ইসরায়েলের হামলায় মৃত্যু উপত্যকায় পরিণত হয়েছে ফিলিস্তিনের গাজা। ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটের নির্বাচন নিয়ে গতকাল থেকেই নজর রাখছেন অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার সাধারণ মানুষ। যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ক্ষমতাচ্যুত হোন, মনেপ্রাণে এমনটাই চাইছেন তাঁরা। কারণ, গত তিন বছর ধরে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে গাজায় ভয়াবহ সামরিক অভিযান চালিয়েছে ইসরায়েল।
নেতানিয়াহুর পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে ইসরায়েলের সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের। তবে তিনি ক্ষমতায় এলেও গাজার মানুষের প্রতি ইসরায়েলের সহিংসতা কমবে না বলে মনে করেন উপত্যকার বাসিন্দারা। তবু তাঁদের প্রত্যাশা, অন্তত নেতানিয়াহুর চেয়ে কম ক্ষতিকর কেউ ক্ষমতায় আসুক।
গাজার খান ইউনিসের বাসিন্দা আয়মান আহমেদ বার্তা সংস্থা এপিকে বলেন, ‘গাজা নিয়ে তাদের সব নীতিই কঠোর। তবে আমরা দুই শয়তানের মধ্যে কম শয়তানকে বেছে নেব।’
আয়মান আহমেদ বলেন, তিনি চান গাদি আইজেনকোট ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হোন। কারণ, গাজা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যে চুক্তি রয়েছে, আইজেনকোট সেটিকে সমর্থন করেন।
ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে হওয়া ওই চুক্তিতে বলা হয়েছে, হামাস নিজেদের নিরস্ত্র করবে এবং গাজায় যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে একটি সরকার গঠিত হবে। অন্যদিকে ইসরায়েল গাজা থেকে তাদের সব সেনা প্রত্যাহার করবে। এরপর গাজা পুনর্গঠনের কাজ শুরু হবে।
নেতানিয়াহু ট্রাম্পের এই চুক্তিতে সম্মত হলেও এখন পর্যন্ত তা কার্যকর হতে দেননি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আইজেনকোট ক্ষমতায় এলেও গাজায় নাটকীয়ভাবে সবকিছু বদলে যাবে না বলে মনে করেন উপত্যকার আরেক বাসিন্দা মোহাম্মদ আবেদ। তিনি বলেন, ‘আইজেনকোটের জয় পরিস্থিতির নাটকীয় পরিবর্তন ঘটাবে না। কারণ, তাঁদের নীতি প্রায় একই রকম। শেষ পর্যন্ত তাঁর শাসনও একই রকম হবে।’
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 























