ঢাকা ০১:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা শরীয়তপুরে পৌর বিএনপির সহসভাপতি সালাউদ্দিন ছৈয়ালের বিরুদ্ধে চার নেতাকে ডেকে নিয়ে মারধরের অভিযোগ সংবিধান সংস্কারের নামে সরকার জুলাই সনদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে: গোলাম পরওয়ার বিচারের দাবিতে দুই দিনের কর্মসূচি জামায়াতের ইস্টার্ন ব্যাংকের বিরুদ্ধে গ্যারান্টর জালিয়াতির অভিযোগ ইরানে আজ হামলার হুমকি ট্রাম্পের, নয়তো ‘বড় চুক্তি’ ন্যু ক্যাম্পে এল ক্লাসিকোর উত্তাপ, মুখোমুখি বার্সা-রিয়াল ‘আমার মৃত্যুর জন্য ইউএনও দায়ী’, ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে অসুস্থ এসি ল্যান্ড ফ্রান্সে বিক্ষোভে উত্তাল পরিস্থিতি, গ্রেপ্তার প্রায় ১ হাজার লাইসেন্স বাণিজ্য থেকে রেশন দুর্নীতি: চট্রগ্রাম ফায়ার সার্ভিস গিলে খাচ্ছে এডি তৌফিকুল ইসলাম ভুঁইয়া!

ন্যু ক্যাম্পে এল ক্লাসিকোর উত্তাপ, মুখোমুখি বার্সা-রিয়াল

  • ক্রীড়া ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২৭:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫০৭ বার পড়া হয়েছে

কয়েক সপ্তাহ ধরেই এই ম্যাচের অপেক্ষায় বার্সেলোনা সমর্থকেরা। রোববার এল ক্লাসিকোয় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদকে আতিথ্য দেবে বার্সেলোনা। ম্যাচটি জিতলে পয়েন্ট ব্যবধান ৯-এ নেওয়ার সুযোগ পাবে কাতালান ক্লাবটি। তবে বার্সা কোচ হান্সি ফ্লিকের মতে, তিন পয়েন্টের লড়াই হলেও এল ক্লাসিকোর গুরুত্ব শুধু পয়েন্ট অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

তবে ন্যু ক্যাম্পে ম্যাচ শুরুর আগে কিছুটা অস্বস্তিতে রয়েছে ফ্লিকের দল। গত সপ্তাহে চ্যাম্পিয়নস লিগে প্যারিস সেন্ট জার্মেইর কাছে হেরেছে বার্সেলোনা, যা চলতি মৌসুমে তাদের প্রথম হার। সেই ম্যাচের ভুলগুলো শুধরে নেওয়াই এখন বার্সার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে, টানা চার ম্যাচ জিতে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। গত বুধবার চ্যাম্পিয়নস লিগে আরবি লাইপজিগকে বড় ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। কোচ হোসে মরিনিওর অধীনে দলটি ধীরে ধীরে নিজেদের ছন্দ খুঁজে পাচ্ছে।

রিয়াল জিতলে দুই দলের বর্তমান ছয় পয়েন্টের ব্যবধান কমে তিনে দাঁড়াবে। একই সঙ্গে শেষ সাতটি এল ক্লাসিকোর মধ্যে ছয়টিতে হারের হতাশা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পাবে মাদ্রিদের ক্লাবটি। মরিনিওর প্রত্যাবর্তনও এই দ্বৈরথে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে।

৬৩ বছর বয়সী মরিনিও বার্সেলোনার বিপক্ষে কোচ হিসেবে ২৭টি ম্যাচে ডাগআউটে দাঁড়িয়েছেন। এর মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হিসেবে খেলেছেন ১৭টি এল ক্লাসিকো। ২০১০ সালে পেপ গার্দিওলার বার্সেলোনার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে মরিনিওকে নিয়োগ দিয়েছিলেন রিয়াল সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। তাঁর প্রত্যাশা, পর্তুগিজ কোচ দ্বিতীয় মেয়াদে বার্নাব্যুতে লা লিগার শিরোপা ফিরিয়ে আনতে পারবেন।

রিয়ালে মরিনিওর প্রথম মেয়াদে এল ক্লাসিকোর ইতিহাসে বেশ কিছু উত্তপ্ত মুহূর্তের জন্ম হয়েছিল। রোববার ন্যু ক্যাম্পে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপের দিকেই থাকবে ক্যামেরার নজর। প্রথম ১০টি এল ক্লাসিকোর মধ্যে মাত্র একটিতে জিতেছিলেন মরিনিও। তবে শেষ পাঁচ ম্যাচে অপরাজিত ছিলেন তিনি, যার মধ্যে তিনটিতে জয় পেয়েছিল তাঁর দল।

ফ্লিকের অধীনে বার্সেলোনা টানা দুটি লা লিগা শিরোপা জিতেছে। চলতি মৌসুমে লিগের প্রথম নয় ম্যাচের সবকটিতে জিতে শীর্ষে রয়েছে তারা। অন্যদিকে, টানা দুই মৌসুম বড় কোনো শিরোপা না জেতা রিয়ালের দায়িত্ব নিয়েছেন মরিনিও। এরই মধ্যে লিগে দুটি ম্যাচে হেরেছে তাঁর দল।

২০২৪ সালে বার্সেলোনার দায়িত্ব নেওয়া ফ্লিকের তুলনায় রিয়ালে মরিনিওর মেয়াদ খুবই কম। তাই দুই দলের তুলনা করতে নারাজ পর্তুগিজ কোচ। তিনি বলেন, ‘আমাদের একটি পূর্ণাঙ্গ দল হিসেবে দেখা হয়, আর ফুটবলে সেই পর্যায়ে পৌঁছানো খুব কঠিন। কিন্তু আমরা এখনো সেখানে পৌঁছাইনি। আমরা তিন মাস ধরে কাজ করছি। প্রাক্‌-মৌসুমে খেলোয়াড়েরা দলে যোগ দিয়েছিল, এরপর ছিল আন্তর্জাতিক বিরতি। আমরা এখনো শুরুর পর্যায়ে রয়েছি। এই সময়ে কোচ খেলোয়াড়দের সম্পর্কে জানেন, তাঁদের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করেন এবং কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেন। খেলোয়াড়েরাও কোচের কৌশল বুঝতে শুরু করেন। কয়েক বছর ধরে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা আরেকটি দলের সঙ্গে এই পর্যায়ের একটি দলের তুলনা করাকে আমি ন্যায়সংগত মনে করি না।’

অন্যদিকে, রিয়ালকে নিয়ে সতর্ক বার্সা কোচ ফ্লিক। তাঁর ধারণা, আত্মবিশ্বাস নিয়েই মাঠে নামবে মাদ্রিদের দলটি। পয়েন্ট ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও এল ক্লাসিকোকে অন্য সব ম্যাচের চেয়ে আলাদা মনে করেন তিনি।

ফ্লিক বলেন, ‘এল ক্লাসিকো একেবারেই আলাদা। ফুটবলে এটি আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় ম্যাচ। সবাই এই ম্যাচ দেখবে। এটি অসাধারণ। সত্যি, আমরা তিন পয়েন্টের জন্যই খেলছি। কিন্তু এই ম্যাচের গুরুত্ব তার চেয়েও বেশি। এতে অংশ নিতে পেরে আমি খুশি। লড়াইয়ের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। আমরা প্রস্তুত এবং নিজেদের দলের ওপর আমাদের প্রবল আত্মবিশ্বাস রয়েছে।’

ব্যালন ডি’অর ঘোষণার আগমুহূর্তে হওয়ায় এল ক্লাসিকো ঘিরে উত্তাপ আরও বেড়েছে। ফুটবল বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কারের দৌড়ে আলোচনায় রয়েছেন কিলিয়ান এমবাপে ও লামিন ইয়ামাল। দুজনই দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। রিয়ালের ফরাসি তারকা নয় ম্যাচে করেছেন নয় গোল। ইয়ামালও পিছিয়ে নেই, তাঁর গোলসংখ্যা আট। অনেকের ধারণা, এই ম্যাচে দুজনের পারফরম্যান্স ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটিতে রিয়াল পাচ্ছে না দলের অন্যতম ভরসা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে। চার ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার দ্বিতীয় ম্যাচটি কাটাচ্ছেন ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ড।

মুখোমুখি লড়াইয়ের পরিসংখ্যানে দুই দলই সমানে সমান। দুই ক্লাবের জয় ১০৬টি করে, ড্র হয়েছে ৫২টি ম্যাচ। গত পাঁচ বছরে বার্সেলোনা জিতেছে ১০ বার, রিয়াল মাদ্রিদ নয়বার। আর শেষ ১০ ম্যাচে বার্সেলোনার জয় ছয়টি, রিয়ালের চারটি।

মুখোমুখি লড়াইয়ের পরিসংখ্যান সমান হলেও চলতি মৌসুমে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে বার্সেলোনা। লিগের প্রথম নয় ম্যাচে শতভাগ জয় এবং ৩৯ গোল নিয়ে এগিয়ে আছে ফ্লিকের দল। তবে লিগের দশম রাউন্ডে এসে তাদের সামনে অপেক্ষা করছে মৌসুমের অন্যতম কঠিন পরীক্ষা—এল ক্লাসিকো।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা

ন্যু ক্যাম্পে এল ক্লাসিকোর উত্তাপ, মুখোমুখি বার্সা-রিয়াল

আপডেট সময় ১২:২৭:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

কয়েক সপ্তাহ ধরেই এই ম্যাচের অপেক্ষায় বার্সেলোনা সমর্থকেরা। রোববার এল ক্লাসিকোয় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদকে আতিথ্য দেবে বার্সেলোনা। ম্যাচটি জিতলে পয়েন্ট ব্যবধান ৯-এ নেওয়ার সুযোগ পাবে কাতালান ক্লাবটি। তবে বার্সা কোচ হান্সি ফ্লিকের মতে, তিন পয়েন্টের লড়াই হলেও এল ক্লাসিকোর গুরুত্ব শুধু পয়েন্ট অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

তবে ন্যু ক্যাম্পে ম্যাচ শুরুর আগে কিছুটা অস্বস্তিতে রয়েছে ফ্লিকের দল। গত সপ্তাহে চ্যাম্পিয়নস লিগে প্যারিস সেন্ট জার্মেইর কাছে হেরেছে বার্সেলোনা, যা চলতি মৌসুমে তাদের প্রথম হার। সেই ম্যাচের ভুলগুলো শুধরে নেওয়াই এখন বার্সার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে, টানা চার ম্যাচ জিতে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। গত বুধবার চ্যাম্পিয়নস লিগে আরবি লাইপজিগকে বড় ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। কোচ হোসে মরিনিওর অধীনে দলটি ধীরে ধীরে নিজেদের ছন্দ খুঁজে পাচ্ছে।

রিয়াল জিতলে দুই দলের বর্তমান ছয় পয়েন্টের ব্যবধান কমে তিনে দাঁড়াবে। একই সঙ্গে শেষ সাতটি এল ক্লাসিকোর মধ্যে ছয়টিতে হারের হতাশা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পাবে মাদ্রিদের ক্লাবটি। মরিনিওর প্রত্যাবর্তনও এই দ্বৈরথে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে।

৬৩ বছর বয়সী মরিনিও বার্সেলোনার বিপক্ষে কোচ হিসেবে ২৭টি ম্যাচে ডাগআউটে দাঁড়িয়েছেন। এর মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হিসেবে খেলেছেন ১৭টি এল ক্লাসিকো। ২০১০ সালে পেপ গার্দিওলার বার্সেলোনার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে মরিনিওকে নিয়োগ দিয়েছিলেন রিয়াল সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। তাঁর প্রত্যাশা, পর্তুগিজ কোচ দ্বিতীয় মেয়াদে বার্নাব্যুতে লা লিগার শিরোপা ফিরিয়ে আনতে পারবেন।

রিয়ালে মরিনিওর প্রথম মেয়াদে এল ক্লাসিকোর ইতিহাসে বেশ কিছু উত্তপ্ত মুহূর্তের জন্ম হয়েছিল। রোববার ন্যু ক্যাম্পে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপের দিকেই থাকবে ক্যামেরার নজর। প্রথম ১০টি এল ক্লাসিকোর মধ্যে মাত্র একটিতে জিতেছিলেন মরিনিও। তবে শেষ পাঁচ ম্যাচে অপরাজিত ছিলেন তিনি, যার মধ্যে তিনটিতে জয় পেয়েছিল তাঁর দল।

ফ্লিকের অধীনে বার্সেলোনা টানা দুটি লা লিগা শিরোপা জিতেছে। চলতি মৌসুমে লিগের প্রথম নয় ম্যাচের সবকটিতে জিতে শীর্ষে রয়েছে তারা। অন্যদিকে, টানা দুই মৌসুম বড় কোনো শিরোপা না জেতা রিয়ালের দায়িত্ব নিয়েছেন মরিনিও। এরই মধ্যে লিগে দুটি ম্যাচে হেরেছে তাঁর দল।

