ঢাকা ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংকট থেকে কেবল বিএনপিই দেশকে উদ্ধার করতে পারবে : অর্থমন্ত্রী দিনে টিকটক রাতে ছিনতাই, গ্রেপ্তার ‘ভাইরাল’ ছিনতাইকারী খেলাধুলার শৃঙ্খলাই গড়ে তুলবে আগামী দিনের সফল নেতৃত্ব: পবিপ্রবি উপাচার্য ১৩ লাখ দিলেই চাকরি নিশ্চিত’ সেই সুমনই ফের জাতীয় জাদুঘরে বাংলাদেশি নাগরিকদের ফের অভিবাসী ভিসা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র মুকসুদপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও র‍্যালি ৫ সেপ্টেম্বর ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ: কুমিল্লায় পুলিশ সুপারের সঙ্গে নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় পঞ্চগড়ে নানা আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সাগরে লঘুচাপ, দেশের ৪ সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত মোটরসাইকেলসহ গাড়ির মালিক-চালকদের বড় সুখবর দিল বিআরটিএ

কাশিমপুর থেকে কুমিল্লা কারাগারে পাপিয়া

গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে থাকা যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামীমা নুর পাপিয়াকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টায় তাঁকে একটি প্রিজন ভ্যানে করে পাঠানো হয়।

কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে ৪০ মাস ধরে বন্দী আছেন পাপিয়া। ২৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি হিসেবে জেলবিধি অনুযায়ী পাপিয়াকে ‘রাইটার’ হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। তিনি রুনা লায়লা নামের এক হাজতিকে সম্প্রতি নির্যাতন করেন, তাঁর কাছ থেকে টাকাপয়সা লুট করে নেন—এমন অভিযোগে রুনার ছোট ভাই জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগও করেন। পরে গঠন করা হয়েছে দুটি তদন্ত কমিটি।

এর মধ্যে সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে একটি প্রিজন ভ্যানে করে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে তাঁকে।

কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের (ভারপ্রাপ্ত) জেল সুপার মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাঁকে স্থানান্তর করা হয়েছে।

নথি চুরির একটি মামলায় শিক্ষানবিশ আইনজীবী রুনা লায়লাকে ১৬ জুন কাশিমপুর মহিলা কারাগারে আনা হয়।

কারাগারের সাধারণ ওয়ার্ডে নেওয়ার পর রুনার দেহ তল্লাশি করে কর্তব্যরত মেট্রন তাঁর কাছে ৭ হাজার ৪০০ টাকা পান। ওই টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য পাপিয়া ও তাঁর সহযোগী কয়েদিরা গত ১৯ জুন রুনার ওপর অমানবিক নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ তাঁর পরিবারের। একপর্যায়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় রুনাকে মেঝেতে ফেলে রাখা হয়। এ নিয়ে কারাগারের ভেতরে কেস টেবিল বা সালিস বসে।

সেখানে ত্রিমুখী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন বন্দী, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। তবে পাপিয়ার ভয়ে সাধারণ কয়েদিরা রুনা লায়লার ওপর অমানুষিক নির্যাতনের প্রতিবাদও করতে পারেননি।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংকট থেকে কেবল বিএনপিই দেশকে উদ্ধার করতে পারবে : অর্থমন্ত্রী

কাশিমপুর থেকে কুমিল্লা কারাগারে পাপিয়া

আপডেট সময় ১১:৫৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুলাই ২০২৩

গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে থাকা যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামীমা নুর পাপিয়াকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টায় তাঁকে একটি প্রিজন ভ্যানে করে পাঠানো হয়।

কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে ৪০ মাস ধরে বন্দী আছেন পাপিয়া। ২৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি হিসেবে জেলবিধি অনুযায়ী পাপিয়াকে ‘রাইটার’ হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। তিনি রুনা লায়লা নামের এক হাজতিকে সম্প্রতি নির্যাতন করেন, তাঁর কাছ থেকে টাকাপয়সা লুট করে নেন—এমন অভিযোগে রুনার ছোট ভাই জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগও করেন। পরে গঠন করা হয়েছে দুটি তদন্ত কমিটি।

এর মধ্যে সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে একটি প্রিজন ভ্যানে করে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে তাঁকে।

কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের (ভারপ্রাপ্ত) জেল সুপার মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাঁকে স্থানান্তর করা হয়েছে।

নথি চুরির একটি মামলায় শিক্ষানবিশ আইনজীবী রুনা লায়লাকে ১৬ জুন কাশিমপুর মহিলা কারাগারে আনা হয়।

কারাগারের সাধারণ ওয়ার্ডে নেওয়ার পর রুনার দেহ তল্লাশি করে কর্তব্যরত মেট্রন তাঁর কাছে ৭ হাজার ৪০০ টাকা পান। ওই টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য পাপিয়া ও তাঁর সহযোগী কয়েদিরা গত ১৯ জুন রুনার ওপর অমানবিক নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ তাঁর পরিবারের। একপর্যায়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় রুনাকে মেঝেতে ফেলে রাখা হয়। এ নিয়ে কারাগারের ভেতরে কেস টেবিল বা সালিস বসে।

সেখানে ত্রিমুখী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন বন্দী, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। তবে পাপিয়ার ভয়ে সাধারণ কয়েদিরা রুনা লায়লার ওপর অমানুষিক নির্যাতনের প্রতিবাদও করতে পারেননি।