ঢাকা ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএর মাহবুবুর রহমানের সিন্ডিকেটে জিম্মি গ্রাহকরা বিআইডব্লিউটিএর প্রধান প্রকৌশলী ফরহাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ সোনাইমুড়ী সাব-রেজিস্ট্রার সিরাজুল হকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ গোয়াইনঘাটে এলজিইডির ডিজাইন টিমের সড়ক প্রকল্প পরিদর্শন উৎসবমুখর পরিবেশে শাহ্ আলী গার্লস স্কুল শপিং কমপ্লেক্স ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ খামারবাড়ির উপপরিচালক মোহাম্মদ এনামুল হকের বিদায় সংবর্ধনা পৌরসভা কার্যালয়ে ঢুকে চাঁদা দাবি, হত্যার হুমকি; গ্রেপ্তার ১ পার্বতীপুরে মোস্তফাপুর ইউনিয়ন ভবন পূর্বের স্থানে নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পাথরঘাটায় গৃহবধূকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ, দুই লাখ টাকা দাবির মামলা বড়লেখায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ৭

বিদ্যুতের দায়মুক্তি নিয়ে বিরোধীদের তোপের মুখে প্রতিমন্ত্রী

বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যদের তোপের মুখে পড়েন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।

এসময় বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও গণফোরামের একাধিক সংসদ সদস্য অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো আওয়ামী লীগ নেতাদের বিলিওনিয়র বানানোর কারখানায় পরিণত হয়েছে। ঘরে ঘরে বিদ্যুতের ঘোষণা দিয়ে সরকার ঘরে ঘরে লোডশোডিং পৌঁছে দিয়েছে।

বুধবার জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ গ্যাস, তেল ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশন বিল-২০২২ পাসের জন্য উত্থাপণ করেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়। এর আগে বিলটির ওপর দেওয়া সংশোধনী এবং যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাবগুলো নিয়ে আলোচনার সময় বিরোধীদলের সদস্যরা বিদ্যুৎখাতে দায়মুক্তি দেওয়ার তীব্র সমালোচনা করেন।

এর জবাবে প্রতিমন্ত্রী অবশ্য বলেন, দায়মুক্তির বিধানের কারণেই মানুষ সুবিধা ভোগ করছে।

রাষ্ট্রায়াত্ত্ব প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলার জন্য নতুন আইন করতে বিলটি উত্থাপণ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, সামরিক আমলে প্রণীত এ সংক্রান্ত আইন বাতিলের জন্য নতুন আইন করা হচ্ছে।

বিলের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ বলেন, বিদ্যুৎ খাতকে আওয়ামী বিলিওনিয়র তৈরির কারখানা করা হয়েছে। বিদ্যুতের দায়মুক্তি আইন এবং একাধিকবার আইনের মেয়াদ বাড়ানোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, কেন বিদ্যুতের দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে? বড় বড় ট্রান্সমিশন লাইন, এসব কারখানা কাদের জন্য দেওয়া হয়েছে? এসব রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল কাকে দেওয়া হয়েছে?

জ্বালানি খাত নিয়ে সংসদে আলোচনার দাবি জানিয়ে হারুন বলেন, প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে নয়, সংসদে বিদ্যুত ও জ্বালানি নিয়ে আলোচনা করতে হবে। গোপনে নয়, প্রকাশ্যে আলোচনা হবে। এই ১৫ বছরে সরকার কী করেছে, কী সর্বনাশ হয়েছে এই খাতের তা জাতিকে জানাতে হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জ বিআরটিএর মাহবুবুর রহমানের সিন্ডিকেটে জিম্মি গ্রাহকরা

বিদ্যুতের দায়মুক্তি নিয়ে বিরোধীদের তোপের মুখে প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:৫৯:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর ২০২২

বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যদের তোপের মুখে পড়েন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।

এসময় বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও গণফোরামের একাধিক সংসদ সদস্য অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো আওয়ামী লীগ নেতাদের বিলিওনিয়র বানানোর কারখানায় পরিণত হয়েছে। ঘরে ঘরে বিদ্যুতের ঘোষণা দিয়ে সরকার ঘরে ঘরে লোডশোডিং পৌঁছে দিয়েছে।

বুধবার জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ গ্যাস, তেল ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশন বিল-২০২২ পাসের জন্য উত্থাপণ করেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়। এর আগে বিলটির ওপর দেওয়া সংশোধনী এবং যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাবগুলো নিয়ে আলোচনার সময় বিরোধীদলের সদস্যরা বিদ্যুৎখাতে দায়মুক্তি দেওয়ার তীব্র সমালোচনা করেন।

এর জবাবে প্রতিমন্ত্রী অবশ্য বলেন, দায়মুক্তির বিধানের কারণেই মানুষ সুবিধা ভোগ করছে।

রাষ্ট্রায়াত্ত্ব প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলার জন্য নতুন আইন করতে বিলটি উত্থাপণ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, সামরিক আমলে প্রণীত এ সংক্রান্ত আইন বাতিলের জন্য নতুন আইন করা হচ্ছে।

বিলের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ বলেন, বিদ্যুৎ খাতকে আওয়ামী বিলিওনিয়র তৈরির কারখানা করা হয়েছে। বিদ্যুতের দায়মুক্তি আইন এবং একাধিকবার আইনের মেয়াদ বাড়ানোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, কেন বিদ্যুতের দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে? বড় বড় ট্রান্সমিশন লাইন, এসব কারখানা কাদের জন্য দেওয়া হয়েছে? এসব রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল কাকে দেওয়া হয়েছে?

জ্বালানি খাত নিয়ে সংসদে আলোচনার দাবি জানিয়ে হারুন বলেন, প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে নয়, সংসদে বিদ্যুত ও জ্বালানি নিয়ে আলোচনা করতে হবে। গোপনে নয়, প্রকাশ্যে আলোচনা হবে। এই ১৫ বছরে সরকার কী করেছে, কী সর্বনাশ হয়েছে এই খাতের তা জাতিকে জানাতে হবে।