ঢাকা ০৮:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অপ্রতিম হত্যা, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ৩ জন আটক, চলছে জিজ্ঞাসাবাদ শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ৮৯ লাখ টাকা, মিলল স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কাজী সেলিম রেজার বাড়িতে হত্যাচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে দুর্ধর্ষ লুটপাটের অভিযোগ বড়লেখায় জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন চলবে সৌরবিদ্যুতে ‘আমার ছেলে অপ্রতিম কী অন্যায় করেছে, আমি শুধু এটুকু জানতে চাই’ বড়লেখায় মুন্নির রহস্যজনক মৃত্যু, মামলার আসামি চামেলী গ্রেপ্তার দামুড়হুদায় ব্রাইট স্টার কোচিং সেন্টারের উদ্যোগে বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত পতেঙ্গায় ইজারার আড়ালে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ, হয়রানির শিকার চালকরা সরকারি কর্মকর্তারা জনগণের সম্পদের কাস্টোডিয়ান: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

বড়লেখায় মুন্নির রহস্যজনক মৃত্যু, মামলার আসামি চামেলী গ্রেপ্তার

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বহুল আলোচিত গৃহবধূ মরিয়ম আক্তার মুন্নির রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর মায়ের দায়ের করা মামলার অন্যতম আসামি চামেলী আক্তারকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় গৃহবধূ মরিয়ম আক্তার মুন্নির আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি তাঁর ননদ চামেলী আক্তারকে (২৫) ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। চামেলী আক্তার বড়লেখা উপজেলার মুড়িরগুল গ্রামের মৃত ইয়াছিন আলীর মেয়ে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মুন্নির মৃত্যুর ঘটনায় গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে তাঁর মা রেনু বেগম বাদী হয়ে বড়লেখা থানায় মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, যৌতুকের জন্য নির্যাতনের একপর্যায়ে মুন্নি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। মামলায় মুন্নির স্বামী, শাশুড়ি, ননদ, ভাসুর ও জা-সহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া আরও পাঁচজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।

মামলা দায়েরের পর পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে বড়লেখা থানার এসআই শেখ কামরুল ইসলাম ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. আবদুল করিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়।

পুলিশ জানায়, প্রায় ৪৮ ঘণ্টার অভিযান শেষে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মোহাম্মদপুরের বসিলা এলাকা থেকে চামেলী আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান চামেলী আক্তারের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মোহাম্মদপুরের বসিলা এলাকায় পুলিশের একটি বিশেষ দল প্রায় ৪৮ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর শনিবার সকালে তাঁকে বড়লেখা থানায় নিয়ে আসা হয়। মামলার ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে বিধি অনুযায়ী আদালতে পাঠানো হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অপ্রতিম হত্যা, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ৩ জন আটক, চলছে জিজ্ঞাসাবাদ

বড়লেখায় মুন্নির রহস্যজনক মৃত্যু, মামলার আসামি চামেলী গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৭:১৩:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বহুল আলোচিত গৃহবধূ মরিয়ম আক্তার মুন্নির রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর মায়ের দায়ের করা মামলার অন্যতম আসামি চামেলী আক্তারকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় গৃহবধূ মরিয়ম আক্তার মুন্নির আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি তাঁর ননদ চামেলী আক্তারকে (২৫) ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। চামেলী আক্তার বড়লেখা উপজেলার মুড়িরগুল গ্রামের মৃত ইয়াছিন আলীর মেয়ে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মুন্নির মৃত্যুর ঘটনায় গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে তাঁর মা রেনু বেগম বাদী হয়ে বড়লেখা থানায় মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, যৌতুকের জন্য নির্যাতনের একপর্যায়ে মুন্নি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। মামলায় মুন্নির স্বামী, শাশুড়ি, ননদ, ভাসুর ও জা-সহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া আরও পাঁচজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।

মামলা দায়েরের পর পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে বড়লেখা থানার এসআই শেখ কামরুল ইসলাম ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. আবদুল করিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়।

পুলিশ জানায়, প্রায় ৪৮ ঘণ্টার অভিযান শেষে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মোহাম্মদপুরের বসিলা এলাকা থেকে চামেলী আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান চামেলী আক্তারের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মোহাম্মদপুরের বসিলা এলাকায় পুলিশের একটি বিশেষ দল প্রায় ৪৮ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর শনিবার সকালে তাঁকে বড়লেখা থানায় নিয়ে আসা হয়। মামলার ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে বিধি অনুযায়ী আদালতে পাঠানো হয়েছে।