ঢাকা ১১:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা ওয়াসা বোর্ড বিলুপ্ত, এমডি মনিরুজ্জামানের হাতে সব ক্ষমতা দুঃখের কথা শুনেই সহায়তার হাত বাড়ালেন মানবিক ডিসি জাহিদ পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধর, যুবদল নেতা আল আমিনের বিরুদ্ধে মামলা আরব দলগুলোর সমর্থন পেলে ক্ষমতা হারাতে পারেন নেতানিয়াহু বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কে টোলের নামে চাঁদাবাজি, ক্ষুব্ধ পর্যটক ও যাত্রীরা ১২ কেজি এলপিজির দাম ৩০০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব ভোটার স্থানান্তরের আবেদনের সময় বাড়ল ১ নভেম্বর পর্যন্ত উখিয়ায় এসআই কিবরিয়াসহ ৩ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ১ লাখ ইয়াবা ও পিস্তল গায়েবের অভিযোগ নেতানিয়াহুর বদলে ‘কম ক্ষতিকর’ প্রধানমন্ত্রী চান গাজাবাসী বরগুনায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত

সিলেটে যুবদল নেতা বদরুল হত্যা মামলার দুই আসামি কারাগারে

সিলেটের গোয়াইনঘাটে পূর্ববিরোধের জেরে যুবদল নেতা ও ব্যবসায়ী বদরুল আলম হত্যা মামলার দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের সুনামগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৯)।

গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন গোয়াইনঘাটের গোরাগাঁও এলাকার মুহিবুর রহমানের ছেলে মামুনুর রশীদ (৩৬) ও আব্দুল হামিদ বুলাইয়ের ছেলে সুয়াইবুর রহমান ওরফে ছবুর (৩৮)।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক মোড়ল জানান, দুপুরে তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে সোমবার তাঁদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানিয়েছিল এসআরবির গণমাধ্যম শাখা।

র‍্যাবের গণমাধ্যম কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কেএম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, রোববার দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে দিরাই থানার উশনপুর এবং ভোর পৌনে ৫টার দিকে নন্দীপুরে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে র‍্যাবের একটি দল।

জানা যায়, গোয়াইনঘাট থানার হাদারপার এলাকার বাসিন্দা বদরুল একজন ব্যবসায়ী, সাবেক ছাত্রদল নেতা এবং বর্তমানে যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। গত ১১ অক্টোবর ব্যবসার কাজ শেষে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে গোরাগাঁও এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর গতিরোধ করেন। এ সময় তাঁকে ও তাঁর সঙ্গী ছাদেককে মারধর করা হয়। হামলায় বদরুল ও ছাদেক গুরুতর আহত হন।

তাঁদের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে বদরুল ও ছাদেককে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বদরুলকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় গোয়াইনঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা (মামলা নম্বর: ১২/১৩/১০/২৬) দায়ের করা হয়। পরে এসআরবি ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং মামুনুর রশীদ ও সুয়াইবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা ওয়াসা বোর্ড বিলুপ্ত, এমডি মনিরুজ্জামানের হাতে সব ক্ষমতা

সিলেটে যুবদল নেতা বদরুল হত্যা মামলার দুই আসামি কারাগারে

আপডেট সময় ০৫:১৭:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

সিলেটের গোয়াইনঘাটে পূর্ববিরোধের জেরে যুবদল নেতা ও ব্যবসায়ী বদরুল আলম হত্যা মামলার দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের সুনামগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৯)।

গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন গোয়াইনঘাটের গোরাগাঁও এলাকার মুহিবুর রহমানের ছেলে মামুনুর রশীদ (৩৬) ও আব্দুল হামিদ বুলাইয়ের ছেলে সুয়াইবুর রহমান ওরফে ছবুর (৩৮)।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক মোড়ল জানান, দুপুরে তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে সোমবার তাঁদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানিয়েছিল এসআরবির গণমাধ্যম শাখা।

র‍্যাবের গণমাধ্যম কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কেএম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, রোববার দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে দিরাই থানার উশনপুর এবং ভোর পৌনে ৫টার দিকে নন্দীপুরে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে র‍্যাবের একটি দল।

জানা যায়, গোয়াইনঘাট থানার হাদারপার এলাকার বাসিন্দা বদরুল একজন ব্যবসায়ী, সাবেক ছাত্রদল নেতা এবং বর্তমানে যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। গত ১১ অক্টোবর ব্যবসার কাজ শেষে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে গোরাগাঁও এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর গতিরোধ করেন। এ সময় তাঁকে ও তাঁর সঙ্গী ছাদেককে মারধর করা হয়। হামলায় বদরুল ও ছাদেক গুরুতর আহত হন।

তাঁদের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে বদরুল ও ছাদেককে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বদরুলকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় গোয়াইনঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা (মামলা নম্বর: ১২/১৩/১০/২৬) দায়ের করা হয়। পরে এসআরবি ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং মামুনুর রশীদ ও সুয়াইবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।