ঢাকা ০৮:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বনানীর মার্ভেল ইন ঘিরে পায়েল–জুয়েল–এরশাদ সিন্ডিকেটে হোটেল ‘মার্ভেল ইন’ এ দেহ ব্যবসা ও জুয়ার আসর রূপালী ব্যাংকের পদোন্নতির তালিকায় বিতর্কিত ও ফ্যাসিবাদ ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তা আবু হানিফ কুমিল্লার নেতা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের মায়ের ইন্তেকাল সাইফুজ্জামান চৌধুরীর বিদেশে থাকা সম্পদ জব্দের নির্দেশ ঘুষের অভিযোগ তুলতে গিয়ে সিনিয়র সচিব সালেহ আহমেদের ঘটনাই ফাঁস তালা ভেঙে বসতি, আড়াই–তিন বছর বিল বকেয়া; সংযোগ বিচ্ছিন্নে ‘নিরাপত্তার অজুহাত’ আকিজ সিমেন্টে ১৪৮ কোটি টাকার অনিয়ম কুমিল্লায় নারী উদ্যোক্তাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ক প্রশিক্ষণ রংপুর রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ জেলা পুলিশ নির্বাচিত ঠাকুরগাঁও বাঁধনের ওপর হামলা, সংসদে যা বললেন বিএনপির নারী এমপি

উৎপাদন খরচ ও বাজার পরিস্থিতি দেখে নির্ধারণ হবে ওষুধের দাম

ওষুধের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ ও সংশোধনের ক্ষেত্রে উৎপাদন এবং আমদানি খরচ, শুল্ক-কর, সরবরাহ চেইনের ব্যয়, দেশি-বিদেশি বাজার দর, বিকল্প ওষুধের সহজলভ্যতা এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত মূল্য পর্যালোচনার সময় ওষুধের প্রয়োজনীয়তা, রোগের প্রাদুর্ভাব, যৌক্তিক মুনাফা, সরকারি স্বাস্থ্য খরচের ওপর এর প্রভাব এবং বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করার মতো বিষয়গুলোও খতিয়ে দেখবে এই সংক্রান্ত গঠিত কমিটি।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য নেওয়াজ হালিমা আরলীর এক প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ওষুধ ও প্রসাধন আইন ২০২৩-এর ১২ ধারা অনুযায়ী গঠিত ১৫ সদস্যের ‘ওষুধ মূল্য নির্ধারণ কমিটি’ পুনর্গঠন করা হয়েছে, যেখানে চারজন পর্যবেক্ষক রাখা হয়েছে। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার তালিকায় থাকা ১১৭টি ওষুধের বিভিন্ন মাত্রার দাম বেঞ্চমার্ক হিসেবে সরকার নির্ধারণ করে দেয়। ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই বেঁধে দেওয়া মূল্যের মধ্যে নির্ধারিত ফরমে আবেদন জমা দিতে হয়, যার ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই শেষে কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত মূল্য নির্ধারণ করে প্রাইজ সার্টিফিকেট ইস্যু করে।

প্রাথমিক তালিকার বাইরে থাকা অন্যান্য ওষুধের ক্ষেত্রে নির্দেশক মূল্যের ভিত্তিতে প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেরাই দাম নির্ধারণ করে থাকে বলে সংসদকে জানান মন্ত্রী। তবে মূল্যসংযোজন কর বা ভ্যাট সংক্রান্ত কাজের জন্য এসব ওষুধের ক্ষেত্রেও ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের নিকট আবেদন জানিয়ে মূল্য সনদ সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক।

স্বাস্থ্য খাতের নতুন এই শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মন্ত্রী বলেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে ওষুধ বিক্রি করা ওষুধ ও প্রসাধন আইন ২০২৩-এর ৩০(৪) ধারা অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। এই আইন অমান্য করলে অপরাধীকে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, অনধিক দুই লাখ টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বনানীর মার্ভেল ইন ঘিরে পায়েল–জুয়েল–এরশাদ সিন্ডিকেটে হোটেল ‘মার্ভেল ইন’ এ দেহ ব্যবসা ও জুয়ার আসর

উৎপাদন খরচ ও বাজার পরিস্থিতি দেখে নির্ধারণ হবে ওষুধের দাম

আপডেট সময় ০৫:৫৭:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ওষুধের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ ও সংশোধনের ক্ষেত্রে উৎপাদন এবং আমদানি খরচ, শুল্ক-কর, সরবরাহ চেইনের ব্যয়, দেশি-বিদেশি বাজার দর, বিকল্প ওষুধের সহজলভ্যতা এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত মূল্য পর্যালোচনার সময় ওষুধের প্রয়োজনীয়তা, রোগের প্রাদুর্ভাব, যৌক্তিক মুনাফা, সরকারি স্বাস্থ্য খরচের ওপর এর প্রভাব এবং বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করার মতো বিষয়গুলোও খতিয়ে দেখবে এই সংক্রান্ত গঠিত কমিটি।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য নেওয়াজ হালিমা আরলীর এক প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ওষুধ ও প্রসাধন আইন ২০২৩-এর ১২ ধারা অনুযায়ী গঠিত ১৫ সদস্যের ‘ওষুধ মূল্য নির্ধারণ কমিটি’ পুনর্গঠন করা হয়েছে, যেখানে চারজন পর্যবেক্ষক রাখা হয়েছে। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার তালিকায় থাকা ১১৭টি ওষুধের বিভিন্ন মাত্রার দাম বেঞ্চমার্ক হিসেবে সরকার নির্ধারণ করে দেয়। ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই বেঁধে দেওয়া মূল্যের মধ্যে নির্ধারিত ফরমে আবেদন জমা দিতে হয়, যার ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই শেষে কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত মূল্য নির্ধারণ করে প্রাইজ সার্টিফিকেট ইস্যু করে।

প্রাথমিক তালিকার বাইরে থাকা অন্যান্য ওষুধের ক্ষেত্রে নির্দেশক মূল্যের ভিত্তিতে প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেরাই দাম নির্ধারণ করে থাকে বলে সংসদকে জানান মন্ত্রী। তবে মূল্যসংযোজন কর বা ভ্যাট সংক্রান্ত কাজের জন্য এসব ওষুধের ক্ষেত্রেও ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের নিকট আবেদন জানিয়ে মূল্য সনদ সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক।

স্বাস্থ্য খাতের নতুন এই শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মন্ত্রী বলেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে ওষুধ বিক্রি করা ওষুধ ও প্রসাধন আইন ২০২৩-এর ৩০(৪) ধারা অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। এই আইন অমান্য করলে অপরাধীকে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, অনধিক দুই লাখ টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে।