ঢাকা ০৫:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৯ কোটি টাকার ক্যাথল্যাব ১০ বছরেও চালু হয়নি, বিল পরিশোধ আগেই লাল কার্ডের পর বায়ার্নের শাস্তির মুখে অলিসে তাড়াইলে আফ্রিকান জায়ান্ট শামুকের উপদ্রব, অতিষ্ঠ মানুষ বাবার ফোন ও মায়ের স্বর্ণ বিক্রি করে পালাল ৪ শিক্ষার্থী, ১৬ ঘণ্টা পর হবিগঞ্জে উদ্ধার বনশ্রীর আবাসন প্রকল্পে ৩ কোটি টাকার সার্ভিস চার্জ দাবি, রাজউকের শুনানিতে প্রশ্নবিদ্ধ ইস্টার্ন হাউজিং বিদায়বেলায় অশ্রুসিক্ত কিবরিয়া স্যার, আবেগঘন পরিবেশ ডাঙ্গীরহাট স্কুল অ্যান্ড কলেজে হুথিদের ওপর ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, নির্বাচনের পর পদক্ষেপের ইঙ্গিত দুই বছর মাঠে যান না কৃষি কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস, ভোগান্তিতে কৃষক গোপালগঞ্জে ৫৭তম বিশ্ব মান দিবস উদযাপন হিন্দুদের সমস্যা সমাধানে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি জামায়াত আমিরের

দুই বছর মাঠে যান না কৃষি কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস, ভোগান্তিতে কৃষক

শেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের এক উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস। তিনি প্রায় দুই বছর ধরে মাঠপর্যায়ে গিয়ে কৃষকদের পরামর্শ দেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। শেরপুরের সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে তাঁকে মাঠে পাচ্ছেন না কৃষকরা। এতে বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ কৃষকরা।

একাধিক কৃষক ও ব্যবসায়ীর অভিযোগ, দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম দিকে কৃষকদের সার, বীজ ও অন্যান্য কৃষিপণ্য দেওয়ার আশ্বাস দেন রুহুল কুদ্দুস। বিনিময়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিষয়টি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে জানানোর পরও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুসের নামে মামলা রয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের কারণে তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় যান না। তবে প্রতি মাসে এসে নিয়মবহির্ভূতভাবে হাজিরা খাতায় সই করে যান।

ঝিনাইগাতী সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘কৃষি কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুসের সঙ্গে বছরখানেক আগে দেখা হয়েছিল। এরপর তাঁকে আর দেখিনি। শুনেছি, তাঁর নামে মামলা হয়েছে।’

এ বিষয়ে জানতে ঝিনাইগাতী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ফরহাদ হোসেনের কাছে গেলে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রায় তিন ঘণ্টা অফিসে বসিয়ে রেখে কৌশলে কর্মস্থল ত্যাগ করেন।

যোগাযোগের চেষ্টা করেও অভিযুক্ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুসের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের উপপরিচালক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব। তদন্ত সাপেক্ষে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৯ কোটি টাকার ক্যাথল্যাব ১০ বছরেও চালু হয়নি, বিল পরিশোধ আগেই

দুই বছর মাঠে যান না কৃষি কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস, ভোগান্তিতে কৃষক

আপডেট সময় ০৪:০৬:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

শেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের এক উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস। তিনি প্রায় দুই বছর ধরে মাঠপর্যায়ে গিয়ে কৃষকদের পরামর্শ দেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। শেরপুরের সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে তাঁকে মাঠে পাচ্ছেন না কৃষকরা। এতে বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ কৃষকরা।

একাধিক কৃষক ও ব্যবসায়ীর অভিযোগ, দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম দিকে কৃষকদের সার, বীজ ও অন্যান্য কৃষিপণ্য দেওয়ার আশ্বাস দেন রুহুল কুদ্দুস। বিনিময়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিষয়টি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে জানানোর পরও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুসের নামে মামলা রয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের কারণে তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় যান না। তবে প্রতি মাসে এসে নিয়মবহির্ভূতভাবে হাজিরা খাতায় সই করে যান।

ঝিনাইগাতী সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘কৃষি কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুসের সঙ্গে বছরখানেক আগে দেখা হয়েছিল। এরপর তাঁকে আর দেখিনি। শুনেছি, তাঁর নামে মামলা হয়েছে।’

এ বিষয়ে জানতে ঝিনাইগাতী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ফরহাদ হোসেনের কাছে গেলে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রায় তিন ঘণ্টা অফিসে বসিয়ে রেখে কৌশলে কর্মস্থল ত্যাগ করেন।

যোগাযোগের চেষ্টা করেও অভিযুক্ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুসের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের উপপরিচালক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব। তদন্ত সাপেক্ষে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।