ঢাকা ১২:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ র‍্যাবের নাম বদলে আসছে এসআরবি অফিস টাইমে ক্লিনিকে রোগী দেখছিলেন সরকারি চিকিৎসক, লাইসেন্স বাতিল ও বরখাস্তের নির্দেশ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ১২ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ফ্যাসিবাদের কালো ছায়া সংস্কৃতির মাধ্যমে বিদায় করতে হবে : শফিকুর রহমান আ.লীগের কার্যক্রম নিয়ে ভারতকে কড়া বার্তা শামা ওবায়েদের  কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪ গ্রেপ্তার, উদ্ধার এক ভিকটিম ব্রাহ্মণপাড়ায় নবাগত ইউএনওর সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় কালিহাতীতে ২১৯ বোতল ফেন্সিডিলসহ রাজশাহীর শীর্ষ মাদককারবারি গ্রেপ্তার বড়লেখায় গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

মৌলিক আইন বাংলায় অনুবাদ করতে ৫ সদস্যের কমিটি করে দিলেন হাইকোর্ট

দেশের মৌলিক আইনগুলো বাংলায় অনুবাদ করতে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত রিটের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

পাঁচ সদস্যের কমিটিতে আইন মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি, আইন কমিশনের একজন প্রতিনিধি, বাংলা একাডেমির একজন প্রতিনিধি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের একজন প্রতিনিধি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের একজন প্রতিনিধি রাখতে বলা হয়েছে। কমিটিকে আগামী ২৯ আগস্টের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশ গুপ্ত।

এর আগে সুপ্রিমকোর্টের ১০ আইনজীবীর রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২২ সালের ১৪ মার্চ রুল জারি করে কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। তবে নির্দেশের পরও কমিটি গঠন না হওয়ায় আজ কমিটি করে দেন আদালত।

আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, মৌলিক আইনের নির্ভরযোগ্য কোনো বাংলা পাঠ নেই। এসব আইন ব্রিটিশ আমলে তৈরি করা। এ জন্য আইনগুলোর বাংলা পাঠ তৈরি করতে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রিটের আগে ১০ আইনজীবী নোটিশ দিয়েছিলেন। তারা হলেন—মোস্তাফিজুর রহমান, মীর ওসমান বিন নাসিম, আসাদ উদ্দিন, মোহা. মুজাহিদুল ইসলাম, জোবায়েদুর রহমান, আব্দুস সবুর দেওয়ান, আল রেজা মো. আমির, আব্দুল্লাহ হিল মারুফ ফাহিম, জিএম মুজাহিদুর রহমান ও জহিরুল ইসলাম।

যেসব মৌলিক আইনের বাংলা অনুবাদ করা হবে, সেগুলো হলো—দণ্ডবিধি-১৮৬০, সাক্ষ্য আইন-১৯৭২, চুক্তি আইন-১৮৭২, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-১৮৭৭, সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট-১৮৮৭, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন-১৮৮২, ফৌজদারি কার্যবিধি-১৮৯৮, দেওয়ানি কার্যবিধি-১৯০৮ এবং তামাদি আইন-১৯০৮।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ

মৌলিক আইন বাংলায় অনুবাদ করতে ৫ সদস্যের কমিটি করে দিলেন হাইকোর্ট

আপডেট সময় ০৭:৪২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

দেশের মৌলিক আইনগুলো বাংলায় অনুবাদ করতে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত রিটের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

পাঁচ সদস্যের কমিটিতে আইন মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি, আইন কমিশনের একজন প্রতিনিধি, বাংলা একাডেমির একজন প্রতিনিধি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের একজন প্রতিনিধি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের একজন প্রতিনিধি রাখতে বলা হয়েছে। কমিটিকে আগামী ২৯ আগস্টের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশ গুপ্ত।

এর আগে সুপ্রিমকোর্টের ১০ আইনজীবীর রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২২ সালের ১৪ মার্চ রুল জারি করে কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। তবে নির্দেশের পরও কমিটি গঠন না হওয়ায় আজ কমিটি করে দেন আদালত।

আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, মৌলিক আইনের নির্ভরযোগ্য কোনো বাংলা পাঠ নেই। এসব আইন ব্রিটিশ আমলে তৈরি করা। এ জন্য আইনগুলোর বাংলা পাঠ তৈরি করতে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রিটের আগে ১০ আইনজীবী নোটিশ দিয়েছিলেন। তারা হলেন—মোস্তাফিজুর রহমান, মীর ওসমান বিন নাসিম, আসাদ উদ্দিন, মোহা. মুজাহিদুল ইসলাম, জোবায়েদুর রহমান, আব্দুস সবুর দেওয়ান, আল রেজা মো. আমির, আব্দুল্লাহ হিল মারুফ ফাহিম, জিএম মুজাহিদুর রহমান ও জহিরুল ইসলাম।

যেসব মৌলিক আইনের বাংলা অনুবাদ করা হবে, সেগুলো হলো—দণ্ডবিধি-১৮৬০, সাক্ষ্য আইন-১৯৭২, চুক্তি আইন-১৮৭২, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-১৮৭৭, সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট-১৮৮৭, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন-১৮৮২, ফৌজদারি কার্যবিধি-১৮৯৮, দেওয়ানি কার্যবিধি-১৯০৮ এবং তামাদি আইন-১৯০৮।