বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলির ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন তথ্য। এবার জানা গেছে, টাইগারকে লক্ষ্যবস্তু করার আগে সালমান খান, আমির খান ও ইমরান হাশমির বাড়িতে নজরদারি চালানোর নির্দেশ পেয়েছিলেন অভিযুক্তরা। তবে তাঁদের বাড়ি শনাক্ত করতে ব্যর্থ হওয়ার পর টাইগারকে লক্ষ্যবস্তু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুম্বাই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযুক্তরা প্রথমে সালমান খানের বাড়িতে নজরদারি চালান। এরপর তাঁদের আমির খানের বাড়ি খুঁজে বের করার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে আমির দক্ষিণ মুম্বাইয়ে চলে যাওয়ায় অভিযুক্তরা তাঁর বাড়ির অবস্থান শনাক্ত করতে পারেননি।
হিন্দুস্তান টাইমস-কে এক তদন্ত কর্মকর্তা জানান, সালমান খান বরাবরই লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নিশানায় ছিলেন। অভিযুক্তরা আমির খানের বাড়িতেও নজরদারি চালানোর চেষ্টা করেন। তবে আমির যে দক্ষিণ মুম্বাইয়ে চলে গেছেন, তা তাঁরা জানতেন না। ফলে তাঁর অবস্থান শনাক্ত করতে পারেননি।
এরপর ইমরান হাশমির বাড়িতে নজরদারি চালানোর নির্দেশ পান অভিযুক্তরা। তাঁরা ওই এলাকায় খোঁজখবর নিলেও ইমরানের বাড়ি শনাক্ত করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত টাইগার শ্রফকে লক্ষ্যবস্তু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ওই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টাইগার শ্রফের রিলস দেখে তাঁকে লক্ষ্যবস্তু করার সিদ্ধান্ত নেন অভিযুক্তরা। সেখান থেকেই তাঁরা জানতে পারেন, প্রতি রোববার জুহুর পুষ্প নারসি গ্রাউন্ডে ফুটবল খেলতে যান টাইগার।
গত ১৮ অক্টোবরের ওই ঘটনায় অল্পের জন্য গুলিবিদ্ধ হওয়া থেকে রক্ষা পান টাইগার। তবে গুলির ঘটনায় তাঁর গাড়িচালক ও আরেক ব্যক্তি আহত হন।
ঘটনাটি তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে, হামলায় জড়িতদের কাছে অস্ত্র পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে হরিয়ানার সোনিপত থেকে গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মুম্বাই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে।
বিনোদন ডেস্ক 

























