গতিশীল জীবনযাত্রায় নারী এখন পুরুষের চেয়েও কোনো অংশে কম নয়। শিক্ষাক্ষেত্র থেকে কর্মক্ষেত্র, ব্যবসা থেকে রাজনৈতিক-সব জায়গায় পুরুষের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলেছেন নারী। ‘নারী’ শক্তি নারী ‘সৃষ্টি’। এ নামকে আরও বেশি শ্রদ্ধা ও যুগোপযোগী করতে ‘মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়’ নামের ‘মহিলা’ শব্দের পরিবর্তে ‘নারী’ সংযুক্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এ মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তর’ ও ‘জাতীয় মহিলা সংস্থা’ দুটির নামের মধ্য থেকে ‘মহিলা’ শব্দ পরিবর্তন করে ‘নারী’ সংযুক্ত করা হচ্ছে। সম্প্রতি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় নাম পরিবর্তন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু বলেন, ‘নারী’ নামেই বিভিন্ন দেশি ও আন্তর্জাতিক দিবসগুলো পালিত হচ্ছে। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় যে উদ্যোগ নিয়েছে-মহিলা শব্দটি পরিবর্তন করে নারী যুক্ত করার, তা নিশ্চয় প্রশংসনীয়। আমরাও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আপনাদের সংগঠনের ‘মহিলা’ শব্দটি পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ মুহূর্তে না।
আমাদের সংগঠনটি বহু পুরোনো। এর সঙ্গে বহু ঐতিহ্য জড়িয়ে আছে। তবে বিষয়টি নিয়ে আমরা আলোচনা করব। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (প্রশাসন অধিশাখা) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন যুগান্তরকে বলেন, আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যেই নাম পরিবর্তনের বিষয়টি বাস্তবায়ন হবে। জানা যায়, কয়েক যুগ ধরে ‘নারী’ শব্দটি বিভিন্ন জায়গায় বহু ব্যবহৃত হচ্ছে। যেমন: আন্তর্জাতিক নারী দিবস, জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১, নারীবিষয়ক অন্যান্য আইন, বিধিমালা ও নীতিমালায় এবং দেশে-বিদেশে সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সব ক্ষেত্রে ‘মহিলা’ শব্দটি পরিবর্তে বরং ‘নারী’ শব্দটি ব্যবহৃত হচ্ছে বেশি।
তাছাড়া স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানের ১৯, ২৭, ২৮ এবং ২৯নং অনুচ্ছেদে নারীর রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রসহ অন্য সব ক্ষেত্রে নারীর সম-অধিকার, সমসুযোগ ও ক্ষমতায়নের বিষয়গুলো সন্নিবেশিত।
আমাদের মার্তৃভূমি ডেস্ক : 





















