ঢাকা ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মির্জাপুরে বেগম রোকেয়া দিবসে ৫ অদম্য নারীকে সম্মাননা সিলেটে আইফোনের জন্য শ্বাসরোধে যুবককে হত্যা ফিরেছেন কামিন্স, অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট স্কোয়াডে আরও যারা ট্রাম্পকে শান্তি পুরস্কার দিয়ে তদন্তের মুখে পড়ছেন ফিফা সভাপতি ‎ নির্বাচিত হলে হরিপুর উপজেলা থেকেই উন্নয়ন শুরু – মাওলানা আব্দুল হাকিম ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে কাভার্ডভ্যানের চাপায় নিহত ২ চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে এনসিপির প্রার্থী মোল্লা ফারুক এহসান খুনি হাসিনা শতশত ছাত্র জনতা কে হত্যা করে দেশ থেকে পালিয়ে গেছে – শিবির সভাপতি জাহিদুল জনগণ এখন ইসলামী নেতৃত্ব চায় : ফয়জুল করিম জামাল ভূঁইয়ার কাছ থেকে আইফোন উপহার নিলেন বরিশালের সানি বেপারী

নীলক্ষেতের অবৈধ দোকান ভাঙার কাজ করছে ডিএসসিসি

রাজধানীর নীলক্ষেতের রোডসাইড মার্কেটের (তুলা মার্কেট) সব অবৈধ দোকান ভাঙার কাজ চালাচ্ছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। মার্কেটের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার নকশাবহির্ভূত ১৪৮টি দোকান ভাঙার নেতৃত্ব দিচ্ছেন করপোরেশনের সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুজ্জামান।

রোববার (৬ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় মার্কেটের সামনে গিয়ে দেখা যায়, মার্কেট ভাঙার জন্য সিটি করপোরেশন থেকে একটি পে-লেডার, একটি হুইল এক্সকাভেটর, হাইড্রলিক লেডার এবং ২টি ড্রাম ট্রাক আনা হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতির নিরাপত্তায় পুলিশের ২২ জন সদস্য রয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে।

এছাড়াও রয়েছে একটি অ্যাম্বুলেন্স। এদিকে মার্কেটের নিচতলার বৈধ দোকানগুলো পাহারায় সেইসব দোকানের কর্মচারীরা প্রতিটি দোকানের সামনে অবস্থান করছেন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় সিটি করপোরেশনের ৫০ জন কর্মী ভেতরের অংশ ভাঙার কাজ চালাচ্ছেন।

নাসির উদ্দিন নামে সিটি করপোরেশনের এক কর্মী  বলেন, আমরা সকাল ১০টা থেকে বিভিন্ন অংশ ভাঙার কাজ শুরু করেছি। ভাঙা জিনিসগুলো দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা থেকে নামানোর পর পুরো স্থাপনা ভেঙে ফেলা হবে। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামান বলেন, নীলক্ষেত সিটি করপোরেশনের বৈধ মার্কেট তুলা মার্কেট নামে পরিচিত। মার্কেটের ৩৫টি বৈধ দোকানের উপর অবৈধভাবে দেড় শতাধিক দোকান তৈরি করা হয়েছে বিভিন্ন সময়ে।

এটা নজরে আসার পর যারা এর সঙ্গে জড়িত ছিলেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মেয়রের (তাপস) নির্দেশমতো আমরা অবৈধ দোকানগুলো উচ্ছেদ করছি। তিনি আরও বলেন, এই মার্কেটের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা তৈরিতে প্রকৌশলী কোনো নিয়ম মানা হয়নি। যার ফলে প্রকৌশলীরা মেয়রকে বিষয়টিও অভিহিত করেছেন ঝুঁকিপূর্ণ বলে। সুতরাং এটি মেয়রের অনুমতি ছাড়া নির্মাণ করা হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মির্জাপুরে বেগম রোকেয়া দিবসে ৫ অদম্য নারীকে সম্মাননা

নীলক্ষেতের অবৈধ দোকান ভাঙার কাজ করছে ডিএসসিসি

আপডেট সময় ০১:২৯:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ নভেম্বর ২০২২

রাজধানীর নীলক্ষেতের রোডসাইড মার্কেটের (তুলা মার্কেট) সব অবৈধ দোকান ভাঙার কাজ চালাচ্ছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। মার্কেটের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার নকশাবহির্ভূত ১৪৮টি দোকান ভাঙার নেতৃত্ব দিচ্ছেন করপোরেশনের সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুজ্জামান।

রোববার (৬ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় মার্কেটের সামনে গিয়ে দেখা যায়, মার্কেট ভাঙার জন্য সিটি করপোরেশন থেকে একটি পে-লেডার, একটি হুইল এক্সকাভেটর, হাইড্রলিক লেডার এবং ২টি ড্রাম ট্রাক আনা হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতির নিরাপত্তায় পুলিশের ২২ জন সদস্য রয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে।

এছাড়াও রয়েছে একটি অ্যাম্বুলেন্স। এদিকে মার্কেটের নিচতলার বৈধ দোকানগুলো পাহারায় সেইসব দোকানের কর্মচারীরা প্রতিটি দোকানের সামনে অবস্থান করছেন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় সিটি করপোরেশনের ৫০ জন কর্মী ভেতরের অংশ ভাঙার কাজ চালাচ্ছেন।

নাসির উদ্দিন নামে সিটি করপোরেশনের এক কর্মী  বলেন, আমরা সকাল ১০টা থেকে বিভিন্ন অংশ ভাঙার কাজ শুরু করেছি। ভাঙা জিনিসগুলো দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা থেকে নামানোর পর পুরো স্থাপনা ভেঙে ফেলা হবে। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামান বলেন, নীলক্ষেত সিটি করপোরেশনের বৈধ মার্কেট তুলা মার্কেট নামে পরিচিত। মার্কেটের ৩৫টি বৈধ দোকানের উপর অবৈধভাবে দেড় শতাধিক দোকান তৈরি করা হয়েছে বিভিন্ন সময়ে।

এটা নজরে আসার পর যারা এর সঙ্গে জড়িত ছিলেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মেয়রের (তাপস) নির্দেশমতো আমরা অবৈধ দোকানগুলো উচ্ছেদ করছি। তিনি আরও বলেন, এই মার্কেটের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা তৈরিতে প্রকৌশলী কোনো নিয়ম মানা হয়নি। যার ফলে প্রকৌশলীরা মেয়রকে বিষয়টিও অভিহিত করেছেন ঝুঁকিপূর্ণ বলে। সুতরাং এটি মেয়রের অনুমতি ছাড়া নির্মাণ করা হয়েছে।