ভোট ছাড়াই অপকৌশলে সংসদ সদস্য (এমপি) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র হয়েছিলেন সাঈদ খোকন। মুখে ছিল শুদ্ধ-সততার বুলি। অথচ মনমগজে ছলচাতুরী, কারসাজি আর টাকা বানানোর নেশা। নামে-বেনামে সম্পদ, সেবার নামে ব্যবসা, সরকারি কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ, সুদূর অস্ট্রেলিয়ায় অর্থপাচার, কাগুজে কোম্পানি খুলে বিপুল অঙ্কের লেনদেন, পরিবারের সদস্যরাও লুটপাটের টাকায় শতকোটি টাকার মালিক। তবে এসব সম্পদের তথ্য নেই সাঈদ খোকন ও তাঁর পরিবারের আয়কর নথিতে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বিশেষায়িত ইউনিট আয়কর গোয়েন্দার অনুসন্ধানে খোকন পরিবারের ব্যাংকে প্রায় দুই হাজার ৩০০ কোটি টাকার লেনদেন ও প্রাথমিক তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণে ৩০০ কোটি টাকা কর ফাঁকি উদ্ঘাটন করা হয়েছে। সংস্থাটি বলছে, অনুসন্ধান শেষে এই অঙ্ক আরও বাড়তে পারে।
সাঈদ খোকন ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের আয়, সম্পদ, ব্যাংক হিসাব ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেন নিয়ে বড় ধরনের অসংগতি উঠে এসেছে। ২০১৯-২০ থেকে ২০২৪-২৫ করবর্ষ পর্যন্ত পাঁচ বছরে সাঈদ খোকন, তাঁর মা, স্ত্রী, বোন, এক মেয়ে ও তিনটি কাগুজে কোম্পানির হিসাবে মোট ২ হাজার ২৩৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকা জমা হয়েছে। এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গোপন করা সম্পদের পরিমাণ তিন হাজার ১২৪ কোটি ৭১ লাখ টাকা। কর ফাঁকির অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ২৯৬ কোটি ৮৬ লাখ ৬৬ হাজার ২৪৪ টাকা। ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের কেউই ২০২৩-২৪ করবর্ষের পর থেকে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেননি।
অনুসন্ধান বলছে, সাঈদ খোকন ও তাঁর পরিবারের অপ্রদর্শিত সম্পদের পরিমাণ তিন হাজার ১২৪ কোটি ৭১ লাখ টাকা। এর মধ্যে সাঈদ খোকনের ৯৮৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, স্ত্রী ফারহানা সাঈদের ৫৩০ কোটি ৯০ লাখ টাকা, মা ফাতেমা খাতুনের ২৩১ কোটি ৯২ লাখ টাকা, বোন শাহানা হানিফের ১৫০ কোটি ২৬ লাখ টাকা। তিনটি কাগুজে প্রতিষ্ঠানের নামেও আছে বিপুল অপ্রদর্শিত সম্পদ। সাঈদ খোকন প্রোপার্টিজ লিমিটেডের ৫০৫ কোটি টাকা, আরা হস্পিটালিটি সার্ভিসেস লিমিটেডের ২৬৩ কোটি টাকা ও ফোরএ প্রাইভেট লিমিটেডের অপ্রদর্শিত অর্থের পরিমাণ ৪৫৭ কোটি টাকা। এ ছাড়া সাঈদ খোকনের তিন মেয়ের নামে কোনো আয়কর নথি নেই। মায়ের সঙ্গে তাঁদের যৌথ ব্যাংক হিসাব রয়েছে। তাঁরা প্রত্যেকেই থাকেন অস্ট্রেলিয়ায়।
আয়কর গোয়েন্দার দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, সাঈদ খোকনের পুরো পরিবারের ব্যাংক হিসাবে জমা, আয়কর রিটার্নে প্রদর্শিত আয়, স্থায়ী আমানত, সরকারি ট্রেজারি বিল-বন্ডে বিনিয়োগ ও সম্পদ বিবরণীর মধ্যে বহু অসংগতি শনাক্ত করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি তাঁদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের লেনদেনও পর্যালোচনা করা হয়েছে। তিনটি কোম্পানির কার্যকর ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড পাওয়া যায়নি। সূত্র বলছে, এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ায় অর্থপাচারের সংযোগ রয়েছে। এতে সাঈদ খোকনের ব্যক্তিগত সহকারী আরমিনা সুলতানার সংশ্লিষ্টতার আলামত পেয়েছে সংস্থাটি। এনবিআর ছাড়াও এই ইস্যুতে তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সাঈদ খোকনের নানা অনিয়ম
