সংবাদ শিরোনাম ::
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মিলল একাধিক গোপন পথ হামে মেয়ের মৃত্যু, ড. ইউনূসসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন বিদেশি মাকড়সা কিংবা সাপ কেন আনা হচ্ছে বাংলাদেশে? এবার আনিস আলমগীর, সোমা ও পিয়াসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে জিডি বরগুনায় হোমিওপ্যাথি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ইন্টার্ন  চিকিৎসকদের সনদ বিতরন ও বিদায় সংবর্ধনা ব্রাজিল ম্যাচের আগে নরওয়ে শিবিরে বড় ধাক্কা সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ আগে ২৫-২৬ দেশ থেকে জ্বালানি কিনতো ভারত, এখন কেনে ৪০ দেশ থেকে: মোদি ঢাকাসহ ১৪ জেলার জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তরের দুঃসংবাদ প্রান্তিক পর্যায়ের রোগী এখনো সঠিক চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আগে ২৫-২৬ দেশ থেকে জ্বালানি কিনতো ভারত, এখন কেনে ৪০ দেশ থেকে: মোদি

মধ্যপ্রাচ্য সংকটের সময় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ভারত তার আমদানির উৎস উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, “সংকট শুরুর আগে ভারত ২৫-২৬টি দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করলেও পরে সেই সংখ্যা ৪০টিরও বেশি দেশে দাঁড়িয়েছে।

এমনকি চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে ভারতের তেল কোম্পানিগুলো ৭৫ হাজার কোটিরও বেশি রুপি ক্ষতির মুখে পড়েছে বলেও জানিয়েছেন মোদি।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালী ঘিরে সৃষ্ট বিশ্বের অন্যতম বড় জ্বালানি সংকটের সময় ভারতের নাগরিকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ না দিয়েই পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবিলা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন নরেন্দ্র মোদি।

শনিবার রাজস্থানের বালোত্রা জেলার পাচপাদরায় একটি তেল শোধনাগারের উদ্বোধন এবং কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মোদি বলেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে ভারতের তেল কোম্পানিগুলোর ৭৫ হাজার কোটি রুপির বেশি ক্ষতি হয়েছে। তবে সেই চাপ সরকার বহন করেছে।

তিনি বলেন, “আমরা প্রতি লিটারে ১০ রুপি আবগারি শুল্ক কমিয়েছি। ফলে সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়েনি।”

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর দাবি, এ সময় নানা গুজব ছড়ানো হয়েছিল এবং মানুষকে উসকানি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে যারা ভারতের ব্যর্থতা দেখতে চেয়েছিল, তারা সফল হয়নি।

তার ভাষায়, “যারা ভারতের ব্যর্থতা দেখতে চেয়েছিল, তারা নানা ভবিষ্যদ্বাণীও দেওয়া শুরু করেছিল। আজ তারা চরম হতাশায় ডুবে আছে।”

মোদি বলেন, বর্তমানে তেল শোধন সক্ষমতায় ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দেশ এবং এ সক্ষমতা আরও বাড়ানো হচ্ছে।

তিনি আরও দাবি করেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ও সারের সরবরাহে যে সংকট তৈরি হয়েছিল, তা মোকাবিলায় তার সরকারের দীর্ঘমেয়াদি নীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

মোদি বলেন, ব্যক্তি বা রাষ্ট্রের আত্মমর্যাদা তখনই অটুট থাকে, যখন তারা আত্মনির্ভরশীল হয়। তিনি বলেন, বিজেপি সরকার শুধু প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে দায়িত্ব শেষ করে না। আমরা দিন-রাত কাজ করি, যাতে প্রকল্পগুলো সম্পন্ন হয়। সূত্র: এনডিটিভি

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মিলল একাধিক গোপন পথ

আগে ২৫-২৬ দেশ থেকে জ্বালানি কিনতো ভারত, এখন কেনে ৪০ দেশ থেকে: মোদি

আপডেট সময় ১২:৩৫:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্য সংকটের সময় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ভারত তার আমদানির উৎস উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, “সংকট শুরুর আগে ভারত ২৫-২৬টি দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করলেও পরে সেই সংখ্যা ৪০টিরও বেশি দেশে দাঁড়িয়েছে।

এমনকি চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে ভারতের তেল কোম্পানিগুলো ৭৫ হাজার কোটিরও বেশি রুপি ক্ষতির মুখে পড়েছে বলেও জানিয়েছেন মোদি।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালী ঘিরে সৃষ্ট বিশ্বের অন্যতম বড় জ্বালানি সংকটের সময় ভারতের নাগরিকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ না দিয়েই পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবিলা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন নরেন্দ্র মোদি।

শনিবার রাজস্থানের বালোত্রা জেলার পাচপাদরায় একটি তেল শোধনাগারের উদ্বোধন এবং কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মোদি বলেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে ভারতের তেল কোম্পানিগুলোর ৭৫ হাজার কোটি রুপির বেশি ক্ষতি হয়েছে। তবে সেই চাপ সরকার বহন করেছে।

তিনি বলেন, “আমরা প্রতি লিটারে ১০ রুপি আবগারি শুল্ক কমিয়েছি। ফলে সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়েনি।”

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর দাবি, এ সময় নানা গুজব ছড়ানো হয়েছিল এবং মানুষকে উসকানি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে যারা ভারতের ব্যর্থতা দেখতে চেয়েছিল, তারা সফল হয়নি।

তার ভাষায়, “যারা ভারতের ব্যর্থতা দেখতে চেয়েছিল, তারা নানা ভবিষ্যদ্বাণীও দেওয়া শুরু করেছিল। আজ তারা চরম হতাশায় ডুবে আছে।”

মোদি বলেন, বর্তমানে তেল শোধন সক্ষমতায় ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দেশ এবং এ সক্ষমতা আরও বাড়ানো হচ্ছে।

তিনি আরও দাবি করেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ও সারের সরবরাহে যে সংকট তৈরি হয়েছিল, তা মোকাবিলায় তার সরকারের দীর্ঘমেয়াদি নীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

মোদি বলেন, ব্যক্তি বা রাষ্ট্রের আত্মমর্যাদা তখনই অটুট থাকে, যখন তারা আত্মনির্ভরশীল হয়। তিনি বলেন, বিজেপি সরকার শুধু প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে দায়িত্ব শেষ করে না। আমরা দিন-রাত কাজ করি, যাতে প্রকল্পগুলো সম্পন্ন হয়। সূত্র: এনডিটিভি