চট্টগ্রামের পদ্ধা অয়েল কোম্পানির গ্রেজার বখতিয়ার মিয়ার বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি সহ গোটা অয়েল কোম্পানি লোপাটের সুস্পষ্ট তথ্য পাওয়া গেছে।বখতিয়ার ১৯৮৭ ইং সনে পদ্ধা অয়েল কোম্পানিতে পিয়ন হিসেবে যোগদান করে,পরবর্তীতে তাকে এবিয়েশন বিমানে তৈল সরবরাহের কাজে ঢাকায় বদলী করা হয়।এরপর গ্রেজার হিসেবে পদোন্নতি পেয়েই রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছে। এদিকে দুর্নীতি আর অনিয়ম পাকাপোক্ত করতে মোটা অংকের ঘুষ দিয়ে মরিয়া হয়ে উঠে বড় পদোন্নতির আশায়।হয় তার পদোন্নতি, এবার গ্রেজার হতে পদোন্নতি নিয়ে ১৯৯৪ সালে ট্যাং ফার্মের সুপারভাইজার হয়।সুপারভাইজার হয়েই কোম্পানির এমডি আব্দুস সোবহানের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় চোরাইপথে হাজার হাজার ব্যাড়েল তৈল পাচারের মাধ্যমে হাতিয়ে নেয় কোটি কোটি টাকা। দৈনিক আমাদের মাতৃভূমির অনুসন্ধানে এমন তথ্য নিশ্চিত করা গেছে।
অনুসন্ধানে বেড়িয়ে এসেছে বখতিয়ার সহ তার থলের বিড়াল একমাত্র মেয়ের জামাই লায়ন মোহাম্মদ ইলিয়াস যিনি সিটি করপোরেশন ২৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছিলো। সম্প্রতি দেশে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ইলিয়াস ছাত্রদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে নিজেকে লুকিয়ে আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে গেছে বলে একটি মহল নিশ্চিত করেছে।এদিকে লায়ন ইলিয়াস গাঁ ঢাকা দিলেও অবৈধ সম্পদের পাহাড় আগলে রেখেছে তার আপন ছোট ভাই ইকবাল ও নিকটাত্মীয়রা।এলাকাবাসী জানিয়েছে, শশুর বখতিয়ারের অবৈধ সম্পদ রক্ষার্থে জামাই লায়ন মোহাম্মদ ইলিয়াস গড়ে তুলেছে এক বিশাল সন্ত্রাসী বাহিনী। কেউ তাদের বিরুদ্ধে কথা বললেই হতে হয় হামলা ও মামলার স্বীকার।কোন সাধারণ মানুষ তাদের ভয়ে কথা না বললেও এখন প্রকাশ্যেই এসেছে অনেকে।এলাকার সচেতন মহল জানিয়েছেন, বখতিয়ারের অবৈধ সম্পদের পাহাড় পদ্ধা অয়েল কোম্পানি হতেই। চাকরির শুরু হতেই ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে সম্পদের পাহাড় বানিয়েছেন তিনি।তাকে সহযোগিতা করতো পদ্ধা অয়েল কোম্পানির দায়িত্বরত অসাধু বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা। এবার অনুসন্ধান চালিয়ে খোঁজ মিললো বখতিয়ারের সম্পদ ও বাড়ী-গাড়ীর।
সম্পদের বিবরনী অসংখ্য, প্রাথমিক অনুসন্ধানে বেড়িয়ে এসেছে যোল শতক জমির উপর সেমিপাকা বাড়ী উত্তর হালিশহর,বড়পোল ব্যারিষ্টার হালিশহরে ৮ কাঠা জমির উপর ১০ তলা ভবনের কাজ চলমান,হালিশহর থানার উত্তর হালিশহর মইন্যাপাড়া এলাকায় ৮ কাঠা জমির উপর ৫ তলা ভবন নির্মিত। হালিশহর বিডিআর খালের পাসে ৪৫ কাঠা জমির উপর সেমিপাকা বাড়ী, উত্তর হালিশহর মইন্যা পাড়া মাজার গলিতে সেমিপাকা বাড়ী যাহা প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত আলীশান বাড়ী রয়েছে বখতিয়ার জামাই লায়ন ইলিয়াসের।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়,দুর্নীতি দমন কমিশন সহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অসাধু কর্মকর্তাকে ম্যানেস করে অবৈধ এই সম্পদ টিকিয়ে রেখেছে বখতিয়ার ও তার জামাই ইলিয়াস।এলাকাবাসী সহ সচেতন মহল বখতিয়ারের সকল অবৈধ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে সরকারের নিকট হস্তান্তরের জোরালো দাবি জানান।
পরবর্তী পর্বে থাকছে আরও বিস্তারিত…
আমাদের মার্তৃভূমি ডেস্ক : 
