প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা সাঈদ খোকন বিভিন্ন কৌশলে কর ফাঁকি দিয়েছেন। ভাড়া থেকে পাওয়া আয় কম দেখিয়ে ২০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা, মেয়াদি আমানত ও সঞ্চয়ী হিসাবের সুদ আয় গোপন করে সাত কোটি ১৩ লাখ টাকা, শেয়ারবাজারের মূলধনী আয় না দেখিয়ে ১০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ কম দেখিয়ে ৩৮ লাখ টাকা, ট্রেজারি বিল-বন্ড ও বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের স্থিতি গোপন করে ২৩০ কোটি টাকা, উৎসে কর, পরিশোধিত কর ও অন্যান্য ব্যয় না দেখিয়ে ৬৫৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা কর ফাঁকি দিয়েছেন তিনি।
গুলশান-বনানীর ভবনের তথ্যে অসংগতি
দুর্নীতির মাধ্যমে আয়ের হাত লম্বা হলেও সম্পদের মূল্য ঘোষণায় কৃপণতা করেছেন পলাতক এই নেতা। বনানীর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউতে ‘সাঈদ খোকন অটোগ্রাফ’ নামে ১৯ তলা বাণিজ্যিক ভবন রয়েছে। নথি অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ করবর্ষে ভবনটির বিনিয়োগ দেখানো হয়েছে প্রায় ৫১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। তবে গণপূর্ত বিভাগের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল দপ্তরের মূল্যায়ন প্রতিবেদন বলছে, ভবনটির নির্মাণব্যয় প্রায় ১১০ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে সিভিল ওয়ার্কসের ব্যয় প্রায় ৯৬ কোটি ৯৮ লাখ ও ইলেকট্রোমেকানিক্যাল কাজের ব্যয় প্রায় ১৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এই ভবনে প্রায় ৫৯ কোটি ৯ লাখ টাকার অপ্রদর্শিত বিনিয়োগ পাওয়া গেছে।
রাজধানীর গুলশান-২-এর ‘ওকউড’ নামে ১৪ তলা বাণিজ্যিক ভবনের ক্ষেত্রেও একই ধরনের অসংগতি পাওয়া গেছে। সেখানে দেখানো বিনিয়োগ ও প্রকৌশল বিভাগের মূল্যায়িত নির্মাণব্যয়ের পার্থক্য প্রায় দুই কোটি ৬৭ লাখ টাকা। এ ছাড়া গোয়েন্দা তথ্য বলছে, সাঈদ খোকনের অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ী সম্পদ ও ভবন রয়েছে।
ট্রেজারি বন্ডে বিপুল অঙ্কের বিনিয়োগ
এ ছাড়া ২০২২-২৩ করবর্ষে ২৭ কোটি ৫৯ লাখ টাকার চারটি ট্রেজারি বিল কিনে নগদায়ন করে মুনাফা পেয়েছেন ৪০ লাখের বেশি। ২০২৩-২৪ করবর্ষে ১০৭ কোটি ৮৭ লাখ টাকার ১১টি ট্রেজারি বিল নগদায়নে এক কোটি ৮৪ লাখ টাকা পেয়েছেন। একই করবর্ষে ৫০ কোটি ৮১ লাখ টাকার আরও চারটি ট্রেজারি বিল নগদায়ন করে মুনাফা পেয়েছেন এক কোটি ৫৬ লাখ টাকা। ২০২৪-২৫ করবর্ষে ৩০ কোটি ৯৫ লাখ টাকার তিনটি ট্রেজারি বিল ভেঙে মুনাফা তুলেছেন দুই কোটি চার লাখ টাকা। একই করবর্ষে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি ট্রেজারি বন্ডে আট কোটি ৩ লাখ টাকা ও ১৫ বছর মেয়াদি আরেকটি বন্ডে প্রায় ৩১ কোটি ৪৮ লাখ টাকা বিনিয়োগের তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা। আয়কর গোয়েন্দা নিশ্চিত করেছে, এসব বিনিয়োগের কোনো তথ্য করনথিতে উল্লেখ করা হয়নি।
