ঢাকা ০৪:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহের ট্রাফিক সিগন্যাল প্রকল্প আ.লীগ নেতাদের হাতে চীনের তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অস্ত্র তৈরির বিজ্ঞাপন, লালমাইয়ে যুবক আটক বড়লেখায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা শিবগঞ্জে ইউএনও মাজহারুল ইসলাম ও স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত নাহিদ উজ্জামানকে সংবর্ধনা রংপুর মেডিকেলে আগুন, বিদ্যুৎহীনতায় ব্যাহত চিকিৎসাসেবা লালপুরে ৯০ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে প্রতিমন্ত্রীর সফর হজযাত্রীদের কোরবানির অর্থ নিয়ে অনিয়ম, এজেন্সিকে জরিমানা কেইনই ব্যালন ডি’অরের যোগ্য, বলছেন বায়ার্ন কোচ

মেঘনায় অবৈধ বালু উত্তোলন, কোস্টগার্ডের অভিযানে ৬ ড্রেজার-বলগেট জব্দ

  • রিয়াজ ফরাজী
  • আপডেট সময় ০৫:২৮:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫৬৯ বার পড়া হয়েছে

ভোলার মেঘনা নদীতে অনুমোদনহীনভাবে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ছয়টি লোডড্রেজার ও একটি বলগেট জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মেঘনা নদীর একটি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব নৌযান জব্দ করা হয়।

কোস্টগার্ড সূত্রে জানা যায়, মেঘনা নদীর বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে—এমন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার সকালে কোস্টগার্ডের একটি বিশেষ দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় নদীতে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ছয়টি লোডড্রেজার ও একটি বলগেট শনাক্ত করা হয়।

কোস্টগার্ডের সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা ছয়টি লোডড্রেজার ও একটি বলগেট জব্দ করে কোস্টগার্ডের হেফাজতে নেওয়া হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অনুমোদন ছাড়াই বালু উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। এতে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ পরিবর্তনের পাশাপাশি নদীতীর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং বিভিন্ন এলাকায় ভাঙনের ঝুঁকি বাড়ছে। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে পরিবেশ ও নদীর জীববৈচিত্র্যের ওপরও বিরূপ প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

তাদের দাবি, শুধু নৌযান জব্দ করলেই হবে না; অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত প্রকৃত মালিক ও ব্যবসায়ীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি মেঘনা নদীতে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

কোস্টগার্ড জানিয়েছে, নদী ও উপকূলীয় এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলন, চোরাচালানসহ বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও অপরাধের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহের ট্রাফিক সিগন্যাল প্রকল্প আ.লীগ নেতাদের হাতে

মেঘনায় অবৈধ বালু উত্তোলন, কোস্টগার্ডের অভিযানে ৬ ড্রেজার-বলগেট জব্দ

আপডেট সময় ০৫:২৮:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভোলার মেঘনা নদীতে অনুমোদনহীনভাবে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ছয়টি লোডড্রেজার ও একটি বলগেট জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মেঘনা নদীর একটি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব নৌযান জব্দ করা হয়।

কোস্টগার্ড সূত্রে জানা যায়, মেঘনা নদীর বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে—এমন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার সকালে কোস্টগার্ডের একটি বিশেষ দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় নদীতে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ছয়টি লোডড্রেজার ও একটি বলগেট শনাক্ত করা হয়।

কোস্টগার্ডের সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা ছয়টি লোডড্রেজার ও একটি বলগেট জব্দ করে কোস্টগার্ডের হেফাজতে নেওয়া হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অনুমোদন ছাড়াই বালু উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। এতে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ পরিবর্তনের পাশাপাশি নদীতীর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং বিভিন্ন এলাকায় ভাঙনের ঝুঁকি বাড়ছে। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে পরিবেশ ও নদীর জীববৈচিত্র্যের ওপরও বিরূপ প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

তাদের দাবি, শুধু নৌযান জব্দ করলেই হবে না; অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত প্রকৃত মালিক ও ব্যবসায়ীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি মেঘনা নদীতে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

কোস্টগার্ড জানিয়েছে, নদী ও উপকূলীয় এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলন, চোরাচালানসহ বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও অপরাধের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।