ঢাকা ০৬:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হঠাৎ পাসপোর্ট অফিসে এমপি মানিক, ধরলেন ৩ দালাল কালিহাতীতে জসিম খানের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ বাঞ্ছারামপুরে আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শনে পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ শুরু, বিনা খরচে নেবে ১০ হাজার সিলেটে বৈষম্যবিরোধী মামলায় যুবলীগ নেতা ইমরুল গ্রেপ্তার সিলেটে জিন্দাবাজারের ‘বন্ড’কে ১২ হাজার টাকা জরিমানা সাত্তার গ্রুপের কাগুজে প্রতিষ্ঠানে রাষ্ট্রায়ত্ত দুই ব্যাংকের খেলাপি ঋণ হাজার কোটি টাকা মেধাভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থার ওপর জোর প্রতিমন্ত্রী হাবিবের সাভারে ইউপি সচিব মীর আব্দুল বারেকের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ ও দুর্নীতির অভিযোগ কুমিল্লায় বিজিবির অভিযানে ৩৯ লাখ টাকার কসমেটিকস ও জর্দা জব্দ

বিএনপির নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজা অনুষ্ঠিত, দাফন জুরাইনে

বিএনপির বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, জাতীয় সংসদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শীর্ষ রাজনৈতিক নেতারা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, মরহুমের সহযোদ্ধা এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী অংশ নেন।

জানাজার আগে মরহুমের সংক্ষিপ্ত জীবন ও রাজনৈতিক অবদান স্মরণ করে বক্তব্য দেওয়া হয়। পরে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

পরিবার ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রবীণ এই নেতার জানাজা ও দাফন কর্মসূচি তিন ধাপে সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। এর প্রথমটি সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এরপর দুপুর দেড়টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তাঁর মরদেহ রাখা হবে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

সবশেষে বিকেল ৩টায় শ্যামপুর-কদমতলী এলাকার ঐতিহাসিক লাল মসজিদ প্রাঙ্গণে তৃতীয় জানাজা শেষে জুরাইন কবরস্থানে তাঁর বাবার কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হবে।

এর আগে, মঙ্গলবার রাত ৮টা ১০ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন বিএনপির এই রাজনীতিবিদ।

সালাহউদ্দিন আহমেদ ১৯৫৪ সালের ১ মে ঢাকার কদমতলী পশ্চিম, শ্যামপুর এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আব্দুল ব্যারেক সর্দার।

তিনি ধোলাইপাড় উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি, নটর ডেম কলেজ থেকে এইচএসসি এবং জগন্নাথ কলেজ থেকে বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি ব্যবসা ও প্রকাশনা শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। তিনি ‘দৈনিক দেশ জনতা’ পত্রিকার মালিক ও সম্পাদক ছিলেন।

সমাজসেবক সালাহউদ্দিন আহমেদ একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

তিনি ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পঞ্চম জাতীয় সংসদে তিনি ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।

২০০১ সালের ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। এ সময় তিনি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। রাজধানীর শ্যামপুর-কদমতলী এলাকায় তিনি বিএনপির নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

মৃত্যুকালে তিনি তিন ছেলে, এক মেয়ে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হঠাৎ পাসপোর্ট অফিসে এমপি মানিক, ধরলেন ৩ দালাল

বিএনপির নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজা অনুষ্ঠিত, দাফন জুরাইনে

আপডেট সময় ১২:৪২:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

বিএনপির বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, জাতীয় সংসদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শীর্ষ রাজনৈতিক নেতারা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, মরহুমের সহযোদ্ধা এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী অংশ নেন।

জানাজার আগে মরহুমের সংক্ষিপ্ত জীবন ও রাজনৈতিক অবদান স্মরণ করে বক্তব্য দেওয়া হয়। পরে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

পরিবার ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রবীণ এই নেতার জানাজা ও দাফন কর্মসূচি তিন ধাপে সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। এর প্রথমটি সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এরপর দুপুর দেড়টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তাঁর মরদেহ রাখা হবে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

সবশেষে বিকেল ৩টায় শ্যামপুর-কদমতলী এলাকার ঐতিহাসিক লাল মসজিদ প্রাঙ্গণে তৃতীয় জানাজা শেষে জুরাইন কবরস্থানে তাঁর বাবার কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হবে।

এর আগে, মঙ্গলবার রাত ৮টা ১০ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন বিএনপির এই রাজনীতিবিদ।

সালাহউদ্দিন আহমেদ ১৯৫৪ সালের ১ মে ঢাকার কদমতলী পশ্চিম, শ্যামপুর এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আব্দুল ব্যারেক সর্দার।

তিনি ধোলাইপাড় উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি, নটর ডেম কলেজ থেকে এইচএসসি এবং জগন্নাথ কলেজ থেকে বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি ব্যবসা ও প্রকাশনা শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। তিনি ‘দৈনিক দেশ জনতা’ পত্রিকার মালিক ও সম্পাদক ছিলেন।

সমাজসেবক সালাহউদ্দিন আহমেদ একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

তিনি ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পঞ্চম জাতীয় সংসদে তিনি ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।

২০০১ সালের ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। এ সময় তিনি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। রাজধানীর শ্যামপুর-কদমতলী এলাকায় তিনি বিএনপির নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

মৃত্যুকালে তিনি তিন ছেলে, এক মেয়ে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।