয়— এটা সম্ভব। তবে ইউক্রেনের যেসব অঞ্চল রাশিয়া দখল করেছে, সেগুলোকে আমরা রুশ ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি দিতে পারি না। এটা অসম্ভব এবং ইউক্রেনের সংবিধানবিরোধী।’

এদিকে গত তিন বছরের যুদ্ধে দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, ঝাপোরিজ্জিয়া এবং খেরসন— ইউক্রেনের এই চার প্রদেশের দখল নিয়েছে রুশ বাহিনী। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে চার প্রদেশকে রুশ ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতিও দিয়েছে মস্কো। অন্যদিকে ন্যাটোর পক্ষ থেকে ইউক্রেনকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যুদ্ধ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত ইউক্রেনকে সদস্যপদ দেওয়া সম্ভব নয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারের উচ্চপদস্থদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট, গ্রেপ্তার ৬

ট্রাম্পের প্রস্তাবে নমনীয় জেলেনস্কি, বলছেন যুদ্ধবিরতির কথা

আপডেট সময় ১২:১৩:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৪

ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পরপরই এক রকম লেখা হয়ে গিয়েছিল ইউক্রেনের যুদ্ধের ফল। এরপরও বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শেষ চেষ্টা স্বরূপ ইউক্রেনকে মার্কিন অস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি ও আর্থিক সহায়তা দিয়েছিলেন। তাতেও দমে যায়নি রাশিয়া। ইউক্রেনে হামলা অব্যাহত রেখেছে রুশ সেনারা।

আর এর মধ্যেই ইউক্রেন যুদ্ধ প্রসঙ্গে নতুন প্রস্তাব দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। আর তা মেনে নিয়ে এখন যুদ্ধবিরতির কথা ভাবতে শুরু করেছে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি। এই প্রথম যুদ্ধবিরতি প্রসঙ্গে যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজের শীর্ষ প্রতিবেদক স্টুয়ার্ট রামসেকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তিনি।

তার আগে, ট্রাম্প প্রশাসন জেলেনস্কিকে প্রস্তাবে জানিয়েছিল- গত প্রায় ৩ বছরের যুদ্ধে ইউক্রেনের যেসব অঞ্চল রুশ বাহিনী দখল করেছে— সেসব অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ যদি রুশ বাহিনীর হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোট ন্যাটোর সদস্যপদ দেওয়া হবে।

সেই প্রস্তাবই এখন মেনে নেওয়ার কথা ভাবছে জেলেনস্কি। তিনি বলেন, ‘আমরা যদি এই যুদ্ধের সহিংসতা-ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধ করতে চাই এবং ইউক্রেনের যেসব অঞ্চল এখনও আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে— সেসবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই— সেক্ষেত্রে আমাদের ন্যাটোর আশ্রয়ে যাওয়া প্রয়োজন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রথমে ন্যাটোর ছাতার তলায় যেতে চাই। তারপর ইউক্রেনের যেসব অঞ্চল বেদখল হয়েছে, সেগুলো পুনরুদ্ধারে কূটনৈতিক পন্থায় অগ্রসর হতে চাই। আমার মনে হয়— এটা সম্ভব। তবে ইউক্রেনের যেসব অঞ্চল রাশিয়া দখল করেছে, সেগুলোকে আমরা রুশ ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি দিতে পারি না। এটা অসম্ভব এবং ইউক্রেনের সংবিধানবিরোধী।’

এদিকে গত তিন বছরের যুদ্ধে দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, ঝাপোরিজ্জিয়া এবং খেরসন— ইউক্রেনের এই চার প্রদেশের দখল নিয়েছে রুশ বাহিনী। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে চার প্রদেশকে রুশ ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতিও দিয়েছে মস্কো। অন্যদিকে ন্যাটোর পক্ষ থেকে ইউক্রেনকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যুদ্ধ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত ইউক্রেনকে সদস্যপদ দেওয়া সম্ভব নয়।