ঢাকা ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কিসমত-জাফরাবাদ আবাসন প্রকল্পে ভয়াবহ দুর্নীতি : ১১৫ পরিবারের স্বপ্নভঙ্গ টাইফুনের প্রভাবে বিপর্যস্ত জাপান, ১৯ লাখ মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ফ্যাসিস্ট আমলে সরকারপ্রধানের সফরে কোটি কোটি টাকা খরচ করা হতো: রিজভী শাহজালালে বিমানের ফ্লাইট থেকে শতাধিক স্বর্ণবার জব্দ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদের নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইতালির স্কুলে নিষিদ্ধ হচ্ছে বোরকা, কমানো হবে বিদেশি শিক্ষার্থীও : মেলোনি আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ঠেকাতে অতন্দ্র প্রহরীর মতো মাঠে থাকব: হারুন অর রশিদ ‘তেল দে, গ্যাস দে, নয়তো গদি ছেড়ে দে’ স্লোগানে জামায়াতের বিক্ষোভ বিএনপি কোনো খুচরা দল নয়, জনগণের দল : আবদুস সালাম

‘অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি করতে হবে : শিল্পমন্ত্রী

জাতীয় অর্থনীতিতে কুটির, অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি পর্যায়ে উন্নীত করতে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক)-এর কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সিএমএসএমই খাতকে আরো শক্তিশালী করতে হবে।

আজ রবিবার রাজধানীর বিসিক ভবনে বিসিক বর্ষা মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন।
মন্ত্রী বলেন, বিসিক শিল্পনগরীগুলো বর্তমানে জাতীয় অর্থনীতিতে বছরে প্রায় ৬৫ হাজার কোটি টাকা অবদান রাখছে। তবে, দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার তুলনায় এ উৎপাদন এখনো সন্তোষজনক নয়।

তিনি ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, ওই দেশগুলোতে সিএমএসএমই খাত অর্থনীতিতে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশের বেশি অবদান রাখছে। বাংলাদেশেও এ খাতের অংশীদারিত্ব ৬০ শতাংশের বেশি উন্নীত করা গেলে আয় বৈষম্য কমবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ আরও বাড়বে।

শিল্পমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত বা পরিত্যক্ত শিল্প প্লট দ্রুত চিহ্নিত করে সেগুলো পুনরুদ্ধার এবং উৎপাদনমুখী উদ্যোক্তাদের কাছে পুনর্বণ্টনের জন্য জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, অব্যবহৃত শিল্প সম্পদ উৎপাদনে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে জেলা কর্মকর্তাদের সাফল্যই তাদের কর্মদক্ষতা মূল্যায়নের অন্যতম প্রধান সূচক হবে।

ভবিষ্যৎ শিল্পায়নের প্রসারে যেসব শিল্পনগরীর জমি পুরোপুরি ব্যবহৃত হয়েছে, সেগুলো সম্প্রসারণ এবং চাহিদাসম্পন্ন এলাকায় নতুন শিল্পনগরী স্থাপনের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনার ঘোষণা দেন মন্ত্রী।

দীর্ঘদিনের বিলম্বিত প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত শেষ করার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, ‘সবুজ পাতা’ প্রকল্পের আওতায় নতুন উদ্যোগগুলো চলতি বছরের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হবে।

কৃষিভিত্তিক শিল্প ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিংকে আঞ্চলিক শিল্পায়নের অগ্রাধিকার খাত হিসেবে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিজ নিজ জেলার শিল্প সম্ভাবনার ভিত্তিতে এক সপ্তাহের মধ্যে বিস্তারিত সুপারিশ জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, এসব প্রস্তাব পরবর্তী সপ্তাহে জেলা ও শিল্পভিত্তিক বৈঠকে আলোচনা করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, সিএমএসএমই খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি উন্নীত করা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে সরকারের সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিসমত-জাফরাবাদ আবাসন প্রকল্পে ভয়াবহ দুর্নীতি : ১১৫ পরিবারের স্বপ্নভঙ্গ

‘অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি করতে হবে : শিল্পমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:৪৪:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

জাতীয় অর্থনীতিতে কুটির, অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি পর্যায়ে উন্নীত করতে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক)-এর কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সিএমএসএমই খাতকে আরো শক্তিশালী করতে হবে।

আজ রবিবার রাজধানীর বিসিক ভবনে বিসিক বর্ষা মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন।
মন্ত্রী বলেন, বিসিক শিল্পনগরীগুলো বর্তমানে জাতীয় অর্থনীতিতে বছরে প্রায় ৬৫ হাজার কোটি টাকা অবদান রাখছে। তবে, দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার তুলনায় এ উৎপাদন এখনো সন্তোষজনক নয়।

তিনি ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, ওই দেশগুলোতে সিএমএসএমই খাত অর্থনীতিতে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশের বেশি অবদান রাখছে। বাংলাদেশেও এ খাতের অংশীদারিত্ব ৬০ শতাংশের বেশি উন্নীত করা গেলে আয় বৈষম্য কমবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ আরও বাড়বে।

শিল্পমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত বা পরিত্যক্ত শিল্প প্লট দ্রুত চিহ্নিত করে সেগুলো পুনরুদ্ধার এবং উৎপাদনমুখী উদ্যোক্তাদের কাছে পুনর্বণ্টনের জন্য জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, অব্যবহৃত শিল্প সম্পদ উৎপাদনে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে জেলা কর্মকর্তাদের সাফল্যই তাদের কর্মদক্ষতা মূল্যায়নের অন্যতম প্রধান সূচক হবে।

ভবিষ্যৎ শিল্পায়নের প্রসারে যেসব শিল্পনগরীর জমি পুরোপুরি ব্যবহৃত হয়েছে, সেগুলো সম্প্রসারণ এবং চাহিদাসম্পন্ন এলাকায় নতুন শিল্পনগরী স্থাপনের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনার ঘোষণা দেন মন্ত্রী।

দীর্ঘদিনের বিলম্বিত প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত শেষ করার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, ‘সবুজ পাতা’ প্রকল্পের আওতায় নতুন উদ্যোগগুলো চলতি বছরের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হবে।

কৃষিভিত্তিক শিল্প ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিংকে আঞ্চলিক শিল্পায়নের অগ্রাধিকার খাত হিসেবে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিজ নিজ জেলার শিল্প সম্ভাবনার ভিত্তিতে এক সপ্তাহের মধ্যে বিস্তারিত সুপারিশ জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, এসব প্রস্তাব পরবর্তী সপ্তাহে জেলা ও শিল্পভিত্তিক বৈঠকে আলোচনা করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, সিএমএসএমই খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি উন্নীত করা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে সরকারের সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।