ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বায়ুদূষণ রোধে ৫০৬ কোটি টাকার প্রকল্প, পরামর্শকের পকেটে ৬০ কোটি চিকিৎসাসেবায় পরিবর্তনের ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর, আসছে ৫ রোবটিক সার্জারি মেশিন ক্যানসারে প্রাণ হারালেন মডেল-অভিনেত্রী তুলনা পীরগঞ্জে করতোয়া নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন, লাখ টাকা জরিমানা চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম দুলালের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের বিস্তর অভিযোগ রাষ্ট্রদূতকে ফিরিয়ে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একান্ত সিদ্ধান্ত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ‘মামলা না তুললে লাশ ফেলে দেব’, এজেআর কুরিয়ারের মামলার বাদীকে হুমকি রাজশাহীতে রাস্তা দখল নিয়ে সংঘর্ষ, সংবাদকর্মীর স্ত্রী টুম্পাসহ আহত ৩ কালু-আকবর গংদের বিরুদ্ধে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ গোপালগঞ্জে সরকারি স্কুলে ভর্তি বাণিজ্যের অভিযোগ প্রধান শিক্ষক মোস্তাইন বিল্লাহর বিরুদ্ধে

কোটা নিয়ে সিদ্ধান্ত জানাল আপিল বিভাগ

কোটা নিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায় এক মাসের জন্য স্থিতিবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছেন সুপ্রিমকোর্টে আপিল বিভাগ।

বুধবার (১০ জুলাই) বেলা পৌনে ১২টার দিকে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

এর আগে সকাল ১০টায় শুনানি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সময় পরিবর্তন করে বেলা সাড়ে ১১টায় শুনানির সময় ধার্য্য করেন আপিল বিভাগ।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার কোটা নিয়ে রিটকারী পক্ষ নতুন আইনজীবী নিয়োগ করে বিশেষ চেম্বার আদালতে শুনানির আবেদন করে। পরে চেম্বার বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম শুনানির জন্যে আজকের দিন ধার্য করেন। যেহেতু এখনও পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ পায়নি সে হিসেবে বিশেষভাবে চেম্বার আদালত এ আদেশ দেন।

গত বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ চেম্বার আদালত এ বিষয়ে শুনানি মুলতবি করেন।

সেদিন আরজির পরিপ্রেক্ষিতে মুলতবিতে আপিল বিভাগ ‘নট টুডে’ (আজ নয়) বলে আদেশ দিয়েছিলেন।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে পাঁচ বছর আগে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরির নিয়োগে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে গত ৫ জুন রায় দেন হাইকোর্ট। এ রায়ের ফলে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা ফিরে আসে।

পরে এ রায় স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। কিন্তু গত ৯ জুন প্রাথমিক শুনানির পর আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠানো হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে কোটা পদ্ধতি বাতিল করার আগ পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে নিয়োগে ৫৬ শতাংশ পদ বিভিন্ন কোটার জন্য সংরক্ষণ করা হতো। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ছিল ৩০ শতাংশ, নারী ১০ শতাংশ, জেলা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ৫ শতাংশ, প্রতিবন্ধী ১ শতাংশ কোটা।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বায়ুদূষণ রোধে ৫০৬ কোটি টাকার প্রকল্প, পরামর্শকের পকেটে ৬০ কোটি

কোটা নিয়ে সিদ্ধান্ত জানাল আপিল বিভাগ

আপডেট সময় ১২:১৬:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪

কোটা নিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায় এক মাসের জন্য স্থিতিবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছেন সুপ্রিমকোর্টে আপিল বিভাগ।

বুধবার (১০ জুলাই) বেলা পৌনে ১২টার দিকে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

এর আগে সকাল ১০টায় শুনানি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সময় পরিবর্তন করে বেলা সাড়ে ১১টায় শুনানির সময় ধার্য্য করেন আপিল বিভাগ।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার কোটা নিয়ে রিটকারী পক্ষ নতুন আইনজীবী নিয়োগ করে বিশেষ চেম্বার আদালতে শুনানির আবেদন করে। পরে চেম্বার বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম শুনানির জন্যে আজকের দিন ধার্য করেন। যেহেতু এখনও পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ পায়নি সে হিসেবে বিশেষভাবে চেম্বার আদালত এ আদেশ দেন।

গত বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ চেম্বার আদালত এ বিষয়ে শুনানি মুলতবি করেন।

সেদিন আরজির পরিপ্রেক্ষিতে মুলতবিতে আপিল বিভাগ ‘নট টুডে’ (আজ নয়) বলে আদেশ দিয়েছিলেন।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে পাঁচ বছর আগে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরির নিয়োগে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে গত ৫ জুন রায় দেন হাইকোর্ট। এ রায়ের ফলে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা ফিরে আসে।

পরে এ রায় স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। কিন্তু গত ৯ জুন প্রাথমিক শুনানির পর আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠানো হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে কোটা পদ্ধতি বাতিল করার আগ পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে নিয়োগে ৫৬ শতাংশ পদ বিভিন্ন কোটার জন্য সংরক্ষণ করা হতো। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ছিল ৩০ শতাংশ, নারী ১০ শতাংশ, জেলা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ৫ শতাংশ, প্রতিবন্ধী ১ শতাংশ কোটা।