বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) প্রধান প্রকৌশলী (ড্রেজিং) এ এইচ এম ফরহাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের নানা অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় ঘুষ গ্রহণের সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ার অভিযোগে ২০১৯ সালে তার বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে, ঘুষের টাকা তিনি তার শাশুড়ির ব্যাংক হিসাবে গ্রহণ করেন।
দুদকের ওই মামলা চলমান থাকার মধ্যেই এ এইচ এম ফরহাদুজ্জামান তিন দফা পদোন্নতি পেয়ে বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএর প্রধান প্রকৌশলী (ড্রেজিং) পদে দায়িত্ব পালন করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, দুর্নীতির মামলা চলমান থাকার সময়েও তার সম্পদ অর্জন অব্যাহত থাকে। মিরপুরে কোটি টাকা মূল্যের জমি, পূর্বাচলে ৮ কাঠা করে দুটি প্লট, নয়াপল্টনে প্রায় ২ হাজার ৪০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট এবং তার স্ত্রীর নামে লালমনিরহাটের পাটগ্রামে প্রায় ৪০০ শতাংশ জমি রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া লালমনিরহাট সদরে পাঁচতলা একটি বাড়ি করারও অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, নামে-বেনামে তার ৫০ কোটি টাকার বেশি সম্পদ রয়েছে। স্বামী-স্ত্রীর ব্যাংক হিসাবেও অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এ ছাড়া বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন বিআইডব্লিউটিপি-১ প্রকল্পের শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে প্রতিবেদন দিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ ও তদন্ত প্রতিবেদন সত্ত্বেও তার বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। বরং তিনি পদোন্নতি পেয়ে বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএর প্রধান প্রকৌশলী (ড্রেজিং) পদে দায়িত্ব পালন করছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 






















