ঢাকা ১২:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জের সম্প্রীতির ঐতিহ্য বজায় রাখতে হবে: ড. মঈন খান সওজের প্রকৌশলী শাহনুর রশিদকে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ রাজপথে নতুন নাটক শুরু করেছে বিরোধী দল: রিজভী পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমির দ্বন্দ্বে যুবদল নেতা খুন: পুলিশ সুপার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক পিআইও ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা ময়লার বিল থেকে বছরে ৩১৭ কোটি টাকা আদায়, সিটি করপোরেশন পায় ১২ কোটি-বাকি টাকা যায় কোথায়? সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড আমাদের জন্য বড় শিক্ষা: শামা ওবায়েদ কালিয়াকৈরে ইবনে সিনার কারখানায় আগুন, ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের ৬ ইউনিট গুলশানের ‘জার্মান ক্লাবে’ অভিযানে ২৪৪ লিটার মদ-বিয়ার জব্দ

গণপূর্ত অধিদপ্তরের পবিত্র’র যত অপবিত্র কর্ম

পবিত্র চন্দ্র দাস, গণপূর্ত অধিদপ্তরের একজন নির্বাহী প্রকৌশলী কিন্তু তার কাজের সাথে নামের ফারাক যেন আকাশ পাতাল। নাম পবিত্র হলেও অনিয়ম ও দুর্নীতির তিনি যেন এক ‘মাস্টারমাইন্ড’ ।

দরপত্রে অনিয়ম, কাজের আগে বিল পরিশোধ, দির্ঘদিন ধরে প্রাইজপোস্টিং প্লেস অর্থাৎ ঢাকায় পদায়ন, একসঙ্গে দুই সংস্থায় চাকরি এবং চাকরিচ্যুত হওয়ার পর পুনরায় চাকরিতে ফেরার মতো ঘটনা ঘটছে গণপূর্ত অধিদপ্তরে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রথমে ঢাকঢোল পিটিয়ে তদন্ত শুরু হলেও পরে সব মিটমাট হয়ে যায়। ফলে অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়া প্রকৌশলীদের আর শাস্তি পেতে হয় না।

অনুসন্ধানে অধিদপ্তরটির এক নির্বাহী প্রকৌশলীর বেশ কিছু অপকর্মের তথ্য বেরিয়ে এসেছে। বলছি গণপূর্ত বিভাগ-৬ এর ই/এম বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পবিত্র কুমার দাস এর কথা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, চাকরিজীবনে বেশির ভাগ সময় পবিত্র কাটিয়েছেন ঢাকায়। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এর উন্নয়ন প্রকল্প, পুলিশ ও র‍্যাবের উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যপক দুর্নীতি করেছেন তিনি।

বিলে নয়-ছয়, কমিশনের বিনিময়ে পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ায় সিদ্ধহস্ত তিনি। এরই মধ্যে দুইটি কাজে তার এহেন অপকর্মের প্রমাণ মিলেছে তার বিরুদ্ধে।

শুধু তাই নয় গণমাধ্যমকে ম্যানেজ করার জন্যও রয়েছে তার বিশ্বস্ত লোক, যিনি গণপূর্ত অধিদপ্তরেই কর্মরত।

পবিত্রর রয়েছে একটি শক্ত সিন্ডিকেট। যার মাধ্যমে বদলি বানিজ্য করে বাগিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।

এই প্রসঙ্গে গণপূর্ত অধিদপ্তরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, তার কিছুই হবে না। সে আশির্বাদপ্রাপ্ত।

আরেকটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, পবিত্র কুমার দাস দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ নামে বেনামে বিনিয়োগের পাশাপাশি হুন্ডির মাধ্যমে পাশের দেশ ভারতেও বিশাল অংকে পাচার করেছেন।

উপরোক্ত বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী পবিত্রকে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন তিনি রিসিভ করেননি। মুঠ ফোনে হতে পারতো পাঠালেও কোন প্রকার উত্তর দেননি।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী

গণপূর্ত অধিদপ্তরের পবিত্র’র যত অপবিত্র কর্ম

আপডেট সময় ০৩:৪৩:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪

পবিত্র চন্দ্র দাস, গণপূর্ত অধিদপ্তরের একজন নির্বাহী প্রকৌশলী কিন্তু তার কাজের সাথে নামের ফারাক যেন আকাশ পাতাল। নাম পবিত্র হলেও অনিয়ম ও দুর্নীতির তিনি যেন এক ‘মাস্টারমাইন্ড’ ।

দরপত্রে অনিয়ম, কাজের আগে বিল পরিশোধ, দির্ঘদিন ধরে প্রাইজপোস্টিং প্লেস অর্থাৎ ঢাকায় পদায়ন, একসঙ্গে দুই সংস্থায় চাকরি এবং চাকরিচ্যুত হওয়ার পর পুনরায় চাকরিতে ফেরার মতো ঘটনা ঘটছে গণপূর্ত অধিদপ্তরে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রথমে ঢাকঢোল পিটিয়ে তদন্ত শুরু হলেও পরে সব মিটমাট হয়ে যায়। ফলে অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়া প্রকৌশলীদের আর শাস্তি পেতে হয় না।

অনুসন্ধানে অধিদপ্তরটির এক নির্বাহী প্রকৌশলীর বেশ কিছু অপকর্মের তথ্য বেরিয়ে এসেছে। বলছি গণপূর্ত বিভাগ-৬ এর ই/এম বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পবিত্র কুমার দাস এর কথা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, চাকরিজীবনে বেশির ভাগ সময় পবিত্র কাটিয়েছেন ঢাকায়। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এর উন্নয়ন প্রকল্প, পুলিশ ও র‍্যাবের উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যপক দুর্নীতি করেছেন তিনি।

বিলে নয়-ছয়, কমিশনের বিনিময়ে পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ায় সিদ্ধহস্ত তিনি। এরই মধ্যে দুইটি কাজে তার এহেন অপকর্মের প্রমাণ মিলেছে তার বিরুদ্ধে।

শুধু তাই নয় গণমাধ্যমকে ম্যানেজ করার জন্যও রয়েছে তার বিশ্বস্ত লোক, যিনি গণপূর্ত অধিদপ্তরেই কর্মরত।

পবিত্রর রয়েছে একটি শক্ত সিন্ডিকেট। যার মাধ্যমে বদলি বানিজ্য করে বাগিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।

এই প্রসঙ্গে গণপূর্ত অধিদপ্তরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, তার কিছুই হবে না। সে আশির্বাদপ্রাপ্ত।

আরেকটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, পবিত্র কুমার দাস দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ নামে বেনামে বিনিয়োগের পাশাপাশি হুন্ডির মাধ্যমে পাশের দেশ ভারতেও বিশাল অংকে পাচার করেছেন।

উপরোক্ত বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী পবিত্রকে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন তিনি রিসিভ করেননি। মুঠ ফোনে হতে পারতো পাঠালেও কোন প্রকার উত্তর দেননি।