২০২৪ সালে বার্সেলোনার দায়িত্ব নেওয়া ফ্লিকের তুলনায় রিয়ালে মরিনিওর মেয়াদ খুবই কম। তাই দুই দলের তুলনা করতে নারাজ পর্তুগিজ কোচ। তিনি বলেন, ‘আমাদের একটি পূর্ণাঙ্গ দল হিসেবে দেখা হয়, আর ফুটবলে সেই পর্যায়ে পৌঁছানো খুব কঠিন। কিন্তু আমরা এখনো সেখানে পৌঁছাইনি। আমরা তিন মাস ধরে কাজ করছি। প্রাক্‌-মৌসুমে খেলোয়াড়েরা দলে যোগ দিয়েছিল, এরপর ছিল আন্তর্জাতিক বিরতি। আমরা এখনো শুরুর পর্যায়ে রয়েছি। এই সময়ে কোচ খেলোয়াড়দের সম্পর্কে জানেন, তাঁদের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করেন এবং কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেন। খেলোয়াড়েরাও কোচের কৌশল বুঝতে শুরু করেন। কয়েক বছর ধরে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা আরেকটি দলের সঙ্গে এই পর্যায়ের একটি দলের তুলনা করাকে আমি ন্যায়সংগত মনে করি না।’

অন্যদিকে, রিয়ালকে নিয়ে সতর্ক বার্সা কোচ ফ্লিক। তাঁর ধারণা, আত্মবিশ্বাস নিয়েই মাঠে নামবে মাদ্রিদের দলটি। পয়েন্ট ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও এল ক্লাসিকোকে অন্য সব ম্যাচের চেয়ে আলাদা মনে করেন তিনি।

ফ্লিক বলেন, ‘এল ক্লাসিকো একেবারেই আলাদা। ফুটবলে এটি আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় ম্যাচ। সবাই এই ম্যাচ দেখবে। এটি অসাধারণ। সত্যি, আমরা তিন পয়েন্টের জন্যই খেলছি। কিন্তু এই ম্যাচের গুরুত্ব তার চেয়েও বেশি। এতে অংশ নিতে পেরে আমি খুশি। লড়াইয়ের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। আমরা প্রস্তুত এবং নিজেদের দলের ওপর আমাদের প্রবল আত্মবিশ্বাস রয়েছে।’

ব্যালন ডি’অর ঘোষণার আগমুহূর্তে হওয়ায় এল ক্লাসিকো ঘিরে উত্তাপ আরও বেড়েছে। ফুটবল বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কারের দৌড়ে আলোচনায় রয়েছেন কিলিয়ান এমবাপে ও লামিন ইয়ামাল। দুজনই দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। রিয়ালের ফরাসি তারকা নয় ম্যাচে করেছেন নয় গোল। ইয়ামালও পিছিয়ে নেই, তাঁর গোলসংখ্যা আট। অনেকের ধারণা, এই ম্যাচে দুজনের পারফরম্যান্স ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটিতে রিয়াল পাচ্ছে না দলের অন্যতম ভরসা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে। চার ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার দ্বিতীয় ম্যাচটি কাটাচ্ছেন ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ড।

মুখোমুখি লড়াইয়ের পরিসংখ্যানে দুই দলই সমানে সমান। দুই ক্লাবের জয় ১০৬টি করে, ড্র হয়েছে ৫২টি ম্যাচ। গত পাঁচ বছরে বার্সেলোনা জিতেছে ১০ বার, রিয়াল মাদ্রিদ নয়বার। আর শেষ ১০ ম্যাচে বার্সেলোনার জয় ছয়টি, রিয়ালের চারটি।

মুখোমুখি লড়াইয়ের পরিসংখ্যান সমান হলেও চলতি মৌসুমে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে বার্সেলোনা। লিগের প্রথম নয় ম্যাচে শতভাগ জয় এবং ৩৯ গোল নিয়ে এগিয়ে আছে ফ্লিকের দল। তবে লিগের দশম রাউন্ডে এসে তাদের সামনে অপেক্ষা করছে মৌসুমের অন্যতম কঠিন পরীক্ষা—এল ক্লাসিকো।