ঢাকা ০৯:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ সাড়ে ১১ লাখ কোটি টাকা ছাড়াল মক্কা-মদিনার নিরাপত্তাকে সব রাজনৈতিক বিরোধের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে: চরমোনাই পীর মক্কার কাছে হুতি ড্রোন ভূপাতিত, তীব্র নিন্দা জামায়াত আমিরের গাজায় ভবন ধসের ঘটনায় নিহত বেড়ে ২০ চামড়াজাত শিল্পের উন্নয়নে নজর দিচ্ছে সরকার: রিজভী ওসির পর এবার সরানো হলো গুলশানের ডিসিকে অপরাধমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ক্রাইম রিপোর্টারদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পঞ্চগড়ে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ পৌর কমিটির সাধারণ সম্পাদক উজ্জল আটক শিক্ষার্থীদের মাঝে দুর্নীতিবিরোধী মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান ইউএনও তানজিলা আখতারের পলাতক সাজাপ্রাপ্তদের ফেরাতে ভারত সুনির্দিষ্ট জবাব দেয়নি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

গাজায় ভবন ধসের ঘটনায় নিহত বেড়ে ২০

গাজা শহরে যুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্ত একটি বহুতল আবাসিক ভবন ধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২০ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন। ধ্বংসস্তূপের নিচে শতাধিক মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে জানিয়েছে গাজা সিভিল ডিফেন্স। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে গাজা শহরে এ ভবন ধসের ঘটনা ঘটে।

গাজা সিভিল ডিফেন্সের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে অন্তত পাঁচ শিশু রয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকর্মীরা কাজ করছেন।

আল জাজিরার যাচাইকৃত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, স্থানীয়রা খালি হাতে ধ্বংসস্তূপ সরানোর চেষ্টা করছেন। এ সময় উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে শিশু ও অন্যান্য জীবিত ব্যক্তিকে বের করে আনছেন। উদ্ধার হওয়া কয়েকজনের মধ্যে শ্বাসকষ্টে ভোগা শিশুও ছিল। পরে তাদের অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

গাজা সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল আল জাজিরাকে জানান, উদ্ধারকারী দলগুলো এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার এবং নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ করছে। তবে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবে উদ্ধারকাজ অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভবনটি এর আগে ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এতে ভবনটির কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ায় পরে সেটি ধসে যায়। যুদ্ধের কারণে গাজাজুড়ে হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে। একই সঙ্গে নির্মাণসামগ্রী ও ভারী উদ্ধার সরঞ্জাম প্রবেশে বিধিনিষেধ থাকায় ধ্বংসস্তূপ সরানো এবং আটকে পড়াদের উদ্ধারে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে।

মাহমুদ বাসাল বলেন, নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে অনেক ফিলিস্তিনি এমন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই থাকতে বাধ্য হচ্ছেন, যেগুলো তাদের জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র বা তাঁবুর অভাবেও তাদের বিকল্প থাকার ব্যবস্থা নেই।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ সাড়ে ১১ লাখ কোটি টাকা ছাড়াল

গাজায় ভবন ধসের ঘটনায় নিহত বেড়ে ২০

আপডেট সময় ০৮:৪৭:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাজা শহরে যুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্ত একটি বহুতল আবাসিক ভবন ধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২০ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন। ধ্বংসস্তূপের নিচে শতাধিক মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে জানিয়েছে গাজা সিভিল ডিফেন্স। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে গাজা শহরে এ ভবন ধসের ঘটনা ঘটে।

গাজা সিভিল ডিফেন্সের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে অন্তত পাঁচ শিশু রয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকর্মীরা কাজ করছেন।

আল জাজিরার যাচাইকৃত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, স্থানীয়রা খালি হাতে ধ্বংসস্তূপ সরানোর চেষ্টা করছেন। এ সময় উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে শিশু ও অন্যান্য জীবিত ব্যক্তিকে বের করে আনছেন। উদ্ধার হওয়া কয়েকজনের মধ্যে শ্বাসকষ্টে ভোগা শিশুও ছিল। পরে তাদের অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

গাজা সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল আল জাজিরাকে জানান, উদ্ধারকারী দলগুলো এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার এবং নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ করছে। তবে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবে উদ্ধারকাজ অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভবনটি এর আগে ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এতে ভবনটির কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ায় পরে সেটি ধসে যায়। যুদ্ধের কারণে গাজাজুড়ে হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে। একই সঙ্গে নির্মাণসামগ্রী ও ভারী উদ্ধার সরঞ্জাম প্রবেশে বিধিনিষেধ থাকায় ধ্বংসস্তূপ সরানো এবং আটকে পড়াদের উদ্ধারে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে।

মাহমুদ বাসাল বলেন, নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে অনেক ফিলিস্তিনি এমন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই থাকতে বাধ্য হচ্ছেন, যেগুলো তাদের জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র বা তাঁবুর অভাবেও তাদের বিকল্প থাকার ব্যবস্থা নেই।