স্ত্রী-মা-বোনেরও কালোটাকা হাজার কোটি
সাঈদ খোকনের স্ত্রী ফারহানা সাঈদ, মা ফাতেমা খাতুন ও বোন শাহানা হানিফের কর ফাঁকি, অপ্রদর্শিত অর্থ ও বিনিয়োগের অঙ্কও শতকোটির ঘরে। ফারহানা সাঈদের কালোটাকার পরিমাণ ৫৩০ কোটি ৯০ লাখ টাকা। এর মধ্যে মেয়াদি আমানত ও সঞ্চয়ী হিসাবের সুদ আয় গোপন করে সাত কোটি ১৩ লাখ টাকা, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ না দেখিয়ে এক কোটি টাকা, ব্যাংকের স্থিতি গোপনের মাধ্যমে ৬৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা, গাড়ি কেনা আড়াল করে ৬০ লাখ টাকা, ডিভিডেন্ড আয় গোপন করে ৫৯ কোটি ৬ লাখ টাকা ও সঞ্চয়ী, চলতি ও এফডিআরের আয় না দেখিয়ে ৩৯৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা প্রদর্শন করেননি।
ফাতেমা খাতুনের কালোটাকার পরিমাণ ২৩১ কোটি ৯২ লাখ টাকা। এর মধ্যে ডিভিডেন্ড আয় না দেখিয়ে ৬৪ কোটি ৭১ লাখ টাকা, সুদ আয় গোপন করে তিন কোটি টাকা, শেয়ারবাজারের মূলধনী আয় না দেখিয়ে ২০ লাখ টাকা, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ কম দেখিয়ে নয় কোটি টাকা, বন্ডে বিনিয়োগ লুকিয়ে ১৪ কোটি টাকা, সঞ্চয়ী ও চলতি হিসাবের আয় না দেখিয়ে ১৪১ কোটি টাকা লুকিয়েছেন।
বোন শাহানা হানিফের কালোটাকার পরিমাণ ১৫০ কোটি ২৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে মেয়াদি ও সঞ্চয়ী হিসাবের সুদ আয় গোপনে এক কোটি ২০ লাখ টাকা, প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিতে বিনিয়োগ লুকিয়ে ছয় লাখ টাকা, মেয়াদি হিসাবের স্থিতি গোপন করে ৫৬ কোটি টাকা, বন্ডের বিনিয়োগ না দেখিয়ে ১৬ কোটি টাকা, উৎসে কর, পরিশোধিত কর, এফডিআরসহ ব্যাংক হিসাবের আয় প্রদর্শন না করে ৭৭ কোটি টাকা আড়াল করেছেন। এ ছাড়া সাঈদ খোকনের তিন মেয়ে অস্ট্রেলিয়ায় থাকাকালীন সেখানে প্রচুর অর্থ পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত হয়েছে আয়কর গোয়েন্দা।
পাচারের উদ্দেশ্যে তিনটি কাগুজে কোম্পানি
সাঈদ খোকন প্রোপার্টিজ লিমিটেড, আরা হস্পিটালিটি সার্ভিস লিমিটেড ও ফোরএ প্রাইভেট লিমিটেড নামে তিনটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে সাঈদ খোকন ও তাঁর পরিবারের নামে। তদন্তে এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো ব্যবসায়িক কার্যক্রম খুঁজে পায়নি গোয়েন্দারা। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মূলত খোকন পরিবারের আর্থিক লেনদেন করা হয়েছে। এসব কোম্পানির আড়ালে অর্থপাচারের সংযোগ দেখছে আয়কর গোয়েন্দা।
তথ্য বলছে, সাঈদ খোকন প্রোপার্টিজ লিমিটেডের ৫০৫ কোটি টাকা, আরা হস্পিটালিটি সার্ভিসেস লিমিটেডের ২৬৩ কোটি টাকা ও ফোরএ প্রাইভেট লিমিটেডের অপ্রদর্শিত অর্থের পরিমাণ ৪৫৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রথম দুটি প্রতিষ্ঠান কয়েক বছর রিটার্ন দাখিল করলেও ফোরএ প্রাইভেট লিমিটেড রিটার্ন দাখিল করে না। এই প্রতিষ্ঠানের ২০২৪-২৫ করবর্ষ পর্যন্ত ব্যাংক জমা ৩৬৭ কোটি টাকা, বন্ডে স্থিতি ৬১ কোটি টাকা ও অন্যান্য হিসাবের স্থিতি ২৯ কোটি টাকা। ২০২১-২২ করবর্ষে এসব প্রতিষ্ঠান থেকে সাঈদ খোকন পেয়েছেন প্রায় নয় কোটি টাকা। একই করবর্ষে তাঁর স্ত্রী পেয়েছেন ৫৫ কোটি টাকা ও মা পেয়েছেন প্রায় ৬৫ কোটি টাকা।
