ঢাকা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জামালপুরে ১০ বছরেও শুরু হয়নি ৫০০ শয্যার হাসপাতাল ভবনের নির্মাণকাজ নেত্রকোণায় দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে নারী নিহত, আহত ২০ জঙ্গলে ২৭ বছর কাটিয়ে দেশে ফিরলেন নি‌খোঁজ মালয়েশিয়া প্রবাসী উল্টো পথে আসা পিকআপে অটোরিকশায় ধাক্কা, অন্তঃসত্ত্বাসহ আহত ৭ এনসিপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ‘রাজনৈতিক পর্ষদ’ সদস্য হলেন ২ এমপি গুম-নির্যাতের পেছনে দায়ী শেখ হাসিনা : জেরায় সাক্ষী পটুয়াখালীতে এসএসসি-সমমান পরীক্ষায় ৫৩৩ জন অনুপস্থিত বাংলাদেশি জাহাজকে কেন হরমুজ প্রণালি পার হতে দিচ্ছে না ইরান? অপতথ্যের বিস্তার রোধে ইউনেস্কোর সহযোগিতা চাইলেন তথ্যমন্ত্রী ঢাকায় মা‌র্কিন রাষ্ট্রদূ‌তের ১০০ দিন : বাণিজ্য চুক্তিকে বললেন ‘ঐতিহাসিক’

সুনামগঞ্জের নদ-নদীতে বাড়ছে পানি, ফের বন্যার শঙ্কা

বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের নদ-নদীর পানি বেড়েছে। ফের বন্যার আশঙ্কায় জেলার নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দারা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৭০ মিলিমিটার ও পার্শ্ববর্তী সীমান্ত এলাকা চেরাপুঞ্জিতে ৩১৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হওয়ায় নদ-নদীতে পানি বাড়তে শুরু করেছে। আগামী তিনদিন জেলায় ভারি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টি হতে পারে। উজানে অর্থাৎ মেঘালয় চেরাপুঞ্জিতেও বৃষ্টি হওয়ায় সুনামগঞ্জে নদীর পানি বৃদ্ধি পাবে। একইসঙ্গে নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

সোমবার দুপুর ১২টায় সুনামগঞ্জ পৌরশহরের ষোলঘর পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে দেখা যায়। এছাড়া যাদুকাটা নদীর পানি শক্তিয়ারখলা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৭০ সেন্টিমিটার ও সুরমা নদীর ছাতক পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানায় পাউবো।

এতে পাহাড়ের পাদদেশের নিচু এলাকায় পানি ঢুকতে শুরু করেছে। পর্যটন এলাকা তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়কের ডুবন্ত সড়ক (সাব মার্জিবল) আবার তলিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। যাত্রী ও এলাকাবাসীর চলাচলে ব্যবহার হচ্ছে নৌকা। সুনামগঞ্জ শহরের সুরমা তীরবর্তী তেঘরিয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুল অদুদ বলেন, সড়কে পানি উঠে গেছে। বাড়িতে পানি উঠতে আর সামান্য বাকি। সুনামগঞ্জের সুরমা তীরবর্তী বসতিগুলোতে বন্যা আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, জেলায় বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় জেলার দুটি নদীর ৩টি পয়েন্টে পানি বেড়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢল অব্যাহত থাকলে জেলাব্যাপী স্বল্প মেয়াদি বন্যা হতে পারে। তবে বৃষ্টিপাত বন্ধ হয়ে গেলে পরিস্থিতি দ্রুত উন্নতি হবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে ১০ বছরেও শুরু হয়নি ৫০০ শয্যার হাসপাতাল ভবনের নির্মাণকাজ

সুনামগঞ্জের নদ-নদীতে বাড়ছে পানি, ফের বন্যার শঙ্কা

আপডেট সময় ১০:৪২:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪

বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের নদ-নদীর পানি বেড়েছে। ফের বন্যার আশঙ্কায় জেলার নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দারা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৭০ মিলিমিটার ও পার্শ্ববর্তী সীমান্ত এলাকা চেরাপুঞ্জিতে ৩১৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হওয়ায় নদ-নদীতে পানি বাড়তে শুরু করেছে। আগামী তিনদিন জেলায় ভারি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টি হতে পারে। উজানে অর্থাৎ মেঘালয় চেরাপুঞ্জিতেও বৃষ্টি হওয়ায় সুনামগঞ্জে নদীর পানি বৃদ্ধি পাবে। একইসঙ্গে নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

সোমবার দুপুর ১২টায় সুনামগঞ্জ পৌরশহরের ষোলঘর পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে দেখা যায়। এছাড়া যাদুকাটা নদীর পানি শক্তিয়ারখলা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৭০ সেন্টিমিটার ও সুরমা নদীর ছাতক পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানায় পাউবো।

এতে পাহাড়ের পাদদেশের নিচু এলাকায় পানি ঢুকতে শুরু করেছে। পর্যটন এলাকা তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়কের ডুবন্ত সড়ক (সাব মার্জিবল) আবার তলিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। যাত্রী ও এলাকাবাসীর চলাচলে ব্যবহার হচ্ছে নৌকা। সুনামগঞ্জ শহরের সুরমা তীরবর্তী তেঘরিয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুল অদুদ বলেন, সড়কে পানি উঠে গেছে। বাড়িতে পানি উঠতে আর সামান্য বাকি। সুনামগঞ্জের সুরমা তীরবর্তী বসতিগুলোতে বন্যা আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, জেলায় বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় জেলার দুটি নদীর ৩টি পয়েন্টে পানি বেড়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢল অব্যাহত থাকলে জেলাব্যাপী স্বল্প মেয়াদি বন্যা হতে পারে। তবে বৃষ্টিপাত বন্ধ হয়ে গেলে পরিস্থিতি দ্রুত উন্নতি হবে।