কর ফাঁকি ২৯৭ কোটি টাকা
সাঈদ খোকন, তাঁর পরিবার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ২০২৪-২৫ করবর্ষের রিটার্ন দাখিল করেনি। এই বছরের আগেই সাঈদ খোকনের কর ফাঁকি ৯৪ কোটি ২০ লাখ টাকা, তাঁর স্ত্রীর ৪৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা, মায়ের ৪০ কোটি ৮৯ লাখ টাকা, বোনের ১৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা, সাঈদ খোকন প্রোপার্টিজের ৭৩ কোটি ৩২ লাখ টাকা ও আরা হস্পিটালিটির ১৯ কোটি ৬৮ লাখ টাকা কর ফাঁকি উদঘাটন করেছেন গোয়েন্দারা। এ ছাড়া ফোরএ প্রাইভেট লিমিটেড ও তাঁর মেয়েরা রিটার্ন দাখিল না করায় তাঁদের বিরুদ্ধে কর ফাঁকি উদঘাটন করা হয়নি। তবে তথ্য বলছে, রিটার্ন দাখিল না করা বছরগুলোতে (২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬) আয় আগের বছরগুলোর চেয়েও বেশি ছিল।
গণহারে কালোটাকা সাদার প্রকল্প
২০২০-২১ করবর্ষে সাঈদ খোকন পাঁচ কোটি টাকা পরিশোধ করে ৫০ কোটি টাকা সাদা করেছেন। একই করবর্ষে তাঁর মা পাঁচ কোটি টাকা জমা দিয়ে ৫০ কোটি টাকা সাদা করেছেন। ২০২১-২২ করবর্ষে তাঁর স্ত্রী চার কোটি টাকা দিয়ে ৪০ কোটি টাকা সাদা করেছেন। তখনকার সময়ে অনৈতিক উপায়ে ১০ শতাংশ টাকা দিয়ে কালোটাকা সাদা করার বিধান চালু করেছিল ফ্যাসিস্ট সরকার। তবে এই কালোটাকা সাদা করাকে পরিকল্পিত বলে মনে করছেন কর কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আয়কর গোয়েন্দার কোনো কর্মকর্তা বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তবে এনবিআরের করনীতি বিভাগের সাবেক সদস্য ও সিআইসির সাবেক মহাপরিচালক ড. সৈয়দ আমিনুল করিম বলেন, অর্থের উৎস, লেনদেনের প্রকৃতি, হিসাবগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক অনেক সত্য উদ্ঘাটন করে দেয়। আয় বা সম্পদ গোপন করা মূলত অবৈধ উপার্জনের একটি বড় লক্ষণ। কর বিভাগের পাশাপাশি সরকারের অন্যান্য সংস্থাগুলোকে নিয়ে যৌথভাবে কাজ করতে পারলে আরও ফলপ্রসূ হবে। সাধারণত বিদেশ থেকে পাচার করা অর্থ আনা দীর্ঘ সময়সাপেক্ষ। তবে দেশে থাকা অর্থ জব্দ করে দৃশ্যমান শাস্তির আওতায় আনা হলে ভবিষ্যতের জন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করা যাবে। তাহলে পরবর্তীতে কেউ এ ধরনের অনিয়মে যুক্ত হতে সাহস করবে না।
এর আগে ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সাঈদ খোকন ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন আদালত। আবেদনে এই পরিবারের ব্যাংক হিসাবগুলোতে অস্বাভাবিক লেনদেন, নানাবিধ দুর্নীতি, পদের অপব্যবহার করে ও রাজনৈতিক পরিচয়ের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে ও বিদেশে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছিল।
তবে সাঈদ খোকন ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের দেশে থাকার ব্যাপারে নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাঁর ফোন নম্বর সচল পাওয়া যায়নি।
নিজস্ব প্রতিবেদক 






















